পিতার দীপ্ত হাসি – শাহানা সিরাজী

Picsart_24-06-05_10-16-50-638-1.jpg

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

admin

বাবা এবার পহেলা বৈশাখ এলে কিন্তু আমরা ইলিশ দিয়ে পান্তা ভাত খাবো। তুমি আমাকে সাদা-লাল জামা কিনে দেবে। বলো না বাবা, দেবে?

মেয়ের আবদার শুনে বাবা হাসলেন, কিন্তু সে হাসিতে আনন্দ ছিল না—ছিল এক বুক হাহাকার। তার পকেটে তখন মাত্র কয়েকটা টাকা, যা দিয়ে হয়তো তিন দিনের চাল কেনা যাবে, কিন্তু ইলিশ মাছ আর লাল-সাদা জামা? সেটা আকাশকুসুম কল্পনা! যে চাকুরি তিনি করেন তাতে নুন-ভাতে দিন যাওয়া মুশকিল! মাছ-মাংস খাওয়া অনেক পরের ব্যাপার! দুই ঈদে জামা কেনা হয় না, সারাদিন কাজ করে রাতেও ওভার টাইম করেন। তাতেও সন্তানের লেখাপড়ার খরচ, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের চিকিৎসার খরচ, অসুস্থ বউ এর নিয়মিত ঔষধ-পথ্য যোগানো তার জন্য গলদ-ঘর্ম ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। একমাত্র সন্তান নায়েরা, ছোট মানুষটির শখ মেটানোর জন্য বাবা হিসেবে সে কী করতে পারে! মনটা খারাপ করেই থাকে। আর মাত্র তিনদিন পর পহেলা বৈশাখ। মেয়ে সবার কাছে বলে বেড়াচ্ছে- এবার বাবা ইলিশমাছ আনবে, লাল-সাদা জামা আনবে। হাসান সাহেব পারবে মেয়ের শখ মেটাতে?

মেয়ের কথায় হাসান সাহেব মনে মনে কুঁকড়ে গেলেও ভাবছেন ওভার টাইম খাটলে হয়তো পারবেন –দেখা যাক চেষ্টা করি!

তিনি সপ্রতিভ হয়ে মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, ” দেব রে মা, সব দেব। এবার তোর বৈশাখ খুব রঙিন হবে।”
নায়েরার মা অদূরে বসে সব শুনলেন। তার ঔষধেই তো হাসানের জীবন শেষ হয়ে গেলো! এতো কষ্ট করে মানুষটি তবু বিরক্ত হয় না। দিন শেষে বাসায় ফিরে তার মা-বাবা এবং আমার নাসিং নিয়ে সে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আবার নায়েরার পড়াশোনা দেকাশোনা করা। হাসানের বিছানায় যেতে মাঝরাত পার হয়ে যায়। তবুও হাসিমুখেই সব সয়ে যায়। আল্লাহ তুমি আমারে নিয়ে যাও। এই লোকটার কষ্ট আমি আর নিতে পারছি না। নইলে আমাকে সুস্থ করে দাও যাতে তাকে সাহায্য করতে পারি। নায়েরার মা পারুল হুহু কেঁদে উঠলেন। হাসান এগিয়ে এসে বলে পারু ,কাঁদছো কেন? নায়েরা আমাদের সন্তান। আমি তার পিতা। সে তো আমারই কাছে চাইবে, তাই না? বাবা হিসেবে এ সামান্য চাহিদা মেটাতে না পারা আমারই ব্যর্থতা। তুমি চিন্তা করো না। আমি ঠিকই পারবো।

বৈশাখ আসতে তখনো দুই দিন বাকি। হাসান দিনরাত দ্বিগুণ খাটতে শুরু করলেন। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে কুলিগিরি করে, ঠেলা চালিয়ে, যেখানে যা পেয়েছে তা করে বাড়তি টাকা আয় শুরু করলেন। এতে কিছু টাকা হলো বটে কিন্তু তা ইলিশ কেনার জন্য যথেষ্ট নয়! কারণ ইলিশের যে দাম, তা কেনা মানে টাকা চিবিয়ে খাওয়া! একবার ইলিশের দিকে তাকান একবার টাকার দিকে। তারপর পা বাড়ালেন বাড়ির দিকে।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি। পারু ঘরের দাওয়ায় বসে আছে। মা নায়েরা, কথা শোনো, আমার কাছে আসো।

-মা ডেকেছো?
-হ্যাঁ মা।

আয় আমার কাছে আয়। কোলে বসো,মা। কতদিন কোলে নিই না!
নায়রা মায়ের গা ঘেঁষে বসে। মা মেয়ে জড়াজড়ি করে কতক্ষণ হাসাহাসি করে। তারপর গল্প শুরু করে। মা বললেন,আজ চৈত্র সংক্রান্তি, তুমি জানো এ দিনে ছোটবেলায় আমরা কী করতাম?

