‘পরদেশী মেঘ’ এর রোমান্টিক কবি – আমিনুল ইসলাম

Picsart_26-03-30_12-24-07-466.jpg

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"border":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

admin

প্রেম সভ্যতার এক শাশ্বত উপাদান। প্রথম মানব-মানবীর যে গল্প আমরা শুনি সেখানে প্রেমেরই জয়গান। স্রষ্টা মহান প্রেমিক, তাই ভালোবেসে আদম-হাওয়া সৃষ্টি করেছেন। স্রষ্টার প্রতিটি সৃষ্টিই অপূর্ব! প্রতিটি প্রাণের ভেতরই আছে যৌথসত্তার উপস্থিতি! শুক্রাণু ডিম্বানুর যৌথ প্রয়াসে নতুন প্রাণ। যৌথ প্রয়াসের সেতু প্রেম,ভালোবাসা।

তবে ভালোবাসা বা প্রেম ছাড়াও তৃতীয় প্রাণ আসতে পারে। প্রাণীকূল একে অপরের অনুমতি ছাড়াও যদি মিলিত হয় শুক্রাণু -ডিম্বানু যথারীতি যাইগোট বাঁধে, ভাঙে, গড়ে অবয়ব গঠিত হয়।

প্রেম তাহলে আসলেই দরকার? আমার কাছে দরকার। প্রেমহীন জীবনে লাবণ্য থাকে না। প্রেমহীন জীবন ঘ্রাণ ছড়ায় না। প্রেমিক-প্রেমিকাই জীবনের জয়গান গায়। প্রেম হলেও আবার সংসার হয় না। তাই বলে প্রেমকে বিসর্জন দিতে হবে এমন কোন কথা নেই।

সাংসারিক জীবনের জটিল সমীকরণে থাকে অধিকারের তত্ত। প্রেমিক জীবনে থাকে মুক্ত আকাশে ডিগবাজি খাওয়ার রেশ!

প্রেমিক জীবনের সুঘ্রাণ জীবন থেকে জীবনে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে পরস্পরকে পাওয়া হলে তা হয়তো সোনায়-সোহাগা হয়। না পেলেও প্রকৃত প্রেমিক -প্রেমিকা পরস্পরের জন্য শুভ কামনা করে।

এমনই এক প্রেমিকের মনচিত্র এঁকেছেন ‘পরদেশী মেঘ’ এর কবি আমিনুল ইসলাম।

‘তোমাকে না পাওয়ার চেয়ে তোমার পাড়বাঁধা জীবন আমাকে পীড়া দেয় বেশি ‘
(নদীমাতৃক ভালোবাসা)

কী মারাত্মক অনুভব! আমরা চারদিকে দেখি প্রেমিকাকে বা প্রেমিককে না পেলে এসিড ছুঁড়ে, তুলে নিয়ে যায়, নানাবিধ যন্ত্রণাদায়ক কান্ড ঘটায়। একে তো প্রেম বলা যায় না, ভালোবাসা বলা যায় না। এ হলো সম্পত্তি অধিকার করা!
কিন্তু কবি আমিনুল ইসলাম এঁকেছেন সত্যিকার প্রেমের এক নিবিড় চিত্র।

যেখানে না পেয়ে যে যন্ত্রণা অনুভব করে তার চেয়েও বেশী যন্ত্রণা অনুভব করে প্রেমিকার/ প্রেমিকের ছকে বাঁধা আটপৌরে জীবন, যেখানে তার বাক স্বাধীনতা নেই, চিন্তার স্বাধীনতা নেই। পরাধীনতার জিঞ্জিরে আঁটকা প্রেমিকাকে ডালিম কুমারের মতো উদ্ধার করতে না পেরে দূর থেকে ধুঁকে ধুঁকে চলা দেখে কবিমন আরো বেশী আলুথালু হয়। প্রকৃত প্রেমিক একেই বলে।

