মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
বিএনপি পাগল আনোয়ার রিকশা হারিয়ে পথে পথে ঘুরছে। আমি তাকে একটা রিক্সা কিনে দিতে চাইলাম। লোক লাগালাম তাকে খুঁজে বের করার জন্য। একজন ইউটিউব সংবাদকর্মী তার সন্ধান দিল। জানালো আনোয়ার রিক্সা নেবে না। সে পুরাতন রিক্সাটাই ফিরে পেতে চায়। আমি আনোয়ারের সাথে ফোনে কথা বললাম। সে জানালো এ পর্যন্ত তাকে ১০০জন লোক রিক্সা কিনে দিতে চেয়েছে। সে নিতে রাজি হয়নি। বললাম সে যদি নতুন রিক্সা নিতে চায় তবে যেন আমার কেনা রিক্সাটাই নেয়। অতঃপর তাকে যৎসামান্য সহযোগিতা করলাম। সে বেশ খুশি হল।
আমি নিজেও বিএনপি পাগল মানুষ। নিবেদিতপ্রাণ বিএনপির একজন ভক্তকে বিপদে পাশে দাঁড়াতে পেরেছি, এতে আমি বেশ আনন্দ অনুভব করছি। কিন্তু আমার কথা সেখানে নয়। আমি অতিশয় ক্ষুদ্র মানুষ। সংসারে কত অসহায় অক্ষম মানুষ থাকে আমি তাদের জন্য কিইবা করতে পারি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
বিএনপির করতে গিয়ে গত ১৭-১৮ বছরে কত মানুষ পরিচয়হীন ঠিকানাহীন হয়েছে সেই চরম দুঃসময়েও খোঁজ খবর নিয়ে বিএনপির কান্ডারী জনাব তারেক রহমান অতি গোপনীয়তার সাথে ক্ষতিগ্রস্ত নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নিয়েছেন, সহযোগিতা দিয়েছেন, সেটা অনেকের জানা থাকার কথা। এখন তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এখন আর গোপনীয়তার প্রয়োজন নেই। তিনি প্রকাশ্য দিবালোকেই অনেক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন, সেই সুযোগ এখন তার পুরোপুরি নাগালে। আগে সহযোগিতা করতেন সীমিত পরিসরে। এখন সেই পরিসর অনেক বৃদ্ধি করার সুযোগ এসেছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
যারা সর্বহারা এবং সর্বস্বান্ত হয়েছেন, প্রাণ হারিয়েছেন অথবা পঙ্গুত্ববরণ করছেন তাদের ডেকে বীরের মর্যাদা দিবেন, তাদের ত্যাগের মূল্যায়ন করবেন, বীরত্বের জন্য ভাতা দিবেন এবং বিশেষভাবে পুরস্কৃত করবেন, দেশের মানুষ সেটাই মনে-প্রাণে চায়।
দুঃখের সঙ্গে একটা বিষয় উল্লেখ না করলেই নয়। জুলাই যোদ্ধাদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে অন্তবর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেছিল। তারা দীর্ঘ ১৮ মাস ক্ষমতায় ছিল। সময়টা একেবারে কম নয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য সাধারণ মানুষের ভাগ্য ফেরানো দূরে থাক, জুলাই যোদ্ধাদের জন্যও তারা উল্লেখ করার মতো কিছুই করেনি। নিহত আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত যোদ্ধাদের মূল্যায়ন করবেন, অসুস্থদের প্রোপার ট্রিটমেন্ট করবেন, সে কাজগুলিও তারা ঠিকভাবে করেননি।
কয়দিন পর পর আহত জুলাই যোদ্ধাদের দেখা গেছে চিকিৎসার দাবিতে আন্দোলনে রাস্তায় নামতে। এমনকি হাসপাতালে তাদের মর্যাদার সাথে ট্রিটমেন্ট করা হচ্ছে না, ভালো আচরণ করা হচ্ছে না, এরকম বক্তব্য প্রায়ই পত্রপত্রিকায় এসেছে। অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান অধ্যাপক ড. ইউনুস সাহেব এমন একজন অথর্ব মহিলাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন যিনি শুধু অযোগ্যতার পরিচয়ই দেননি, তার কি কাজ, কি কাজ তার করা প্রয়োজন সেটাও বোধহয় জানতেন না। বিষয়টা ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
ইউনুস সরকার ছিল জুলাইযোদ্ধাদের রক্তের মাধ্যমে অর্জিত প্রথম সরকার। বলা চলে জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিনিধিত্বকারী সরকার। তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশাও ছিল অনেক বেশি। সেটা পূরণ না হোক। যারা সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়েছে পঙ্গুত্ব বরণ করছে তাদের মিনিমাম দাবি পূরণ করার খুব প্রয়োজন ছিল। অথচ অন্তবর্তী সরকারের কর্তা ব্যক্তিদের দ্বারাই জুলাই যোদ্ধারা সবচেয়ে বেশি অপমান অবজ্ঞার শিকার হয়েছেন। দাবি আদায়ের জন্য রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে হয়েছে কয়েকবার।