নায়েরা হাসে। তোমার ছোটবেলায় আমি কোথায় ছিলাম মা! তোমার কণিষ্ঠ আঙুলের ভেতর ছিলাম?
মা- মেয়ে দুজনই হাসে। তারপর গল্প শূরু করে-
মোমান নানী এদিনে ঘরের সব আসবাবপত্র ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করতেন। এদিন মাছ মাংস খেতেন না। রান্না করতেন নিরামিষ। কারণ চৈত্রের শেষ দিকে সূর্যের তাপ বেশি তাকে। মশলাযুক্ত খাবার পেটে সমস্যা হতে পারে। আমাদের খেতে ইচ্ছে করতো না। তবুও মা চিরতার জল খাওয়াতেন। তিতা করলা খাওয়াতেন। পরদিন পহেলা বৈশাখ। সেদিন কী হতো জানো?

মা সকালেই সেমাই রান্না করতেন। মুরগী পোলাও রান্না করতেন। কখনো কখনো মাছ থাকতো। তখন নদীর পাঙ্গাস পাওয়া যেতো। মা পাঙ্গাসের ঝোল রান্না করতেন। সাথে সজনে ডাটা।

তাহলে মা এখন যে সবাই ইলিশ খায়?
পারু হাসে। তারপর দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে। তখন পহেলা বৈশাখের সাথে সম্পর্ক ছিলো ব্যবসা -বাণিজ্যের । মোঘল সম্রাট আকবরের গল্প সেদিন তোমায় শুনিয়ে ছিলাম। মনে আছে তোমার, নায়ু? হ্যাঁ মা।

সেই সম্রাটই প্রথম এই বৈশাখের প্রচলন করেছিলো, বুঝলে? উদ্দেশ্য একটাই,খাজনা আদায়। নতুন বছর নতুন ভাবে কৃষকেরা শুরু করতে পারতো। সহজ হতো। কারণ এ সময় রবি শস্য ঘরে উঠতো। ফলে কৃষকের হাতে টাকা থাকতো। খাজনা শোধ করা সহজ ছিলো।

তাহলে মা এখন যে মেলা হয়, কত কী হয়?
এখন মানুষ নানান কাজে জড়িয়ে পড়েছে। মানুষের সময় নেই আনন্দ করার। তাছাড়া সেদিন আর এদিনের মাঝে তফাৎ আছে। সেদিন মানুষের জীবিকার প্রধান উপায় ছিলো একমাত্রই কৃষি। এখন কত কী বেরিয়েছে! তাই পুরানো দিনকে স্মরণ করার জন্য নতুন করে পহেলা বৈশাখ পালন করে। তাছাড়া দেখো ইংরেজরা তাদের বছরের প্রথম দিন ধুমধাম করে পালন করে। আরবেরা তাদের ক্যালেন্ডারের প্রথম দিন হিজরি নতুন বছর পালন করে। জাতি হিসেবে আমাদেরও অস্তিত্ব জানান দেয়া উচিত। আমরা বাঙালি । আবার বাংলাদেশী। আমাদের বাংলা বছরের প্রথম দিন ঘিরে আমরা পুরো বছরের হিসাব নিকাশ সব ঠিকঠাক করে নিয়।
তাহলে তুমি এবার বলো পহেলা বৈশাখ আসলে কেন পালন করা হয়?

মা, বেচা-কেনার জন্য?
ঠিক তাই। ধরো বৈশাখ উপলক্ষে মেলা হলো, মেলায় কী কী হয় জানো?

গতবছর মেলায় গেলাম যে – কত কী উঠলো! বাবা মিষ্টি, সন্দেশ, পিঁড়ি, আলনা কিনলো, তাই না?
এই তো মনে আছে আমার মায়ের।
মেলাকে ঘিরে সব পেশার মানুষ নানান জিনিস বানায় , মেলায় বিক্রি করে। তাতে কী উপকার হয় বলো তো?
মা টাকা হয়।

এই তো হলো। মেলায় কত খেলনা বিক্রি হয়, প্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি হয়, সবাই মনের সুখে মেলায় যায়।
আনন্দই মূল। হ্যাঁ মা, সবাই নতুন জামা পরে।
আমাদের সময় আম্মা আমাদের জামা ধুয়ে পরিষ্কার করে দিতেন। মেলা থেকে আলতা কিনে হাত রাঙাতাম।
মা তাহলে আমার জামা ধুয়ে দিলেই তো হয়ে গেলো,তাই না?