কবি আমিনুল ইসলাম যাঁর সাথে আমার দেখা হয়েছে ২০০৯ সালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। তিনি তখন আমাদের মন্ত্রণালয়ের ডিএস এডমিন ছিলেন। এখনো সেই ভাবেই উনার নাম্বার আমার কাছে সেভ করা। সেই থেকে আজ অবধি আমাদের সম্পর্ক একই জায়গায় স্থিতাবস্থায় আছে। সেই সময় কাজের জন্য তাঁর বাসায় ছিলো আমার নিত্য যাতায়াত। সে সুবাদে লীনাভাবীর সাথেও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক সময় কবি চলে যান সাইডে আমি আর ভাবী পাশাপাশি। সন্তানেরা আরো কাছে।

ষাটের দশকের অনেক কবিরই বউ চলে গেছে(!)
অনেক কবিকে দেখেছি স্ত্রী হাত থেকে ফোন নিয়ে রাস্তায় ছুঁড়ে মারতে!

অনেক কবিই মনের দূঃখে নীরবতাকেই বেছে নিতে, এখনো অনেককেই দেখি সাংসারিক বিষণ্ণতায় ডুবে যেতে কিন্তু লীনাভাবীকে দেখেছি চব্বিশ ঘন্টা চুলায় চা/ কফি/ খাবারের পাতিল তুলে রাখতে। কবির ড্রয়িং রুমেই আমার সাথে পরিচয় হয়েছে অনেক কবি সাহিত্যিকের।

আমি একমাত্র কবি আমিনুল ইসলাম আমার প্রিয় স্যার,আমি স্যার বলতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি,যিনি আমার হাজারো সমস্যা সহজেই সমাধান করেছেন, অনায়াসে তাঁর বাসাতেই যাই। এই ঢাকা শহরে অন্য কোন কবির বাসায় একবেলা আড্ডা দিয়েছি মনে পড়ে না।

বরিশালে দুই কবির বাসায় খেয়েছি মেহমান হিসেবে। সে একবার। ভোলা আর এক কবির বাসায় একবেলা খেয়েছি এ ছাড়া আর কোথাও কখনো কারো বাসায় যায়নি। হয়তো আমার সময় হয়নি নয়তো বা আমি সবার কাছে পৌঁছতে পারিনি। কিন্তু লীনাভাবীর বাসায় আমার অবাধ বিচরণ। আমি লিমিট যেমন ক্রস করার কথাও ভাবিনি তেমনি এ পরিবারের প্রতিটি সদস্যই যেন অতি আপনার, প্রাণের কাছের।

লীনাভাবী বর্তমান কর্মজীবী নারীদের প্রতিচ্ছবি। নিজের সন্তান, স্বামী আর সংসারের অতন্দ্র প্রহরী। সন্তানদের লেখাপড়া নিজে মনিটরিং করেছেন। ছেলে-মেয়ে দুজনই ইঞ্জিনিয়ার । মেয়েটি ইতোমধ্যে বিসিএস দিয়ে প্রশাসনে যোগদান করেছেন, ছেলেটিও ভালো করছে।

কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হতে সংসার গুছিয়ে রাখা খুব কম কবির জীবনে জোটে। এ ক্ষেত্রে লীনাভাবী অনন্যা।
কবির কবিতার পথে যাত্রা,পথ দীর্ঘায়িত করা, চাকুরিতে নিজেকে পরিপাটি রাখা সব কিছুর পেছনে যার প্রেমময় সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য কখনো বটের ছায়ার মতো,কখনো ছাতার ছায়ার মতো চৌকাঠ ধরে দাঁড়িয়ে আছেন সে লীনাভাবী!

