এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ছাবিউল ইসলামসহ তিন জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

Picsart_23-12-27_19-49-49-045.jpg
admin

অপরাধ প্রতিবেদকঃ গাড়ির ডালায় বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) এক নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অবৈধভাবে অর্জিত প্রায় ৩৭ লাখ টাকা বহন ও স্থানান্তরের অভিযোগে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ছাবিউল ইসলামসহ তিন জনের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি ২০২৫) রাজশাহীতে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের সহকারী পরিচালক (গণসংযোগ) তানজির আহমেদ।

মামলায় ছাবিউল ইসলামের পাশাপাশি আরও দুই জনকে সহায়তাকারী আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন বাপ্পি কুমার দাস ও তার ছেলে বিন্তু কুমার দাস।

দুদক ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৪ মার্চ নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ছাবিউল ইসলামের ভাড়া করা একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তল্লাশির সময় গাড়ির ডালা থেকে ৩৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এত বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বহনের বৈধ কোনও কাগজপত্র বা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারায় ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। পরে বিষয়টি দুদকের নজরে এলে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুসন্ধান শুরু করে।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে, উদ্ধার করা অর্থটি ছাবিউল ইসলাম তার দায়িত্বকালীন সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধভাবে উপার্জন করেছেন। অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওই অর্থ কোনও বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এর উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করার উদ্দেশেই তিনি অন্যত্র স্থানান্তরের চেষ্টা করছিলেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ছাবিউল ইসলাম জ্ঞাতসারে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ৩৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩০০ টাকা ঢাকা মেট্রো-ঘ ১২-৮৭৯৭ নম্বর প্রাইভেট কারে করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ কাজে তাকে সহায়তা করেন সহায়তাকারী আসামিরা। অর্থ গোপন রেখে পরিবহন ও স্থানান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে দুদক মনে করছে।

মামলার প্রধান আসামি ছাবিউল ইসলাম এর আগে এলজিইডি গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি এলজিইডির সদরদফতর আগারগাঁওয়ে সংযুক্ত আছেন। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

দুদক জানায়, এ ঘটনায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা করা হয়েছে। এসব ধারায় দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে দুদকের সংশ্লিষ্ট শাখা, যা বর্তমানে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ ও আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

দুদকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিরুদ্ধে কমিশনের অবস্থান কঠোর। প্রভাবশালী বা উচ্চপদস্থ কেউ হলেও দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনের আওতায় আনা হবে। মামলাটি সে ধরনেরই একটি দৃষ্টান্ত বলে মনে করছে দুদক।

আরও সংবাদ পড়ুন।

এলজিইডি’তে সহকারী প্রকৌশলীদের বিধিবহির্ভূত ভাবে নিয়মিতকরণ ও পদোন্নতি – দুদকের অভিযান

আর ও সংবাদ পড়ুন।

মেধাভিত্তিক নিয়োগ হলে নিয়োগপ্রাপ্ত সকলেই দেশের সম্পদ হবে : আসিফ মাহমুদ

আর ও সংবাদ পড়ুন।

আনোয়ার হোসেন এলজিইডির নতুন প্রধান প্রকৌশলী

আরও সংবাদ পড়ুন।

এপ্রিলে নির্বাচন মাথায় রেখে রোডম্যাপ দেবে ইসি: আসিফ মাহমুদ

আরও সংবাদ পড়ুন।

আনোয়ার হোসেন এলজিইডির নতুন প্রধান প্রকৌশলী

আরও সংবাদ পড়ুন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম অংশীজন রিকশাওয়ালা ভাইয়েরা: স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

স্বপ্ন পূরণের আগে দমে যেও না : ছাত্রদের উদ্দেশে ড. ইউনূস

আরও সংবাদ পড়ুন।

সরকার প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষা করবে : ড. ইউনূস

আরও সংবাদ পড়ুন।

বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার স্বপ্নপূরণে আমি অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. ইউনূস

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের বৈঠক : সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতার অঙ্গীকার

আরও সংবাদ পড়ুন।

মানুষের আস্থা ফেরাতে কাজ করবে নতুন সরকার – ড. ইউনূস

আরও সংবাদ পড়ুন।

কারা থাকছেন অন্তর্বর্তী সরকারে ?

আরও সংবাদ পড়ুন।

ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের দাবি

আরও সংবাদ পড়ুন।

সমন্বয়কেরা কেমন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চায়?

আরও সংবাদ পড়ুন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন – অসহযোগ আন্দোলন শুরু: যেসব নির্দেশনা মানাতে হবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top