ঠিক বলেছো। তোমার বাবা একা উপার্জন করে. আমি তোমার দাদু-দাদা তিনজনের ঔষধ-পথ্য , তোমার স্কুলের খরচ, খাওয়া দাওয়া একাই একজন মানুষ করছে। আমি কিছুই করতে পারছি না। তুমি জানো কেন তোমার বাবা ঘরে ফিরতে দেরি হচ্ছে?

নায়রা শ্রাগ করে? মাথা এদিক ওদিক নাড়ে । জানে না।
নায়রাকে বুকে জড়িয়ে পারু আবেগতাড়িত হয়ে বলে , তোমার বাবা অতিরিক্ত টাকা আয়ের জন্য এখন নিজের কাজ সেরেও বাড়তি কাজ করে। এভাবে চললে তোমার বাবা অসুস্থ হয়ে যাবে।

মা তাহলে তখন কেউ ইলিশ খেতো না?
ঠিক তাই । কারণ প্রচুর ইলিশ পাওয়া যেতো। সস্তা। কে খায়? তার উপর কাঁটা! আমরা খেতামই না। তখন দাম ছিলো পাঙ্গাসের। আমার আব্বা সেটাই কিনতেন। কারণ আব্বা ছিলেন ব্যবসায়ী। বাজারে দোকান ছিলো। সকালে দোকান খুলে শুরু হতো হালখাতা। কত যে আব্বার সাথে দোকানে গিয়েছি। সব ক্রেতারা আসতো । যারা দোকান থেকে বাকী খেতো তারা ঋণ পরিশোধ করতে আসতো। বছরের প্রথম দিন, যে যেমন পারতো টাকা শোধ করতো ।
আচ্ছা তাহলে ব্যাপার হলো এই- বাবাকে তাহলে আর কষ্ট করতে দেবো না। আমার নতুন জামা প্রয়োজন নেই, ইলিশও প্রয়োজন নেই। আমার বাবা সুস্থ থাকুক।

নায়রার চোখে জল, মা সত্যি ভুল হয়ে গেছে! পারু নিজেই অঝোর ধারায় কাঁদছেন। এতো লেখাপড়া করেও কোন চাকুরিতে যায়নি। ভেবেছে হাসান তো আছেই। কখনো ভাবেনি তার অবস্থা এতো খারাপ হবে! নিজের ব্যর্থতা , একমাত্র সন্তানের যত্ন করতে না পারা , তার ছোট ছোট ইচ্ছা পূরণ করতে না পারার যন্ত্রণায় পারু আরো ভেঙে পড়লো।
সেদিন রাতে ,পহেলা বৈশাখের আগের রাতে হাসান যখন বাড়ি ফিরছেন, তার বগলে একটা সস্তা লাল-সাদা ফ্রক আর হাতে ছোট একটা ইলিশ মাছ। তার শরীর জ্বরে পুড়ছে, পা চলছে না, কিন্তু মনে এক অদ্ভুত শান্তি—কাল তাদের নায়রা হাসবে।

নায়রাকে ডাকলো হাসান, নায়রা মা এসো, দেখো কী এনেছি?

নায়রা দৌড়ে এসে তার বাবার হাত থেকে জামাটি নিলো, খুশিতে তার চোখে জল এসে গেলো। পারু রান্না ঘর থেকে বেরিয়ে ইলিশ মাছটি হাতে নিলো। তা চোখ মুখে বিষাদের ছায়া। হাসান থরথর কাঁপছে। হাসান সেখানেই রুটিয়ে পড়লো। পারু নায়রাকে ইলিশমাছ ভেজে দিও । আমি আর পারছি না। পারু এবং নায়রা দ্রুতই তাকে ঘরে নিয়ে গেলো, মাথায় জলপট্টি দিয়ে কিছাটা শান্ত হলে হাসপাতালে নিয়ে গেলো। সরকারি হাসপাতালে যতটুকু চিকিৎসা পেলো তা নিয়েই তারা হাসানকে বাড়িতে নিয়ে এলো।

ভোরবেলা চারদিকে বাঁশির সুর আর উৎসবের আমেজ। কিন্তু সেই ছোট্ট কুটিরে আজ কোন আনন্দ নেই। ঘরে আজ কোনো উৎসব নেই। ঘরের এক কোণে পড়ে আছে নতুন সেই লাল-সাদা জামাটি, যা এখনো ভাঁজ খোলা হয়নি।

তাদের নিত্য দিনের খাবার পান্তাভাত সকলের আজ উৎসবের অংশ হলো তাদের ঘরে আনন্দ নেই। পাশে মাটির সানকিতে পান্তা ভাত সাজানো, কিন্তু তার সাথে খাওয়ার সেই ইলিশ মাছটা আর ভাজা হয়নি।