সৌভাগ্য ১৩ তম জাতীয় নির্বাচনে তথা স্বতঃস্ফূর্ত ভোটের মাধ্যমে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে সে সরকারের বয়স এখনো একমাস পূর্ণ হয়নি। তা সত্ত্বও একজন জুলাইযোদ্ধা এখন পর্যন্ত ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বলেনি যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাদের প্রতি নজর দেযননি কিংবা তাদের সাথে তাচ্ছিল্যপূর্ণ আচরণ করেছেন। বরং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নিজে তাদের সঙ্গে মিলিত হয়েছেন। তাদের খোঁজখবর নিয়েছেন। তাদের যথাযথ চিকিৎসা ও ভাতাদি দেয়ার ব্যবস্থা করেছেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
এবার কথা বলি ফ্যাসিবাদের নৃশংসতার ১৭ বছর নিয়ে। দীর্ঘ দেড় যুগ বিএনপি নেতাকর্মীরা শুধু বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার অপরাধে নির্মম নির্যাতন নিপীড়ন, মামলা হামলা ও গুম-খুনের শিকার হয়েছেন। বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলের লীগ সমর্থিত ব্যক্তিরা যত অন্যায় অপরাধ করুক তাদের অপরাধকে অপরাধ হিসেবে সাব্যস্ত করা হয়নি। বরং তাদের কাউকে কাউকে রীতিমতো লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল অন্যায় অপরাধ অরাজকতা সৃষ্টির জন্য। কতক লোক পবিত্র সংসদে দাঁড়িয়ে এমন অশ্লীল অশ্রাব্য ও অপমানজনক শব্দ উচ্চারণ করেছেন, যা সম্মানিত মানুষরা সচরাচর করেন না। তারা এমন নেতিবাচক কর্মকাণ্ড করেছেন যা সাধারণত মানুষ করে না। অন্যায় অপরাধ জোর জুলুম দলীয় পরিচয় দিয়ে লীগ সমর্থকরাই করেছে, তার উপর বিএনপি কর্মীদের নামে মামলা দিয়ে, তাদের গ্রেফতার করিয়ে, জেল খাটিয়ে এমন কষ্ট দিয়েছে যা সাধারণত কলোনিয়াল শাসকরা দিয়ে থাকে। দখলদার দেশের শাসকরা পরাধীন দেশের মানুষের সাথে যেরকম আচরণ করে লীগ নেতারা তেমনটাই করেছিলেন বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে।
বিএনপি কর্মীদের জীবন, সম্মান ও সম্পদ যেরকম মূল্যহীন ছিল বিগত সরকারের কাছে, তেমনি দেশের মানুষের জীবন সম্পদ সম্মানও মূল্যহীন ছিল আওয়ামী ফ্যাসিবাদের কাছে। বিগত ১৭ বছরে দেশের মানুষ ছিল চরম অসহায়। লীগ সমর্থিত লোকের বাইরে আর কারো খানা ছিল না। মনে হতো আমরা সবাই পরাধীন দেশের নাগরিক। এজন্য কেউ কেউ নিজের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে গা বাঁচানোর চেষ্টা করেছে। এক পর্যায়ে লীগে যোগদান করার হিড়িক পড়ে গিয়েছিল। ফলে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বেসামরিক আমলা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে হাট বাজারের দোকানদার স্কুল মাস্টার সবাই লীগপন্থী হয়ে পড়েছিল। অবস্থাটা এমন ছিল লীগপন্থী হওয়া মানে প্রাণে বেঁচে যাওয়া আর লীগের বাইরে থাকা মানে জীবন সম্মান সম্পদ বিপন্ন হওয়া।
বিএনপির অনেক নেতাকর্মী আছেন যাদের নামে শত শত মামলা। তার মধ্যে বেশিরভাগ মামলা ছিল গায়েবী। অনেকে কয়েদখানায় থেকেও নতুন মামলার আসামি হয়েছেন। কেউ কেউ জেল থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য জমিজমা বিক্রি করে টাকা খরচ করেছেন কিন্তু পরক্ষণে তাকে জেলগেটে আটকে দেয়া হয়েছে। তাকে নতুন মামলা আসামি দেখানো হয়েছে। কাউকে সহজে গ্রেপ্তার করা না গেলে গভীর রাতে গিয়ে পুলিশ তার বাড়িতে হানা দিয়েছে। শতাধিক পুলিশ নিজেরাই মব সৃষ্টি করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে মায়ের বুক থেকে, স্ত্রীর কাছ থেকে ছিনিয়ে এনেছে। সন্তানদের আর্তচিৎকার, স্ত্রীর করুণ কান্নায়ও পুলিশের মন গলেনি। থানায় আনার পর টাকা আদায়ের জন্য চলেছে কত রকম টর্চার।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
সবচেয়ে বেশি নিপীড়ন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন আপনি (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান) এবং তার পরিবার। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অর্জন ও তা রক্ষার জন্য জিয়া পরিবারের অবদান সবচেয়ে বেশি। অথচ তাদের নিন্দা বাক্য ও বাজে কথা শুনতে হয়েছে সবচেয়ে বেশি। জুলুমও করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি।
