রাষ্ট্রপতি বড় নাকি সেগুনবাগিচার আক্কাস আলী (সিএফও) বড়!

Picsart_26-03-31_12-34-52-179.jpg

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

admin

২০১৫ সালের পে-স্কেল হলো রাষ্ট্রপতির আদেশ।

স্টাফ রিপোর্টঃ এটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশকে ভায়োলেট করে যখন সেগুনবাগিচা নিজেদের অধিক পণ্ডিত মনে করে মতামত দেয় এবং সে মতামতের আলোকে কারো জীবিকা বন্ধ হয়ে যায় তখন প্রশ্ন জাগে-

রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী আসলে কে?

রাষ্ট্রপতি নাকি সেগুন বাগিচার সিএফও?

সিএফও যদি রাষ্ট্রপতির আদেশকে ভায়োলেট করার অধিকার রাখে তাহলে রাষ্ট্রপতির কী প্রয়োজন দেশে?

আইন বলে সিএফও ও তো অনেক দূরে কোন মন্ত্রীও তাঁর মন্ত্রণালয় থেকে কোন প্রজ্ঞাপন রাষ্ট্রপতির আদেশের এগেনেস্ট করতে পারে না।

যদি তা সম্ভব হতো তাহলে ইনটেরিম সরকার মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে জোর পূর্বক চেয়ার থেকে নামিয়ে সেগুন বাগিচার আক্কাস আলীকেই চেয়ারে বসিয়ে দিতো!

আসুন আইনটা দেখি-
২০১৫ সালের সেবা (বেতন ও ভাতাদি) আদেশের ৭(১) ও ৭(২) ধারা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী যদি একই পদে পদোন্নতি ছাড়া ১০ বছর সন্তোষজনকভাবে চাকরি সম্পন্ন করেন, তবে তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১১তম বছরে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার অধিকারী।

এ আইনে স্পষ্ট বলা হলো –
১.কোন সরকারি চাকুরিজীবী পদোন্নতি ব্যতিরেকে একই পদে ১০ বছর চাকরি করলে
২. চাকুরি সন্তোষজনক হলে
৩. স্বয়ংক্রিয় ভাবে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড পাবে।

শর্ত তিনটি। ১. টানা ১০ বছর একই পদে, ২.চাকুরি সন্তোষজনক, ৩.স্বয়ংক্রিয় ভাবে।

এখানে বলা হয়নি টাইম স্কেল বা সিলেকশন গ্রেড পেয়ে থাকলে পাবে না। বা আগের পদে টাইম স্কেল পেয়ে বর্তমান মূল গ্রেডের চেয়ে বেশী বেতন পেলে তার উচ্চতর গ্রেড পাবে না।

ধরে নিন, একজন রাজ নকর ১০ম গ্রেডে ১৯/২০ বছর চাকুরি করেছে। সেখানে নিয়োগবিধি ১৯৮৫ অনুযায়ী ৩য় শ্রেণির কর্মচারীরা যথাক্রমে ৮, ১০,১২ বছরে যদি পদোন্নতি না হয় তাহলে তাহলে তারা তিনটি টাইম স্কেল পাবে। এটি কর্মচারীদের পদোন্নতি না হওয়ার জন্য এক রকম আর্থিক ক্ষতিপূরণ। এক ধরণের প্রণোদনা যাতে কর্মচারীদের মনে হতাশা না আশে।

ক্যাডার সার্ভিসে পদ থাকুক আর না থাকুক তিন বছর পর পর তাদের পদোন্নতি হয় এবং বেতন বাড়ে ক্ষমতা বাড়ে।
এসব ১০ম থেকে নিচের দিকের পদগুলো এবং ৯ম গ্রেডের ননক্যাডার পদগুলোয় সে সবের বালাই নেই। একজন শিক্ষক আজীবন শিক্ষক। তাঁর পদের উন্নতি হয় না! তাঁকে আজীবন ৩য়শ্রেণির শিক্ষক নামে ডাকা হয়। ফলে তিনি তিনটা টাইমস্কেল নিয়ে কোনমতে বেঁচে থাকেন।

এখন আসেন পিটিআই এর পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কথা। এ পদটি ১০ম গ্রেড। এ পদের ফিডার পদ হলো পিটিআই এর ইন্সট্রাক্টর। এদের নিয়োগবিধিতে বলা ছিলো তারা নিয়োগ পাওয়ার ৫বছরের মাথায় তারা পিটিআই এর ইন্সট্রাক্টর পদে পদোন্নতি পাবে। কিন্তু নিয়োতির অমোঘ বিধান তারা এক একজন ২০-২৫ বছর চাকুরিকাল পার করেও প্রমোশন পায়নি। কেউ কেউ এজনমেও প্রমোশন না পেয়ে ঘরে ফিরে গেছে। ফলে ১৯৮৫ এর নিয়োগবিধির শর্তানুযায়ী তারা বিনটি টাইমস্কেল পেয়েছে।

