মাইক্রো লেবেল অর্থনীতিকে পৃষ্ঠপোষকতা দিন – কালাম ফয়েজী

Picsart_26-03-08_12-09-19-970.jpg
admin

জামালপুরের সরিষা বাড়ির ঘটনা। এক কৃষক পৈত্রিকভাবে একবিঘা জমির মালিক হয়। সে ভাবলো সে যদি জমিতে ফসল ফলাতে যায় তাহলে বছরে সে মাত্র দুটো ফসল পাবে। তাতে যে ধান আসবে তা দিয়ে তার সংসার চলবে না। তার স্ত্রী ছাড়াও তিন ছেলে মেয়ে। সংসার খরচ ছাড়াও বাচ্চাদের স্কুল খরচ দিতে হবে। স্কুলের বেতন ছাড়াও বই খাতা এবং পারিবারিক অন্যান্য খরচ। কৃষক ভাবলো সে এমন ফসল ফলাবে যা থেকে দ্রুত লাভবান হওয়া যায়। সে প্রথমে জমিতে নালা কাটলো। নালার মাটি দিয়ে জমির কিছু অংশ উঁচু করে নিল। যাতে বৃষ্টি হলে পানি নালাতে চলে যায়।

সে অর্ধেক জমিতে ঘাস চাষ করলো। বাকি অর্ধেক জমিতে মৌসুমী ফসলের বীজ বপন করলো। যেমন লালশাক, লাউশাক, পাটশাক, করলা, ঢেড়স ইত্যাদি। প্রতি ৩দিন অন্তর সে ঘাস কেটে বাজারে বিক্রি করতো। তার সাথে একদিন লালশাক, আরেক দিন করলা, এভাবে প্রতিদিনই কিছু ফলন তুলে বাজারে বিক্রি করতো। এভাবে তার সংসার ভালই চলতে থাকলো। সন্তানরাও মানুষ হল। মাত্র এক বিঘা জমি বুদ্ধিমত্তার সাথে ব্যবহার করে সে অন্যদের তুলনায় স্বাচ্ছন্দপূর্ণ জীবন যাপন করেছে এবং অন্য মানুষের জন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।

মানুষ যদি সচেতন হয় এবং বুদ্ধির সঠিক ব্যবহার জানে তবে সে কখনো পিছিয়ে থাকে না। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চাইতেন মানুষ যেন তার স্বল্প বস্তুর সর্বোচ্চ ব্যবহার শিখে নেয়। যদি সে পরিশ্রম করে তবে তার ভাগ্য বদল অবশ্যম্ভাবী। জিয়াউর রহমান টাকাকে সমস্যা মনে করতেন না। সমস্যা মনে করতেন অশিক্ষা এবং অলসতাকে। তিনি চাইতেন সবাই সচেতন হোক এবং সবাই পরিশ্রম করুক। কেবল পরিশ্রমের মাধ্যমেই মানুষের ভাগ্য বদল হতে পারে।

আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে নবী মুহাম্মদের জন্মের সময় আরবের কয়েকটা পরিবার সমৃদ্ধশালী ছিল। বাকি সবাই ছিল হতদরিদ্র। মদীনার লোকদের আর্থিক অবস্থাও মোটেই ভাল ছিল না। তাদের সকলের অবস্থার পরিবর্তন হল কেবল বিশ্বাস ও কর্মের মাধ্যমে। সবাই বিলাসিতা ছেড়ে যথা কর্মে নিয়োজিত হল। তাতে তাদের কেবল আর্থিক সংকটই দূর হল না। একটা বিশ্বজয়ী জাতি হিসেবে তাদের নাম ছড়িয়ে পড়ল এবং একটা দারিদ্র্যপীড়িত জাতি কিছু সময়ের ব্যবধানে একটা শাসক জাতিতে পরিণত হল।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চাইতেন দলমত ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সবাই কাজে হাত দিক। যার প্রয়োজন সেও কাজ করুক, যার প্রয়োজন নেই তিনিও কাজে নেমে পড়ুন। উষর জমি ফেলে রাখার দরকার কি। পানির আশায় আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকারও প্রয়োজন নেই। নদীর সাথে সংযোগ রেখে খাল কাটা হোক। তাহলে জোয়ারের পানি ঘরের কাছ পর্যন্ত চলে আসবে। একইভাবে অতিবৃষ্টির কারণে পানি বেড়ে গেলে খাল বেয়ে সে পানিও নদীতে চলে যাবে।