সেদিন হঠাৎ করেই কবির বাসায় গেলাম। এখন আমরা এতো কাছাকাছি বাস করি চাইলে প্রতি বিকেলেই আড্ডা দিতে পারি। তথাপিও এবার প্রায় দু বছর পরে গিয়েছি। কিন্তু
মনেই হয়নি অনেক দিন পরে দেখা। সেই ভাবী-স্যার-সজন
সেই চেনা মুখ,চেনা আড্ডা। কবিতা-গল্প-আড্ডায় পাঁচ ঘন্টারও বেশি সময় পার হলো। খাওয়া দাওয়া হলো দুই বার। ভাবী এতো চমৎকার রান্না করলেন কিন্তু আমি তো ডায়াবেটিসে আক্রান্ত,ভয়ে ভয়ে একটু খাই একটু আল্লাহ আল্লাহ করি।

বর্তমানে যারা লেখা-লেখির সাথে যুক্ত তাদের মাঝে অন্যতম এই জুটি। ভাবী কবির জন্য আলাদা স্টাডিরুম বানিয়ে দিয়েছেন। এই উদ্যোগ অনেক উদারতা এবং বিশাল হৃদয়ের অধিকারী না হলে সম্ভব নয়। কবি যা লিখেন তার প্রথম শ্রোতা এবং পাঠক ভাবী। আমি যদি ভুলে না যাই তা হলে কবির প্রথম বই ভাবীর ব্যবস্থাপনায়ই প্রকাশিত হয়েছিলো।
সেই থেকে আজ অবধি কবির ছায়াসঙ্গী লীনাভাবী।

স্যালুট ভাবী,অনেক মান-অভিমান, রাগ-অনুরাগের ভেতর আপনি যে ভাবে কবির কবিসত্তাকে সম্মান দিয়ে বিশ্বালোকে তুলে ধরেছেন তা দুনিয়ার কাব্য -কবির ইতিহাসে বিরল! কবিও তেমনি সবার সাথে একটা টুইস্ট সম্পর্ক রেখেও হিমালয় লীনাভাবীর কাছে, সংসারে, মননে।তিনি চেতনায় একজন বিশ্বনাগরিক এবং বিশ্বপ্রেমিক। তিনি চাকরিতে বদলিসূত্রে প্রায় সমগ্র বাংলাদেশ দেখেছেন। একইসঙ্গে দেখেছেন পৃথিবী আরও অনেকগুলো দেশ। তার কবিতায় এই বিশ্বমানসিকতার ছাপ পড়েছে। প্রেমের কবিতাতেও। তবে সেসব পরিধির মতো। তার ভালোবাসার কেন্দ্রে থেকেছে বাংলাদেশ এবং লীনা ভাবী। তার অনেক কবিতাতেই এমনটা দেখে এসেছি আমি বছরের পর বছর। তার ” নেফারতিতির সঙ্গে ” কবিতাটি যারা পড়েছেন তারা বিষয়টি গভীরভাবেই উপলব্ধি করতে পেরেছেন বলে আমার বিশ্বাস। কবিতাটির শেষের অংশ এমন —

“ ব্যর্থতায় শ্রান্ত মন নিয়ে দেশে ফিরে এসে আজ ক্যানন ডিএসএলআর
এর মজুদ খুলতেই বিস্ফারিত চোখ, বিস্মিত মন: আহা, আমার প্রতিটি
যুগলছবির সাথে তুমি, এমনকি স্যামসাং জে ফাইভে তোলা আমার
সেলফিতে গলা জড়িয়ে তুমি; তোমার পুরুষ্ট রক্তিম অধরে আমার
আড়াই যুগের ধারাবাহিক চুম্বনের এমবোস সিল! আজ সেই তুমি কি
আমাকে নতুন ভাবনার কবিতা লেখাও যে একদিন আখেনাতেনের
শাসনকালকে ভরে দিয়েছিলে শিল্প-ভাস্কর্য-বিশ্বাসের নবজাগরণে?