আমাদের প্রধানমন্ত্রী মাত্র চার বছর বয়সে মায়ের সঙ্গে জেল খেটেছেন দুই বছরের ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে সঙ্গে নিয়ে। একদিন দুইদিন না, দীর্ঘ ছয় মাস। জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত। যদি দেশ স্বাধীন না হতো তবে হয়তো কোনদিনই তাদের মুক্তি মিলতো না।
এরপর মাত্র ১৪ বছর বয়সে তিনি তার পিতাকে হারিয়ে ছিলেন। আদরের ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে হারান ২০১৫ সালে। তাও তিনি প্রাণ হারিয়েছেন স্বৈরাচারের নির্মম নির্যাতনের ফলে।
তিনি (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান) ১/১১ এর ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার। তিনি রীতিমত মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছেন। মা বেগম খালেদা জিয়া বিনা অপরাধে কয়েদ খেটেছেন বছরের পর বছর। এক কাপড়ে তাকে বসতবাড়ি থেকে অপমান করে বের করে দেয়া হয়েছিল। এসব অপমানের কথা কি মন থেকে কখনো মুছে ফেলা সম্ভব? সম্ভব না।
২০০৮ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চিকিৎসার জন্য দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। তারপর দীর্ঘ ১৭ বছর বিদেশে কাটান। অতঃপর ১৭ বছর বাদে স্বদেশের মাটিতে পা রাখলেন ঠিক কিন্তু মমতাময়ী মায়ের সঙ্গে একদিনও প্রাণ খুলে কথা বলতে পারলেন না। এসে দেখলেন মা তার গুরুতর অসুস্থ এবং এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
দেশে ফেরার মাত্র তিন দিনের মাথায় তিনি তার মায়ের মৃত্যু সংবাদ পেলেন। মা সবাইকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। একজন মানুষের উপর দিয়ে কত ধকল গেলে তিনি স্বাভাবিক থাকেন কিভাবে। তবু তিনি স্বাভাবিক আছেন। সব কষ্টকে মর্মে উপলব্ধি করলেও কাউকে কিছুই বুঝতে দিলেন না।
জিয়া পরিবার স্বনামধন্য ও সর্বত্যাগী একটি পরিবার। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অর্জন ও রক্ষায় যাদের সবচেয়ে বেশি অবদান। তা সত্ত্বেও যদি সে পরিবারের উপর এত নিপীড়ন চলে তবে পরিচয়হীনদের কপালে কি ঘটেছিল তা তো বলারই অপেক্ষা রাখে না।
এত কষ্টের পরও বিএনপির নেতা কর্মীরা দল ত্যাগ করেনি। বছরের পর বছর তারা বাড়িতে আসেনি। ঘরে থাকতে পারেনি। বনে জঙ্গলে, ধান ক্ষেতে, পাট ক্ষেতে রাত কাটিয়েছে। কত নিপীড়ন মুখ বুঁজে সহ্য করেছে। পাশাপাশি তারা বিএনপির আদর্শকে শক্ত হাতে ধরে রেখেছিল। আজ তাদের সেই ত্যাগের মূল্যায়ন প্রয়োজন।
ইতিমধ্যে যারা সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছে গেছেন, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বা আগামী দিনে উপজেলা চেয়ারম্যান বা ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন তারা যেন খেয়াল রাখেন সর্বহারা ত্যাগীরা যেন তাদের দ্বারা কষ্ট না পায়। সাধারণ কর্মীরা অপমান অবজ্ঞার শিকার না হন।
বরং যারা গুলির মুখে বুক চেতিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাদেরকে এনে অনুষ্ঠান আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে পুরস্কৃত করা হয়। সামান্য সুবিধা হাতে এলে সেটা যেন তাদের মাঝে সম্মানের সাথে বন্টন করে দেয়া হয়। মনে রাখতে হবে তারা একদিন দুদিন বা একবার দুইবার কষ্ট পায়নি, তারা কষ্ট পেয়েছে বছরের পর বছর। সেই কষ্টের জন্য তাদের বাড়তি সম্মান পাবার অধিকার তৈরি হয়েছে। সুতরাং সে অধিকার তাদের ফিরিয়ে দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
সব মানুষ সমান যোগ্যতা রাখে না, সমান সুযোগও পায় না। যে কর্মী শিক্ষিত অবস্থাপন্ন সে ইচ্ছে করলে ইউপি চেয়ারম্যান হতে পারে কিংবা একটা ভালো চাকরিও পেতে পারেন। কিন্তু যাদের সে যোগ্যতা নেই তারা কী পাবে? তাদের জন্য কী করণীয়?