এরই মাঝে ২০১৩/ ২০১৪/২০১৬ সালে কিছু শিক্ষক প্রমোশন পেয়েছেন। তার আগে চাকুরির দৈর্ঘ অনুযায়ী তিনটি টাইম স্কেল পেয়ে তারা তাদের বেতন ৭ম গ্রেডে উন্নীত করতে পেরেছেন।

পদোন্নতির পর তাদের কারো কারো চাকুরি ১০ বছর পেরিয়ে গেছে। আবার কারো ১১ কারো ১২ কেউ এখনো কর্মরত আছেন।

তারা ২০১৫ সালের পে-স্কেল অনুযায়ী একই পদে চাকুরিকাল ১০ বছর পূর্ণ হওয়ায় পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন ২০২৩ সালেই।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সেগুনবাগিচার মতামতের জন্য পাঠিয়েছে তারা পাবে কিনা?

প্রশ্ন হলো
১. রাষ্ট্রপতির আদেশের প্রজ্ঞাপনে অন্যকারো মতামত আদৌ প্রয়োজন ছিলো কি-না?

২. সেগুন বাগিচার সিএফও এ ব্যাপারে ইতি-বা নেতি কোন প্রকার মতামত দেয়ার অধিকার রাখে কি না?

সত্যি আমরা এক অদ্ভূত দেশে বাস করছি যেখানে রাষ্ট্রপতিও কাবু জিনের বাদশাহদের অত্যাচারে।

এই অবস্থায় যেহেতু কর্মচারীদের স্ব স্ব মন্ত্রণালয় তাদেরকে জিম্মি করে রেখেছে সঙ্গত কারনে ক্ষুদ্র ঋণ কর্পোরেশেনের ভূক্তভোগীরা আদালতের শরনাপন্ন হন। আদালত ক্লিয়ারলি বলে দিয়েছে পূর্বে কে কী পেলো তাতে সেবাভোগীর উচ্চতর গ্রেড পাওয়ায় কোন ব্যত্যয় ঘটাবে না।

আসুন দেখে নিয়-

মূল দাবি: রিট আবেদনকারীরা দাবি করেছিলেন যে, ২০১৫ সালের সেবা (বেতন ও ভাতাদি) আদেশের ৭(১) ও ৭(২) ধারা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী যদি একই পদে পদোন্নতি ছাড়া ১০ বছর সন্তোষজনকভাবে চাকরি সম্পন্ন করেন, তবে তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১১তম বছরে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার অধিকারী।

সরকারের বাধা: সরকার ২০১৬ সালে একটি পরিপত্র জারি করে বলেছিল যে, যারা আগে টাইম স্কেল বা সিলেকশন গ্রেড পেয়েছেন, তারা এই উচ্চতর গ্রেড পাবেন না।
আদালতের পর্যবেক্ষণ: আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন যে, ২০১৫ সালের মূল পে-অর্ডারে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, তা কোনো প্রশাসনিক ‘পরিপত্র’ দিয়ে কেড়ে নেওয়া যায় না। কারণ মূল পে-অর্ডারটি রাষ্ট্রপতির আদেশে জারি করা হয়েছিল এবং এর আইনগত ভিত্তি বেশি।

আদালতের রায়ের ১০ নং পৃষ্ঠায় লেখা আছে ২০১৫ সালের পে-অর্ডারের ৭(১) ধারাটি উদ্ধৃত করা হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বলা আছে:

“কোন স্থায়ী কর্মচারী পদোন্নতি ব্যতিরেকে একই পদে ১০ (দশ) বৎসর পূর্তিতে এবং চাকরি সন্তোষজনক হওয়া সাপেক্ষে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১১তম বৎসরে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেডে বেতন প্রাপ্য হইবেন।”

করা রায়ের ১৫ ও ১৬ নম্বর পৃষ্ঠায় আদালত স্পষ্ট করেছেন যে:

টাইম স্কেল বনাম উচ্চতর গ্রেড: ২০১৫ সালের বেতন আদেশের ৭(১) ধারা অনুযায়ী উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার ক্ষেত্রে পূর্বে কতটি টাইম স্কেল বা সিলেকশন গ্রেড পেয়েছেন, তা কোনো বাধা হতে পারবে না।

আদালত বলেছেন, যারা ১০ বছর একই পদে সন্তোষজনকভাবে চাকরি করবেন, তারা ১১তম বছরে উচ্চতর গ্রেড পাবেন। এটি একটি নতুন সুবিধা যা ২০১৫ সালের আগে পাওয়া টাইম স্কেলের সাথে সাংঘর্ষিক নয়।
সরকার যে পরিপত্র (Circular) দিয়ে এই সুবিধা আটকে দিয়েছিল, আদালত সেটিকে “বেআইনি” ও “আইনগত কর্তৃত্ববিহীন” বলে বাতিল করেছেন।

