শিক্ষা কী কেবল টেক্সট বই পড়া?

Picsart_23-01-04_23-21-30-714.jpg
admin

উপজেলা রিসোর্স সেন্টার একটা প্রজেক্ট ছিলো। সে প্রজেক্ট শেষ হয়েছে ২০০৩ সালে। তারপর সে প্রজেক্ট রাজস্ব খাতে ২০০৫ সালে কেন আনা হয়েছে? দরিদ্র দেশের জনগণের ট্যাক্সের টাকা এ ভাবেই উড়িয়ে দেয়া হচ্ছে? আবার তাদেরকে নিয়মিত করেছে ২০১২ সালে।

এখন তারা সরাসরি রাজস্বখাতে নিয়োগপ্রাপ্ত ২০০৬/২০০৭ সালের পিটিআই ইন্সট্রাক্টরদের সিনিয়র হতে চায়। অন্য্যা ভাবে তারা পিটিআই এর সহকারী সুপারিন্টেন্ডেন্ট পদের ২০% দখল করেছে।।এই ২০% সরাসরি ইয়াং অফিসার নিয়োগ পেতো। পিটিআই এনার্জেটিক,ইয়াং অফিসার পেলে ভালো কাজ হতো। জানগণকে সে অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হলো।

এখন তারা আবার মামলা করেছে। মামলা নং ২৩৫১/২০২৫
এ মামলার আর্জি হলো- উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের অফিসারদের প্রজেক্টে নিয়োগের তারিখ থেকে সিনিয়রিটি দিতে হবে।

এ যেন’ বসতে দিলে শুতে চায় এর মতো’!

এদের বেতন উঠানো লাগে না। এরা ট্রেনিং-ভাতা দিয়েই চলে। এদের পকেটে টাকার অভাব নেই। শুনেছি এরা কোটি কোটি টাকা নিয়ে নেমেছে পিটিআই এর সুপারিন্টেন্ডেন্ট হতে চায়! প্রাথমিক শিক্ষার প্রশাসনিক কাঠামোতেই যাদের অস্তিত্ব নেই তারা পুরো প্রশাসনকে দখল করতে চায়! অলরেডি তারা তা সম্ভব করেছে। কারণ সাবেক সচিব ফরিদ তো আজান দিয়ে টাকা খেতো। শুধু সে নয় তার স্ত্রী কন্ট্রোল
করতো তারে।

স্ত্রীর খুশিতে ফরিদ খুশি। সেই খুশিতে ২০২৩ সালের নিয়োগবিধিতে সহকারী সুপারিন্টেন্ডেন্ট পদে ২০% দেয়া হয়েছে যা মূল অর্গানোগ্রামে নেই।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য রয়েছে পিটিআই। এখানে কর্মরত ইন্সট্রাক্টরদের মাঝে যে জন কানা, ভ্যাবলাকান্তি সেজনও অন্য যে কোন প্রশাসনিক কর্মকর্তার চেয়ে ভালো ট্রেনার!

শুধুমাত্র ট্রেনিং এলাউন্স দখলের জন্য পিটিআই ইবস্ট্রাক্টদের কাজ দখল করে নিয়েছে প্রশাসনিক সেক্টরের লোকেরা!

প্রতিটি উপজেলায় আলাদা করে সৃষ্টি করেছে উপজেলা রিসোর্স সেন্টার৷ প্রাথমিক শিক্ষার মূল অর্গানোগ্রামে যেটির অস্তিত্বই নেই।

যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন প্রজেক্টের নামে জনগণের টাকা অনর্থক ব্যয় করা প্রত্যেক সরকারের ভেতরের সরকারের কাজ!
সি ইন এড প্রশিক্ষণ খারাপ ছিলো কোথায়?

১৯৯১-৯২ সালে আমি সি ইন এড পড়েছি। এডুকেশনে এর পর আরো দুটো হায়ার ডিগ্রি নিয়েছি কিন্তু সেই সি ইন এডই ছিলো বেসিক। এখন সে সব পড়া, ক্লাস স্পষ্ট মনে আছে।
পরবর্তীতে ডিপ্লোমা ইন প্রাইমারি এডুকেশন (ডিপিএড) এখন পরিমার্জিত ডিপিএড বিটিপিটি নামে যা চলছে তা হলো দরিদ্র দেশের জনগণের ট্যাক্সের টাকার হরিলুট!

এই হরিলুটে টপ লেভের প্রশাসন যুক্ত!

আমরা ভাটির দেশের মানুষ। আমাদের অর্থনীতি সেই ভাবেই সাজানো উচিত। পলিমাটির দেশে বাস করে, মাত্র ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের ভেতর ২০ কোটি জনগণের এ দেশের আর্থ-সামাজিক এবং মনস্তাত্ত্বিক অবস্থার কথা বিবেচনা না করে ভিন্ন একটি দেশের আচার-কালচার না বুঝে তাদের মতো ক্যারিকুলাম বাস্তবায়নের চেষ্টা আর সাগরের তলায় সোনামুখী সুঁই খোঁজা একই!

বর্তমানে আমাদের মন্ত্রী এহসানুল হক মিলন যেমন ১৪শ বছর আগের নকল-নকল পরীক্ষার হলের চিন্তায় মগ্ন হয়ে সে মতো বাণী উচ্চারণ করছেন তেমন করেই সকল সময়ে শিক্ষাব্যবস্থায় একই রকম ভাবে ভূত ছিলো!