তাহলে ঊষর সময়ে কৃষকের আলসভাবে বসে থাকার প্রয়োজন হবে না। সে যখনতখন জমিতে যেকোন ধরনের ফসল ফলাতে পারবে। জমিতে আড়া তুলে ফাঁকে ফাঁকে সিম গাছ, কলাগাছ লাগানো যেতে পারে। নালার মধ্যে পানি স্থায়ী হলে তার মধ্যে তেলাপিয়া টাকিসহ নানারকম জিওল মাছের চাষ করা যেতে পারে। এভাবে প্রতিটি মানুষ যার যা আছে সেটা নিয়ে যদি কাজে নেমে পড়ে তবে সে জাতির ভাগ্য বদল হতে কি অনেক বেশি সময় লাগে? মোটেই না। প্রয়োজন কেবল উদ্যোগের। কাজে বিসমিল্লাহ বলে হাত দিলে অসম্ভবও সম্ভব হয়ে যায়।

মানুষ ইচ্ছে করলে কী না করতে পারে। সে পাহাড় কেটে নহর বইয়ে দিতে পারে। আবার সমতল ভূমিতেও পাহাড় বানাতে পারে।

শহীদ জিয়া গ্রামে গ্রামে হেঁটে হেঁটে চাইতেন মানুষের ইচ্ছা শক্তিকে জাগ্রত করতে।

অনেককাল আগে বাংলার বাঘ একে ফজলুল হক জমিদারী প্রথা ও মহাজনি প্রথা বাতিল করেন। বাতিল করেন ঋণ সালিশি আইন। তখন তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী। তিনি জমিদার ও মহাজনের অত্যাচার থেকে বাংলার কৃষকদের রক্ষা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন করা যায়নি। জমিদারী প্রথা বাতিল হয়েছে ঠিক কিন্তু তাদের সংসারে থেকে গেছে আগের মত অভাব অভিযোগ। না তাদের কষ্ট দূর হয়েছে, না অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। তারা তিনবেলা খেতে পারতো না। পছন্দমত কাপড় চোপড় কিনতে পারতো না। তাদের আয় বাড়েনি বলে খরচের সক্ষমতাও বাড়েনি। এ অবস্থার মধ্য দিয়ে কেটে গেছে কয়েক দশক।

অতঃপর দীর্ঘ সময় পর তারা স্বাধীন জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এরপর তারা প্রেরণা পায় তাদের প্রিয় বন্ধু বাংলার রাখাল রাজা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে।

শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ১৯৪০ সালে মুসলিম লীগের অধিবেশনে যখন লাহোর প্রস্তাব উপস্থাপন করেন, তখন ভারতবর্ষের তিনি সেরা নেতা। সর্বভারতীয় নেতাদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল সবচেয়ে বেশি। কারণ সে সময় পর্যন্ত কংগ্রেস নেতা মহাত্মা গান্ধী, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ, পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু, ভল্লব ভাই প্যাটেল, মুসলীম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, আগা খান বা লিয়াকত আলী খান কেউই রাষ্ট্রীয় প্রটোকলের ভিতরে ছিলেন না। কারণ তখন পর্যন্ত একমাত্র একে ফজলুল হকই ছিলেন অবিভক্ত বাংলার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।

তিনি তখন সারা ভারতের অদ্বিতীয় প্রভাবশালী নেতা এবং শাসক। তিনি একদিকে সাহসী মুসলিম লীগ নেতা, অপরদিকে দুর্দান্ত কংগ্রেস নেতা। তিনি বাংলার অবহেলিত মানুষ তথা বাঙালি মুসলমানের স্বকীয় পরিচয় তুলে ধরেন এবং তাদের প্রতিষ্ঠিত করার প্রচেষ্ট চালান। কিন্তু তিনি কৃষকনেতা ছিলেন যেন পরাধীন বাংলার কৃষক শ্রমিক সাধারণ মানুষের জন্য খুব বেশি কিছু করার সুযোগ পাননি। কারণ তখনও সর্বব্যাপী বৃটিশ শাসন বলবৎ ছিল এবং সাথে ছিল জমিদার মহাজনদের সর্বগ্রাসী কর্তৃত্ব। সেটাকে উপেক্ষা করে রাতারাতি বাংলার অবহেলিত জনগণের জন্য খুব বেশি কিছু করার সুযোগ ছিল না।