তার বাবা জেগে নেই। প্রচণ্ড পরিশ্রম আর অবহেলা করা নিউমোনিয়ায় মাঝরাতেই তিনি জ্ঞান হারিয়েছেন।
নায়রা বাবার পাশে বসে আছে। ছোট মনে কত ভাবনা-আমরা কেন গরীব? বাবাতো সারাদিন কাজ করে। যাদের কাজ করে তারা কেন ধনী? বাবার পরিশ্রমে তারা ধনী , বাবা কেন ধনী হতে পারে না? সামান্য খাবার জোগাড় করতেই বাবাকে কেন এতো কাজ করতে হয়? নায়রা পণ করে যে করেই হোক তাকে পড়াশোনা করতেই হবে ভালো করে পড়াশোনা করবে। যাতে বাবার মতো অন্যের দোকানে কাজ করতে না হয় সে চেষ্টা করবে।

নায়রা হঠাৎ তার মাকে বলে মা তুমি আমাকে রঙিন সূঁতোর কাজ শেখাবে?

পারুর চোখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। সে উচ্চ শব্দে নিজেকে শোনায় যে নিজেকে সাহায্য করে না আল্লাহও তাকে সাহায্য করে না। এই ব্ল্যাকহোল থেকে তাকে বের হতেই হবে!
হাসান চোখ খোলো, দেখো নায়রা একাই পড়তে বসেছে। সে আর কখনো বায়না ধরবে না তোমার কাছে। সে বুঝেছে নতুন জামার চেয়ে বাবার সাথে সময় কাটানো তার জন্য সবচেয়ে আনন্দের। হাসান জ্বরের ঘোরে বলে, নায়রা মা, নতুন জামাটি পরে বাবার কাছে এসো।

নায়রা কাঁদতে কাঁদতে এসে বলে বাবা, আমার শখ মেটাতে গিয়ে তুমি এতোটাই কঠোর পরিশ্রম করেছো যে অসুস্থ হয়ে পড়েছো –আমি যদি জানতাম কখনোই বলতাম না। তুমি উঠে বসো বাবা,আমি তোমার জন্য খাবার নিয়ে আসছি।
নায়রা থালায় করে পিয়াজ-মরিচ আর পান্তাভাত নিয়ে আসে। এসো বাবা, একসাথে খাই। দাদু-দাদকেও নিয়ে আসছি। মা তুমিও বসো। জ্বরের মাঝেও হাসানের চোখে আনন্দাশ্রু ঝরে পড়ে। মা ইলিশমাছ খেতে কিন্তু ভুল করবে না।

বাবা, কেন তুমি এতো কষ্ট করলে? আমরা এই বেশ আছি। হাসান হাসে। তার হাসিতে রাজ্য বিজয়ের আনন্দ।

পারু বলে, পহেলা বৈশাখের প্রকৃত আনন্দ নতুন পোশাকে বা দামি ইলিশে নয় বরং প্রিয়জনদের সাথে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার মাঝে। হাসান আর কখনো এতো পরিশ্রম করবে না। এখন থেকে আমিও কিছু একটা করবো যাতে তোমার সহযাত্রী হতে পারি।

নায়রা দাদু-দাদার হাত ধরে খাবারের ঘরে নিয়ে এলো । আনন্দ-বিষাদের এক করুণ হাসি সবার মনে। আজ পহেলা বৈশাখ!

শাহানা সিরাজী
ইন্সট্রাক্টর (সাধারণ)
পিটিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কবি,প্রাবন্ধিক ও কথা সাহিত্যিক।

আরও পড়ুন।

পল্টি – শাহানা সিরাজী

আরও সংবাদ পড়ুন।

চুপ চুপ – শাহানা সিরাজী

আরও সংবাদ পড়ুন।

‘পরদেশী মেঘ’ এর রোমান্টিক কবি – আমিনুল ইসলাম

আরও পড়ুন।

শাহানা সিরাজী : কবি এবং তাঁর কবিতা – আমিনুল ইসলাম

আরও পড়ুন।

রুনুর মায়ের বকবকানি – শাহানা সিরাজী

আরও পড়ুন।

যখন আমায় ডাকলে তুমি – শাহানা সিরাজী

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রান্তিক সকাল – শাহানা সিরাজী

আরও পড়ুন।

ভিক্ষুক – শাহানা সিরাজী

আরও পড়ুন।

এক পলক – শাহানা সিরাজী

আরও পড়ুন।

এক পলক – শাহানা সিরাজী

আরও পড়ুন।

শেকড় – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

পৃথিবী জেগে থাকো – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

অশিক্ষা -কুশিক্ষা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুন – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

ভিক্ষুক – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

ও আমার দেশ: তারা কোথায়? – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

শূয়র – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

অচল ঢাকা – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

অশিক্ষা -কুশিক্ষা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুন – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

ভিক্ষুক – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

বাংলাদেশ – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

রমজান একটা গাঁজাখোর – শাহানা সিরাজী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top