লুডবিগ বোর্কাতের মনে বিস্ময় জাগানো দুটি মোহনীয় চোখ
আমার চোখের সাথে চেয়ে আছে বিকেলের রোদে সোনা হয়ে ওঠা
পিরামিডের চূড়ায়। আচ্ছা, তোমাকে কি দেখেছিলেন আমাদের
সঙ্গে থাকা দুই নারী শোভা আর জোহরা? তাহলে কি জোহরার রহস্যময়ী চাহনি সহজাত অভ্যাসের পুনরাবৃত্তি ছিল না কো মোটেও? “

কবি আমিনুল ইসলাম লীনাভাবীকে সঙ্গে নিয়ে মিশর সফর করে সেখানে দেখেছেন প্রাচীনযুগের বিশ্বসুন্দরী ফারাও সম্রাজ্ঞী নেফারতিতিকে। তিনি লীনাভাবীর মাঝেও তাকে দেখেছেন। লীনাভাবীর সঙ্গে তোলার সেল্ফিতে এমবোস ছবির মতো ফুটে উঠেছে নেফারতিতির মুখ। আমিনুল ইসলামের আরেকটি কবিতা “ সুয়েজ খালের ওপর তোমার মুখোমুখি’ । এটি তাঁর সম্প্রতি প্রকাশিত “ কাশবনে কুড়িয়ে পাওয়া কবিতা “ গ্রন্থে আছে। এখানেও তিনি বিশ্বপ্রকৃতির মাঝে তাঁর প্রিয়তমা জীবনসঙ্গিনী লীনাভাবীকে দেখতে পেয়েছেন। নিজের জীবনসঙ্গিনীকে গভীরভাবে ভালোবাসার কারণে তিনি পৃথিবীর অন্যান্য নারীদের সম্মান ও ভালোবাসার চোখে দেখতে শিখেছেন। এটি তিনি অর্জন করেছেন মনের মতো একজন জীবনসঙ্গিনী পাওয়ার এবং তাঁর গুরুত্ব ও মর্যাদা সম্যকভাবে উপলব্ধি করতে পারার কারণে। এখানে দুজনের ভূমিকাই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি লীনাভাবীকে নিয়ে বহু আগেই “আমার আকাশ” নামে একটি কবিতা লিখেছিলেন । কবিতাটি তাঁর “ ভালোবাসার ভূগোলে “ নামক বইয়ে আছে। বইটি তখন থেকেই আমার সংগ্রহে আছে।

জীবনসঙ্গিনী আকাশের মতো উদার ও আকর্ষণীয় হলে কবির পক্ষে ইচ্ছেমতো ডানা মেলা সম্ভব হয় কিন্তু তিনি কখনোই আকাশের আওতায় বাইরে যেতে পারেন না। কারণ আকাশ তো অসীম। দাম্পত্যজীবন কত আকর্ষণীয় হতে পারে, এই কবিতাটির শব্দে, উপমায়, চিত্রকল্পে এবং কল্পনায় তার চিত্র আঁকা হয়েছে। যাপিত জীবনে সৃষ্ট হৃদয়ের গভীর ভালোবাসা ছাড়া শুধু কল্পনা দিয়ে এমন কবিতা লেখা সম্ভব নয়।

তিনি গতপরশুই ফেসবুকে ‘ শিপা, আমি তোমার বয়ফ্রেন্ড হতে পারিনি’ শিরোনামে একটি দীর্ঘ কবিতা পোস্ট করেছেন। কবিতাটিতে একজন কবির, একজন মানুষের নৈতিক ও আদর্শিক অবস্থান ফুটে উঠেছে তেমনি সেখানে কবির জীবনসঙ্গিনীর কথা গৌরবময়তার ঘ্রাণে সমৃদ্ধ হয়ে উঠে এসেছে। তিনি লিখেছেন:

“ শুনতে চাও লীনাকে এতবেশি ভালোবাসি কেন?
কারণ তার চোখের আগুনে পুড়ে যায়
লম্পটের লোভ-
সিঁধেল চোরের অন্ধকার,
কারণ তার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে ভয় পায়
খুনি লুটেরার প্রভুভক্ত চেলা,
কারণ আমার গোপন ভ্রান্তির কৃষ্ণপক্ষে তার সেই চোখই
হয়ে ওঠে তিন ব্যাটারির টর্চলাইট;
আর তার দুলাব গ্রাম অধরের আঙুর চুম্বন
ইফতারির পেয়ালা হয়ে
ভরিয়ে দেয় আমার অভিমানের উপবাসী প্রাণ।”

আমি কবি আমিনুল ইসলাম এবং লীনাভাবীর দাম্পত্য জীবন ও সংসারজীবনের কথা খুঁটিনাটিসহই জানি। কারণ তাঁরা দুজনই আমার সঙ্গে মন খুলে কথা বলে এসেছেন বছরের পর বছর। লীনাভাবী এমনিও দেখতে অনুপম সুন্দরী যাকে দেখে চোখ জুড়ায়। কিন্তু তাঁর ব্যক্তিত্বের সৌন্দর্যের মধ্যে একধরনের সুধা আছে যা প্রাণ জুড়িয়ে দিতে পারে। কবি আমিনুল ইসলাম অনেক ভাগ্যবান এমন একজন জীবনসঙ্গিনী পেয়েছেন । তবে তিনিও তাঁর যথাযথ মর্যাদা দিয়ে এসেছেন। কবি আমিনুল ইসলামের এমন শক্তিমান ও সফল কবি হওয়ার পেছনে তাঁর জীবনসঙ্গিনীর অবদান তিনি কখনো বিস্মৃত হন না বরং বহু কবিতায় সেটা তুলে ধরেন। যারা ফেসবুক দেখেন তারা জানেন, আমিনুল ইসলাম সংগীতপাগল মানুষ। আর নজরুল সংগীত তাঁর ভালোবাসার কেন্দ্র। জানতে ইচ্ছে করছে তিনি কখনো লীনাভাবীকে বিদ্রোহী কবির এই গানটি শুনিয়েছেন কি না-

“ তুমি আমার ভালোবাসো তাই তো আমি কবি
আমার এ রূপ সে যে তোমার ভালোবাসার ছবি।।”

কারো আকাশ হতে পারা,কারো নির্ভরতা হতে পারা দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থেকেই হয়। সেই শ্রদ্ধাবোধ ও দায়িত্বশীল আচরণ তাঁদের দুজনের মাঝে বহুবার বহুভাবেই আমি দেখেছি। জনমে জনমে জীবনে-মরণে আপনারা পরস্পরের ছায়াসঙ্গী হোন। এই প্রত্যাশায়
আপনাদের সবার জন্য শুভ কামনা রইল।

শাহানা সিরাজী
শিক্ষক, কবি, প্রাবন্ধিক ও কথা সাহিত্যিক।

আরও পড়ুন।

শাহানা সিরাজী : কবি এবং তাঁর কবিতা – আমিনুল ইসলাম

আরও পড়ুন।

রুনুর মায়ের বকবকানি – শাহানা সিরাজী

আরও পড়ুন।

যখন আমায় ডাকলে তুমি – শাহানা সিরাজী

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রান্তিক সকাল – শাহানা সিরাজী

আরও পড়ুন।

ভিক্ষুক – শাহানা সিরাজী

আরও পড়ুন।

এক পলক – শাহানা সিরাজী

আরও পড়ুন।

এক পলক – শাহানা সিরাজী

আরও পড়ুন।

শেকড় – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

পৃথিবী জেগে থাকো – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

অশিক্ষা -কুশিক্ষা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুন – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

ভিক্ষুক – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

ও আমার দেশ: তারা কোথায়? – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

শূয়র – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

অচল ঢাকা – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

অশিক্ষা -কুশিক্ষা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুন – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

ভিক্ষুক – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

বাংলাদেশ – শাহানা সিরাজী

আরও লেখা পড়ুন।

রমজান একটা গাঁজাখোর – শাহানা সিরাজী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top