তবে তিনি যে জমিদার মহাজনদের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিয়ে যান জমিদারী ও মহাজনী প্রথা বাতিল করে তাতে অনেক কাজ হয়। এর মধ্য দিয়েই বাংলার মানুষ ভিন্ন আলো দেখতে পায়। তারা স্বীয় বলে বলীদান হয় এবং স্বীয় মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন দেখে। কালক্রমে সেই স্বপ্নই একদিন সাফল্যের মুখ দেখে।

পূর্ববাংলা তথা বাংলাদেশ স্বাধীন হয় এবং ভারতবর্ষের একটি ভাষাভিত্তিক স্বাধীন জাতি হিসেবে স্বকীয়তা লাভ করে। বলা চলে এ আত্মপরিচয়ের প্রথম বীজ বপনকারী নেতাই হচ্ছেন বাংলার কৃষক প্রজা পার্টির নেতা একে ফজলুল হক।

তার বিশ্বাসের ধারাবাহিকতায় প্রেসিডেন্ট জিয়া বাংলার মানুষের দ্বারে দ্বারে যান এবং তাদের উজ্জীবিত করেন। সবাই জানেন জিয়ার জন্ম ভারতবর্ষের আধুনিক শহর কলকাতায়। আর তিনি বেড়েও ওঠে সেখানে। তিনি কাছে থেকে দেখেছেন বাংলার বাঘ একে ফজলুল হককে। দেখেছেন তার প্রভাব জনপ্রিয়তা এবং বাংলার পশ্চাৎপদ জনগণের জন্য তার উপচে পড়া ভালোবাসা। একবার খেলাধুলা সংক্রান্ত একটা দাবি নিয়ে বালক জিয়া তার দলবল নিয়ে হাজির হয়েছিলেন ফজলুল হকের বাসায়। অতঃপর তিনি সে দাবি আদায় করে ছাড়েন। হয়ত তখনই তিনি মনে মনে ভাবেন বড় হয়ে তিনি ফজলুল হকের মত জনবান্ধব নেতা হবেন এবং বাংলার অবহেলিত কৃষক মজুরের ভাগ্য বদলে ভূমিকা রাখবেন।

কার্যত কালক্রমে জিয়া নেতা হয়ে এলেন এবং ফজলুল হকের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করার মিশনে নেমে পড়লেন। তিনি সরাসরি কৃষকের কাছে গেলেন। তাদের হাতে হাত রাখলেন এবং নিজেদের উন্নতির মন্ত্রটা তাদের শিখিয়ে দিলেন। এই যে জিয়ার কথায় দেশের সাধারণ মানুষ আলোড়িত উজ্জীবিত হল শতবর্ষে আমরা এর তুলনা কোথাও দেখতে পাইনা।

শেরেবাংলা একে ফজলুল হকের রাজনৈতিক চিন্তা এবং বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সত্যের সৈনিক তত্ত্ব মূলত সংগ্রামী জননেতা জিয়াউর রহমানের মধ্য দিয়েই প্রতিফলিত হয়। তিনি হয়ে ওঠেন বাংলার পরিচয়হীন মর্যাদাহীন অভাবগ্রস্ত দারিদ্রপীড়িত বাঙালির আশার কেন্দ্রবিন্দু।

তিনি কৃষককে জাগালেন, আশাহীনকে আশা দিলেন, ভূমিহীনকে ভূমি দিলেন, শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলেন। সর্বোপরি ঘরে ঘরে আলোর প্রদীপ জ্বালিয়ে দিলেন। তিনি ম্যাক্রো লেবেল অর্থনীতির পাশাপাশি মাইক্রো লেবেল অর্থনীতির সার্থক রূপকার।

শহীদ জিয়া ভাবলেন বড় বড় শিল্প কারখানা থাকবে। শত শত বিঘা জমির জমির মালিকরাও থাকবে। তার পাশাপাশি থাকবে দেশের সাধারণ মানুষ। তাদের আর্থিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠা করা গেলে দেশে আপনার থেকেই গতি চলে আসবে।

তিনি সাধারণ চাষীদের মাঝে জামানতহীন ঋণ দিলেন। ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য করলেন এসএমই লোনের ব্যবস্থা। ফলে বাংলার খেটে খাওয়া মানুষ প্রথম টাকার মুখ দেখলো। তারা টাকার ঘ্রাণ শোঁকার সুযোগ পেলো। কোন কোন কৃষক চাষী সাংসারিক অনটনের কারণে ঋণের টাকা খরচ করে ফেললেও অধিকঅংশ লোকই তাদের টাকা ব্যবসায়িকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করে। তারা এ টাকা দিয়ে ছোট ছোট খামার গড়ে তোলে। কেউ করল পোলট্টি খামার, কেউ করল মৎস্য খামার, কেউ করল ছাগল গরুর খামার। কেউবা জমিতে অধিক ফসল ফলালো। হাইব্রিড শাক সবজি, ফল—ফলাদি উৎপাদন করে সাবলম্বী হয়ে গেল।