এবার আসুন পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে পদোন্নতি প্রাপ্ত ইন্সট্রাক্টরদের অবস্থা বিশ্লেষণ করি-
বর্তমান পদ: পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (৯ম গ্রেড)।
পদোন্নতি: ১০ম থেকে ৯ম গ্রেডে হওয়ার পর তারা এই পদে ১২ বছর পার করেছেন।

পূর্বের হিসেব: আগের পদে ৩টি টাইম স্কেল পাওয়ায় তাদের বর্তমান বেতন স্কেল হয়তো ৭ম গ্রেডের ধাপে আছে, কিন্তু তাদের পদের মূল গ্রেড কিন্তু ৯ম।

যৌক্তিক বিশ্লেষণ:
যেহেতু তারা ৯ম গ্রেডে (ইন্সট্রাক্টর পদে) ১০ বছরের বেশি সময় ধরে আছেন এবং এই ১২ বছরে কোনো পদোন্নতি পাননি, তাই ২০১৫ সালের বেতন আদেশের ৭(১) ধারা অনুযায়ী আপনি পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড (৮ম গ্রেড) পাওয়ার দাবি রাখেন।

একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
তারা ৬ষ্ঠ গ্রেড দাবি করছেন। সাধারণত উচ্চতর গ্রেড ধাপে ধাপে হয় (৯ম থেকে ৮ম, তারপর নির্দিষ্ট সময় পর ৭ম)। যেহেতু তারা বর্তমানে ৩টি টাইম স্কেলের কারণে ব্যক্তিগতভাবে ৭ম গ্রেডের আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন, তাই তাদের পরবর্তী উচ্চতর আর্থিক ধাপটি হবে ৬ষ্ঠ গ্রেড। উচ্চ আদালত এই রায়ে মূলত ‘আর্থিক ধাপ’ বা ‘পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড’ নিশ্চিত করার কথাই বলেছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাসটারে গো রিজিক কী আপনাদের হাত ধরে আসবে ?

আরও সংবাদ পড়ুন।

ঘুসের এক লক্ষ বিশ হাজার টাকাসহ যশোরের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দুদকে আটক

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৬- প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আটক ১১

আরও সংবাদ পড়ুন।

ঘুসের এক লক্ষ বিশ হাজার টাকাসহ যশোরের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দুদকে আটক

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে শিক্ষা গবেষণায় অনিয়ম ও দূর্নীতি – দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ‘বাতিল’ কারিকুলামের উপর প্রশিক্ষণে অর্থের অপচয় – দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

মজিবর রহমান শিক্ষা সচিবের রুটিন দায়িত্ব পেলেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ছাবিউল ইসলামসহ তিন জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আরও সংবাদ পড়ুন।

৪৬ পূর্ব কোড়ালমারা সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. এরশাদ সোহেলের অনিয়ম ও দূর্নীতি

আরও সংবাদ পড়ুন।

পিটিআই গোপালগঞ্জ অর্থ ব্যয়ে অনিয়মসহ নানাবিধ অভিযোগে- দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

নারায়ণগঞ্জ পিটিআই’র কর্মকর্তা কর্মচারীদের অর্থ আত্মসাত – দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

আজ খুলনায় দুদকের ১৭৭ তম গণশুনানি চলছে

আরও সংবাদ পড়ুন।

দুদক মোয়াজ্জেম হোসেন, মুহাম্মদ তুহিন ফারাবী ও গাজী সালাউদ্দিন তানভীর’কে ডেকেছে

আরও সংবাদ পড়ুন।

নারায়ণগঞ্জ পিটিআই’র কর্মকর্তা কর্মচারীদের অর্থ আত্মসাত – দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

আউট অব স্কুল চিলড্রেন এডুকেশন প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও দূর্নীতি – দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডের রায় বহাল

আরও সংবাদ পড়ুন।

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান মোমেন, আকবার আজিজী ও ফরিদ হলেন কমিশনার

আরও সংবাদ পড়ুন।

মিরপুর বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ এ দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিআরটিএ এর পূর্বাচল (ঢাকা মেট্রো-৪)অফিসে – দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিআরটিএ অপরাধ ও দূর্নীতি’র আখড়া; অপরাধ করেও পার পেয়ে যায় কর্তারা

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিআরটিএ – ইকুরিয়া সার্কেল;ঢাকা বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবী – দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

ছদ্মবেশে বিআরটিএ দুদকের অভিযান – ঘুষ গ্রহণের সময় হাতেনাতে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার

আরও সংবাদ পড়ুন।

ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রাইভেট কার বা জীপগাড়ির ব্র্যান্ডের নামসহ তথ্য চেয়ে বিআরটিএকে দুদকের চিঠি

আরও সংবাদ পড়ুন।

বেপরোয়া দুর্নীতি ও অনিয়মে জড়িয়ে জেলা প্রশাসকরা, তদন্তে দুদক ও এনএসআই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top