একটা উপজেলায় শত শত বিএনপি কর্মী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের সবাইকে সমান পদ ও মর্যাদা দেয়া সম্ভব না। সেক্ষেত্রে তাদের জন্য আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। তাদের ছেলেমেয়েদের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রয়োজনে তাদের চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করতে হবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
মনে রাখবেন ত্যাগীরা অভিমানী হয়। ধান্দাবাজরা নির্লজ্জ হয়। তারা যেভাবে মৌমাছির মত মৌচাক ঘিরে রাখে, ত্যাগীরা সেটা পারে না। ধাক্কাধাক্কি ধস্তাধস্তি দেখলে তারা সেখান থেকে সরে যায়। তাছাড়া আমাদের সমাজের সুযোগ সুবিধা সীমিত। সমস্যা অবারিত। সীমিত সামর্থ্য দিয়ে বিপুল সমস্যার সমাধান সম্ভব না। সে ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে যেসব কর্মীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের সবার আগে পুনর্বাসন করতে হবে। প্রয়োজনে খুঁজে বের করে তাদের যথাযথ সম্মান জানাতে হবে।
খেয়াল করলে দেখবেন স্বাধীনতা যুদ্ধে যেসব তরুণ যোদ্ধা রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন, তাদের মুজিব সরকার পুরস্কৃত করেনি। বরং নানান বদনাম দিয়ে তাদের অপমান অপদস্থ করা হয়েছিল। প্রাপ্য অধিকার দাবী করতে গিয়ে তারা বাড়তি বিপদে পড়ে গিয়েছিল। অনেকে খুন গুমের শিকার হয়েছিল। এর পরিণাম মুজিব সরকারের জন্য ভালো হয়নি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
আমরা দেখেছি মদিনা ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম হওয়ার পর যে সকল যোদ্ধাগণ অবসরে যান তাদের প্রত্যেককে প্রতি মাসে রাষ্ট্রীয়ভাবে মাসোহারার ব্যবস্থা করা হয়। যাতে সাহাবীরা সম্মানজনক জীবন যাপন করতে পারেন। মদিনা ছাড়াও দূরান্তে যে সকল প্রাদেশিক সরকার ছিল তারাও রাষ্ট্রীয়ভাবে বীরদের ভাতা ও সম্মান জানানোর ব্যবস্থা করতেন। আমাদের দেশেও ত্যাগীদের জন্য সেরকম ভাতার ব্যবস্থা করতে হবে। ভাতা যে সকলের প্রয়োজন তা না। যাদের প্রয়োজন তারা নিবে। যাদের প্রয়োজন নেই তারা নেবে না। কিন্তু মর্যাদা ও স্বীকৃতি তাদের সকলের প্রাপ্য। সেটা তাদের দিতেই হবে। সেসব রাষ্ট্রীয়ভাবে দেয়া সম্ভব না হলে দলীয়ভাবে দেয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
শুধু ভাতা দিয়ে ক্ষান্ত হলে চলবে না। যারা গত সতের বছরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে জীবন হারিয়েছে, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হারিয়ে পঙ্গুত্ববরণ করছে এবং আর্থিক ও রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের জীবন বৃত্তান্ত লিখতে হবে, লেখাতে হবে। তাদের মহিমাময় অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে হবে। তাদের গৌরবজনক ত্যাগ নিয়ে ইতিহাস রচনা করতে হবে। আর সেটাই হবে অনাগত দিনে আগামী প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। এর মধ্যে তারা প্রেরণা খুঁজে পাবে।
এ গ্রন্থের সবার উপরে স্থান পাবে আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকো ও আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম।
আশা করছি বিষয়টা প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ গভীর ভাবে ভেবে দেখবেন।

কালাম ফয়েজী।
কবি ও সাংবাদিক।
১১/০২/২৬
আরও পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল নির্বাচিত হলেন
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া রোধে সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করার উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
আরও সংবাদ পড়ুন।
১৪ মার্চ সারাদেশে ইমাম মোয়াজ্জিনদের মাসিক ভাতা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
সরকার সকল স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
উন্নত দেশের বিমান বন্দরের মতো ফ্রি ওয়াইফাই চালু করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
আরও সংবাদ পড়ুন।