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যুব সমাজকে খুব গুরুত্ব দিতেন। তাদের মধ্যে সবুজ বিপ্লব ও স্বনির্ভর আন্দোলনের বীজ কানে ঢুকিয়ে দেন এবং স্বল্পসময়ে শর্ট কোর্সের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষিত করে তোলেন।

যাকে আমরা আজ যুব প্রশিক্ষণ বলি, যে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে আজ নারী পুরুষ সেলাই শিক্ষা থেকে সব রকম শিক্ষা হাতে—কলমে দিয়ে থাকে, সেটা জিয়ার স্বনির্ভর আন্দোলনের পথ ধরেই শুরু হয়। তিনি যুবক ও যুব মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিয়েই ক্ষান্ত হলেন না, সহজশর্তে লোন পাবার ব্যবস্থা করলেন। ফলে গ্রামের বেকার যুবকরা এতদিন পর একটা কাজ পেয়ে গেল। যে যেই কাজ পছন্দ করল সে সেই কাজে নেমে পড়ল।

এখানেই শেষ হল না, স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে শুরু হল খাল খনন, হাজামজা পুকুড় ও ডোবানালা পরিষ্কার করণ। কেউ খালি জায়গায় বৃক্ষ রোপন করল। ফসলী জমিতে তিনবার ফসল উৎপাদন করার জন্য দলমত জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সবাই নেমে পড়ল। সকলে তাদের কর্মের ফল দেখে খুশি হল। ঘরে ঘরে আনন্দের ছয়লাব বয়ে গেল।

কী হলে কী করতে হবে এই প্ল্যান জিয়ার মাথায় ছিল। বন্যা হলে কৃষকের ফসল নষ্ট হয়। সেই বন্যা থেকে কিভাবে কৃষককে উদ্ধার করা যায়, খরায় ফসল হানি হলে কিভাবে খাদ্যের ঘাটতি দূর করা যায়, এ পরিকল্পনা তার মাথায় ছিল। তিনি বিশেষজ্ঞদের ডেকে তাদের মতামত নিতেন এবং বিপর্য়য়কর অবস্থা থেকে কৃষককে উদ্ধার করতেন। অন্য প্রকৃয়ায় ঐ অঞ্চলের খাদ্য ঘাটতি দূর করার চেষ্টা করতেন।

১৯৭৪ সালের মহাদুর্ভিক্ষ তিনি স্বচক্ষে রেখেছেন। সেই দুর্ভিক্ষে লাখ লাখ মানুষ খাদ্যের অভাবে মৃত্যুবরণ করে। কী কারণে সে দূর্ভিক্ষ হয়েছিল সেটা সকলে জানেন। এরকম সম্ভাব্য খাদ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে খরা এবং বন্যার কারণে। তিনি আগে থেকেই তার প্রতিকার প্রতিরোধের ব্যবস্থা করে রাখতেন। ফলে তার শাসনামলে বন্যা, খরা, অতিমারির মত প্রাকৃতিক প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও কখনো ভয়ানক খাদ্যঘাটতি দেখা যায়নি এবং মানুষ না খেয়ে মারা যায়নি। হাড় জিরজিরে কংকালসার মানুষকেও আর খাদ্যের আশায় লঙ্গরখানায় দিনের কথা দিন লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়নি।

তিনি মানুষকে বাঁচানোর জন্য তাদের উৎপাদনের দিকে নজর দিতে উৎসাহিত করেন। দুর্নীতি বন্ধ করেন এবং বন্টন ব্যবস্থা স্বচ্ছ রাখেন। তাছাড়া তিনি অন্যের উপর দায়িত্ব দিয়েই ক্ষান্ত থাকতেন না। প্রতি মহূর্তে কাজের অগ্রগতির প্রতি লক্ষ্য রাখতেন এবং খোঁজ খবর নিতেন। তিনি কাউকে দায়িত্ব দেয়ার আগে বুঝে নিতেন কাজটা সে বুঝে কিনা, দায়িত্ব পালনে সক্ষম কিনা। উপযুক্ত লোক না পেলে তিনি দক্ষ লোক খুজে বেড়াতেন। দেশে বিদেশে কোথাও দক্ষ লোক দেখলেই তাকে আগ্রহী হয়ে ডেকে আনতেন এবং দেশের স্বার্থে কাজ করতে উৎসাহ দিতেন।