ভূত ১: ক্যারিকুলাম তৈরিতে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ কম রাখা। প্রতিবারই একই ব্যক্তির মস্তিষ্ক ব্যবহার করা,

ভূত ২: শিক্ষকদের মর্যাদা না দেয়া। জনবলের লিস্টে শিক্ষকদের জন্য আলাদা কলাম না রাখা। এতে শিক্ষকদের মর্যাদা নষ্ট হয়।

ভূত-৩: শিক্ষার ব্যাহিক, ব্যবহারিকের দিকের ওপর গুরুত্ব না দিয়ে সর্বস্তরেই পাশ-ফেল, এবং শিক্ষকদের দায়ী করা।

ভূত-৪: একজন শিক্ষকের দৈনিক ৭/৮ টা শ্রেণিকার্যক্রম।পরিচালনা করানো।

ভূত-৫: শিক্ষকদের মাথার ওপর ছড়ি ঘোরানো- শিক্ষা প্রশাসন হওয়া প্রয়োজন প্যারালাল, এখানে চেইন প্রশাসন মানেই হলো সব ভেঙে পড়বে!

ভূত-৬: সহযোগীতা, একাডেমিক সুপারভিশন, স্ক্যাফল্ডিং না দিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা। মানুষের মনোজগৎ একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।এখানে প্রশান্তি না থাকলে পরিবারও ভেঙে পড়ে।

তাহলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা কেমন আছেন বোঝাই যায়!

সংগত কারণে তারা মূল কাজে ফোকাস না করে প্রশাসনকে তেল দেয়াসহ নানান কাজে ব্যস্ত থাকে!

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী টাকা নাই তাই শিক্ষকদের দাবী ১১ তম গ্রেড মানছেন না কোন কারণে উপজেলা রিসোর্স সেন্টার তৈরি করে প্রতিটি সেন্টারে কমপক্ষে তিনজনের ভেতন-ভাতা,টিএ ডিএ বিল, ট্রেনিং ভাতা দিয়ে যাচ্ছে।

এতে প্রাথমিক শিক্ষার কোন মান উন্নয়ন ঘটেছে? প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য পিটিআই রয়েছে। সেখানে বরং লজিস্টিক সাপোর্ট বাড়ান। শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য তারাই যথেষ্ঠ।
অবিলম্বে এই সেন্টার রিমুভ করার দাবী জনগণ জানাচ্ছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ব্যয় সংকোচন করুন।

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৬- প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আটক ১১

আরও সংবাদ পড়ুন।

ঘুসের এক লক্ষ বিশ হাজার টাকাসহ যশোরের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দুদকে আটক

আরও সংবাদ পড়ুন।

ঘুসের এক লক্ষ বিশ হাজার টাকাসহ যশোরের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দুদকে আটক

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে শিক্ষা গবেষণায় অনিয়ম ও দূর্নীতি – দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ‘বাতিল’ কারিকুলামের উপর প্রশিক্ষণে অর্থের অপচয় – দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

মজিবর রহমান শিক্ষা সচিবের রুটিন দায়িত্ব পেলেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ছাবিউল ইসলামসহ তিন জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আরও সংবাদ পড়ুন।

৪৬ পূর্ব কোড়ালমারা সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. এরশাদ সোহেলের অনিয়ম ও দূর্নীতি

আরও সংবাদ পড়ুন।

পিটিআই গোপালগঞ্জ অর্থ ব্যয়ে অনিয়মসহ নানাবিধ অভিযোগে- দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

নারায়ণগঞ্জ পিটিআই’র কর্মকর্তা কর্মচারীদের অর্থ আত্মসাত – দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

আজ খুলনায় দুদকের ১৭৭ তম গণশুনানি চলছে

আরও সংবাদ পড়ুন।

দুদক মোয়াজ্জেম হোসেন, মুহাম্মদ তুহিন ফারাবী ও গাজী সালাউদ্দিন তানভীর’কে ডেকেছে

আরও সংবাদ পড়ুন।

নারায়ণগঞ্জ পিটিআই’র কর্মকর্তা কর্মচারীদের অর্থ আত্মসাত – দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

আউট অব স্কুল চিলড্রেন এডুকেশন প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও দূর্নীতি – দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডের রায় বহাল

আরও সংবাদ পড়ুন।

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান মোমেন, আকবার আজিজী ও ফরিদ হলেন কমিশনার

আরও সংবাদ পড়ুন।

মিরপুর বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ এ দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিআরটিএ এর পূর্বাচল (ঢাকা মেট্রো-৪)অফিসে – দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিআরটিএ অপরাধ ও দূর্নীতি’র আখড়া; অপরাধ করেও পার পেয়ে যায় কর্তারা

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিআরটিএ – ইকুরিয়া সার্কেল;ঢাকা বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবী – দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

ছদ্মবেশে বিআরটিএ দুদকের অভিযান – ঘুষ গ্রহণের সময় হাতেনাতে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার

আরও সংবাদ পড়ুন।

ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রাইভেট কার বা জীপগাড়ির ব্র্যান্ডের নামসহ তথ্য চেয়ে বিআরটিএকে দুদকের চিঠি

আরও সংবাদ পড়ুন।

বেপরোয়া দুর্নীতি ও অনিয়মে জড়িয়ে জেলা প্রশাসকরা, তদন্তে দুদক ও এনএসআই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top