রাজধানীতে নারীদের জন্য বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
আরও সংবাদ পড়ুন।
রাজধানীতে নারীদের জন্য বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
আরও সংবাদ পড়ুন।
ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন: ডা. জাহিদ হোসেন
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
সামনে আমাদের অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ : বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
তারেক রহমানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ নিয়োগ পেলেন
আরও সংবাদ পড়ুন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে নাতনি জাইমাসহ স্বজনদের শ্রদ্ধা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ কানায় কানায় পূর্ন; খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি
আরও সংবাদ পড়ুন।
আমার জন্য ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সবাই দোয়া করবেন – তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ইনশাআল্লাহ, আমি আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে যাবো: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রায় সঙ্গী হতে ঢাকায় পৌঁছেছেন পুত্রবধূ ডা.জুবাইদা রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সারাদেশে দোয়া ও প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছে সরকার
আরও সংবাদ পড়ুন।
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে এভারকেয়ারে প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
তিন বাহিনীর প্রধানগণ খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে
আরও সংবাদ পড়ুন।
খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত
আরও সংবাদ পড়ুন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
শেখ হাসিনা পরিকল্পিতভাবে গণমাধ্যমের জায়গাটা ধ্বংস করে দিয়েছে – মির্জা ফখরুল ইসলাম
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিএনপি’র ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা-খালেদা জিয়া লড়বেন তিন আসনে, তারেক রহমান একটিতে
আরও সংবাদ পড়ুন।
আমি খুব পরিষ্কার বলতে চাই, আমরা নির্বাচন করব, নির্বাচন করতে চাই : মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
আমি খুব পরিষ্কার বলতে চাই, আমরা নির্বাচন করব, নির্বাচন করতে চাই : মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
নিজামী-মীর কাসেম-সালাউদ্দিন কাদেরকে মিথ্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে: মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
৭ হাজারের বেশি সদস্যের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে : তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
গণহত্যার জন্য শুধু হাসিনা নয়, আওয়ামী লীগেরও বিচার হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
খালেদা জিয়া গুম-খুনের বিচার ও শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানালেন
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস’কে তারেক রহমানের জন্মদিনের শুভেচ্ছা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে বৈঠক
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
সরকারকে চাপে রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত বিএনপির, লক্ষ্য নির্বাচন
আরও সংবাদ পড়ুন।
পরিস্থিতি ‘অযথা ঘোলাটে’ না করে নির্বাচনের তারিখ দেওয়ার আহ্বান তারেক রহমানের
আরও সংবাদ পড়ুন।
খালেদা জিয়া হিথ্রো বিমানবন্দরে; বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বাংলাদেশি জাতিসত্তার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নববর্ষ উদ্যাপন: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে নেই জিয়াউর রহমানের নাম, হতাশ বিএনপি
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