তাকে যদি কেউ একটা ভাল প্ল্যান দিতে পারতো, তিনি সাথে সাথে সেটা গ্রহণ করতেন এবং বলতেন আপনিই কাজটা শুরু করুন। বলুন আমার কী করতে হবে, জিয়া নিজে একজন সৃষ্টিশীল মানুষ ছিলেন, সৃজনকর্মে তার উৎসাহের কুলকিনারা ছিল না। সেই সৃজন কর্মটা যদি দেশের স্বার্থে মঙ্গলজনক মনে করতেন, তিনি উদারচিত্তে সেটা গ্রহণ করতেন এবং সেভাবে বাজেট দিয়ে লোকদের কাজে নামিয়ে দিতেন।

সবচেয়ে বেশি পছন্দ করতেন জানতে এবং জানাতে শিখতে এবং শেখাতে। জানার জন্য মানুষের কাছে যেতেন। মওলানা ভাসানী সহ অভিক্ষ রাজনীতিবিদদের কাছে নিজে স্বশরীরে যেতেন, কখনো বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছে ডেকে মততামত জানতে চাইছেন আর জানানোর জন্য উন্মুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। জেলায় জেলায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলেন।

আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এমন যে এখানে হাতে কলমে কিছুই শেখানো হয় না। বৃটিশ পদ্ধতির শিক্ষা কাঠামোর উদ্দেশ্য ছিল কেরানি বা হুকুমের দাস তৈরি করা। কর্তৃত্বকারী নেতা তৈরি করা নয়। ফলে এ শিক্ষাব্যবস্থা দ্বারা একটা স্বাধীন দেশ চলতে পারে না। এটা প্রথম উপলব্ধি করেছিলেন রাষ্ট্রনায়ক জিয়া। কিন্তু ইচ্ছে করলেই তো রাতারাতি পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তন করে দেশের তরুণ—যুবকদের কর্মমুখী করা যায় না।

তিনি তাদের মানসিক পরিবর্তনের জন্য ঘরে ঘরে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলেন। যুব মন্ত্রণালয় বা যুব অধিদপ্তর সৃষ্টি করে তাদের দায়িত্ব দিলেন। যুবকদের নির্দিষ্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের কার্যমুখী করে তোলেন। এ কাজে তিনি অনেকদূরে সফলও হয়েছিলেন। তিনি সামরিক আমলা ছিলেন। তার সাথে একজন রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাও ছিলেন। তিনি দেখলেন এ দেশের দামাল ছেলেরা দেশ স্বাধীন করার জন্য কেমন উদগ্রীব। দেশ স্বাধীন করার জন্য তারা প্রাণ হাতে নিয়ে লড়তে পারে। তাদের যখন প্রয়োজন ছিল সামান্য অস্ত্র প্রশিক্ষণের। তিনি সাবেক সামরিক কর্মকর্তাদের দিয়ে নবাগত তরুণদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলেন।

বেশি গুরুত্ব দিলেন আগ্রহী তরুণদের এবং কালুরঘাটে ক্যাম্প স্থাপন করে নির্দেশ দিলেন তরুণ যুবক, যারা নিজে থেকে আগ্রহী হয়ে যুদ্ধ করার জন্য এগিয়ে আসবে তাদের নিয়োগ দিতে। তার মধ্যে বেশি গুরুত্ব দেয়া হল শিক্ষিত এবং উচ্চতায় ৫.৫ ফিটের লম্বা তরুণদের। এভাবেই তিনি একেবারে আনকোরা নবীনদের নিয়ে একটা বাহিনী গঠন করে ফেললেন।

জিয়া অন্য দেশ বা অভিজ্ঞ সামরিক লোকদের দিকে তাকিয়ে থাকলো না। যা হাতের কাছে পেলেন, তা দিয়েই শুরু করলেন। আগ্রহীদের প্রশিক্ষণ দিলেন। যাদের আরও বেশি প্রশিক্ষণ দরকার তাদের পাঠিয়ে দিলেন দেশের বাইরে। এভাবেই সামান্য অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিয়েই তিনি তার সোলজারদের প্রস্তুত করে ফেললেন।

