এই মাছ বিক্রীর ছবিটি গতকাল শুক্রবার বিকেলে বোরহানউদ্দিন মাছ বাজার থেকে নেওয়া। মাছ বাজরের এমন দৃশ্য মৎস্য কর্মকর্তার চোখে পড়ে না। ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে অবাধে চলছে অবৈধ মৎস্য আহরণ;ঘুস নেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা – অভিযোগ সাধারণ জেলেদের।
সাগর চৌধুরীঃ সরকারের নিষিদ্ধ ঘোষিত সময়ে
বোরহানউদ্দিন উপজেলায় অবৈধভাবে মাছ আহরণ, ক্রয় – বিক্রয়, মজুদ এবং পরিবহন করা হচ্ছে। যা সরকারি আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ এবং জেল ও জরিমানার উভয় বিধান রাখা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতে অবৈধ ভাবে মাছ ধরলেও উপজেলা মৎস্য অফিস, জেলা মৎস্য অফিস এই বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেন না। বরং তারা ম্যানেজ হয়েই সাধারণ জনগনের চোখে কাঠের চশমা পড়ান।
ভিডিও দেখুন। কিভাবে মাছ বিক্রী হচ্ছে বাজারে।
অভিযোগে সাধারণ জেলেরা জানান, প্রতিটি মাছঘাট থেকেই অর্থ নেয় বোরহানউদ্দিন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার অফিস। কিছু ভাগ জমা পরে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার পকেটেও।
সরকার মাছের অভয় আশ্রম হিসাবে ঘোষণা করেছেন ভোলা জেলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর একশো কিলোমিটার। সেই অনুযায়ী সরকারের বরাদ্দও দিয়েছে কিন্তু বরাদ্দ আত্মসাৎ করে অভিযান পরিচালনা না করেই অর্থ লোপাট করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তার সহযোগিতায়।
জেলেরা অভিযোগ করেন, আমরা স্যারে গো মতন শিক্ষিত না, তাই কিভাবে লিখে জানাতে হয় জানি না। কিন্তু বহুবার অফিসে গিয়েও স্যার রে পাই নাই৷ অফিসার আমাদের কথা শোনেন না।
সাধারণ জেলেদের অভিযোগ, বিভিন্ন বিষয়ে তাদের অভাব অভিযোগ থাকলেও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার হদিস পাওয়া যায় না।
অভিযোগ আছে, দিনে ও রাতে বোরহানউদ্দিন উপজেলা মৎস্য অফিসের সাথে যোগসাজশের মাধ্যমেই প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ বিক্রি করছে মাছের ঘাট ও মাছ বাজারগুলোতে। কিন্তু প্রশাসন কোন পদক্ষেপ গ্রহন করে নি। লোকদেখানো দু’একটি অভিযান পরিচালনা করলেও তা এতটাই কম যে উল্লেখযোগ্য কোন পদক্ষেপ নেই।
সরকারের নিষিদ্ধ ঘোষিত সময়ে অবৈধভাবে মাছগুলো আহরণ করছে। যদিও সরকার এই সময়ে মেঘনা এবং তেতুলিয়া নদীতে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। কিন্তু মাছ আহরন চলছেই।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে জেলেদের চাল বিতরণ করা হলেও কতিপয় জাতির শক্রু, দেশের শত্রু, মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী জেলেদের সাথে আঁতাত করে অনৈতিক যোগসাজশে বোরহানউদ্দিন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মনোজ কুমার সাহা অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে মাছ আহরণ করছে – অভিযোগ করেন সাধারণ জেলেরা।
এই বিষয়ে ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তার সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি যোগাযোগ রক্ষা করেন নি। এই গণমাধ্যম কর্মী একাধিক বার জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে তার বক্তব্য জানতে চাইলেও। তাকে অফিসে পাওয়া যায় নি।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি প্রায়ই তার অফিসে উপস্থিত থাকেন না। গোপন সূত্রে জানা যায়, ভোলায় তার কর্মস্থল হলেও তিনি ঢাকায় থাকেন। উপায় অন্ত না থাকলে সিনিয়র অফিসারদের দেখানোর জন্য মাঝে মধ্যে ভোলায় অফিস করেন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রকৃতিক ও সামুদ্রিক সম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহার করলে দেশ আর গরীব থাকবে না : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর নয়, ইলিশের বাড়ি ভোলায় : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বোরহানউদ্দিনে মৎস্য অভিযানে জাল পুড়িয়ে ধ্বংস; দু’লক্ষ দুই হাজার টাকা নৌকা বিক্রি
আরও সংবাদ পড়ুন।
বোরহানউদ্দিনের তেতুলিয়া নদীতে ৩টি বেহুন্দি ও ৫০০০ মিটার চরঘেরা জাল জব্দ
আরও সংবাদ পড়ুন।
বোরহানউদ্দিনে অবৈধ বেহিন্দি জালে ভরে গেছে তেতুলিয়া নদী; নিরব মৎস্য বিভাগ
আরও সংবাদ পড়ুন।
ভোলায় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে নির্বিচারে নিধন হচ্ছে অবৈধ গলদা, বাগদা রেনু
আরও সংবাদ পড়ুন।
ভোলায় দেশীয় পাঙ্গাসের পোনা রক্ষায় সংস্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সাথে মতবিনিময়
আরও সংবাদ পড়ুন।