পলাতক স্বৈরাচারের দোসরদের পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া যাবে না : তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিএনপিকে আবারও এক এগারোর মতো মিডিয়া ট্রায়ালের মুখোমুখি করা হচ্ছে: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠক – সংস্কারের কথা সবার আগে বলেছে বিএনপি: মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
মাহে রমজান সবার জীবনে বয়ে আনুক শান্তি-সুখের বার্তা – তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
ফ্যাসিস্টরা এখনও জুলাই আন্দোলনের অর্জনকে নস্যাৎ করতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে – খালেদা জিয়া
আরও সংবাদ পড়ুন।
এই সরকারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
দোষী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
খালেদা জিয়া নাইকো দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস; ৫ আগস্টের পর ৩৭টি থেকে খালাস পেলেন
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
সংস্কার বাস্তবায়ন করতে নির্বাচন ছাড়া রাস্তা নেই: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বৈঠকে মেডিকেল বোর্ড – খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাইলেন তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
কেউ যেন দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে না পারেন: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
এই মিছিল স্বাধীনতা ও নিজেদের অধিকার রক্ষার মিছিল – তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
৭ নভেম্বরের চেতনায় সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে : তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিএনপি চারটি মহানগর এবং পাঁচটি জেলায় নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আওয়ামী লীগের দোসরদের দায়িত্বে রেখে সরকারের উদ্যোগ সফল হবে না: তারেক
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
একটি মহল অন্তর্বর্তী সরকারকে অনির্দিষ্টকাল ক্ষমতায় রাখতে চায় – মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া – বিএনপির আগামীকাল রোববারের সমাবেশ হচ্ছে না
আরও সংবাদ পড়ুন।
ঐক্য ধরে রাখতে পারলেই ছাত্র-জনতার বিজয় সুসংহত হবে : বিএনপি মহাসচিব
আরও সংবাদ পড়ুন।
৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কর্মসূচি
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করতে আসলে ধরে পুলিশে দিন : মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কর্মসূচি
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের রোডম্যাপ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি: মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
কী করতে চান, দ্রুত জনগণের সামনে উপস্থাপন করুন: প্রধান উপদেষ্টাকে ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি পন্থি শিক্ষকদের বিবৃতি
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্যপদ স্থগিত বাসস এমডি মাহবুব মোর্শেদের
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধকতা দূর করার আহ্বান সম্পাদক পরিষদের
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিরোধী কালাকানুন বাতিলের দাবি সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ডিআরইউ’র সভাপতি মুরসালিন নোমানী সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
যে সকল সাংবাদিকদের বহিষ্কারের দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র অন্দোলনের
আরও সংবাদ পড়ুন।
এসিআরএফ’র আত্মপ্রকাশ – আহ্বায়ক তাওহীদ সৌরভ ও সদস্য সচিব রিশাদ হুদা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বাংলাদেশ মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে ১৬৫তম; দুই ধাপ পিছিয়ে গতবারের চেয়ে


