তিনি দেশ গড়ার জন্য যুবক ও যুব মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিয়েই থামলেন না, তিনি ইমাম মুয়াজ্জিনদের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করলেন। বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলেন। প্রশিক্ষণের জন্য তাদের থাকা খাওয়া ও ভাতার ব্যবস্থা করলেন। ফলে সকলেই বিনা ব্যয়ে প্রশিক্ষণ নিতে এগিয়ে এলো। প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা গ্রামেগঞ্জে ছড়িয়ে পড়লো। তারা নিজেরাও প্রশিক্ষিত হলো এবং তা থেকে ছবক নিয়ে গ্রামের সাধারণ মানুষের মানসিক গঠনে সাহায্য করলো।

তিনি গ্রামেগঞ্জে নানা স্তরের মানুষকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনলেন। তার মধ্যে কতককে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিলেন। তাদের কেউ হল আনসার, কেউ হল ভিডিপি, কেউ প্রাথমিক চিকিৎসক। গ্রামের রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার জন্য তরুণদের একাংশকে ডাক্তারি প্রশিক্ষণ দিলেন। খেলাধুলার ক্ষেত্রেও একই কাজ করলেন। ফুটবল ও ক্রিকেটে উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য কতক খেলোয়াড়কে দেশের বাইরে পাঠালেন। আবার দেশের বাইরে থেকে অতি দক্ষ খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষক হিসেবে দেশে এনে সম্ভাবনাময় আগ্রহী তরুণদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলেন। এভাবে দেশের খেলাধূলায়ও একটা প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হল।

আবহমান কাল থেকে এখানে প্রাকৃতিকভাবে গরু ও ছাগল উৎপাদন বেশি হয়েছে। সে তুলনায় ভেড়া দুম্বা বা উটের উৎপাদন হয়নি বললেই চলে।

অনেক বছর আগে আমি ঢাকার আরামবাগের পীর দেওয়ানবাগীর দুম্বা ও উট নিয়ে চ্যানেল ওয়ানে একটা প্রতিবেদন করেছিলাম। সেখানে বলা হয়েছিল এখানে গরুর চেয়ে ভেড়া দুম্বা বা উট পালন করা সহজ। কারণ একটা গরুর যে পরিমান খাবার লাগে। তার অর্ধেক খাবারে উটের চাহিদা পূরণ হয়। একইভাবে ভেড়া বা দুম্বা পালতেও শ্রম কম লাগে। কেবল পরিবেশটা বালুময় করে দিতে হয়। কিভাবে তিনি উট দুম্বার চাষ করে অনেক বেশি লাভবান হয়েছেন। তার বর্ণনা ও তুলে ধরেন। আমরা সরেজমিন গিয়ে উট ও দুম্বার খামার দেখেছি। একই প্রক্রিয়ায় যদি গরু ছাগল হাঁস মুরগির পাশাপাশি উট, ভেড়া এবং দুম্বার চাষ করা যায় তবে অল্প খরচে অনেক বেশি লাভবান হওয়া যায়।

শর্ত হচ্ছে সরকার নিজে থেকে উদ্যোগ না নিলে কেউ ব্যক্তিগতভাবে এত বড় ঝুঁকি নিবে না। পরীক্ষার সফল হলে এ প্রকল্প দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। জিয়াউর রহমান এতদিন বেঁচে থাকলে আমরা এসবের চাষে অনেক বেশি এগিয়ে থাকতে পারতাম। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মানুষকে কালো ছাগল পালার ব্যাপারে গ্রামেগঞ্জে গিয়ে উৎসাহ দিতে থাকেন। অনেক বিধবার হাতে কালো ছাগল তুলে দেন, যাতে সে ছাগল পালন করে স্বাবলম্বী হতে পারে। আমার ধারণা তিনি প্রধানমন্ত্রী দায়িত্বে আসার পর এ কাজটা পুনরায় জোরালোভাবে শুরু করতে পারেন।

আমাদের দেশে যশোর কুষ্টিয়াতে বেশি পরিমাণে সাজনার উৎপাদন হয়। পরীক্ষা করে দেখা গেছে গাজীপুর সহ প্রায় সারা দেশে সাজনা গাছ করা যায়। আর সাজনা এমন একটি গাছ যার ফল, পাতা এবং ছাল পুরোটাই কাজে লাগে। পৃথিবীতে এর চাহিদা প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার। আমাদের দেশে ডাল দিয়ে সাজনা রান্না করে খাবার প্রচলন আছে। এই সাজনা স্বাস্থ্যের জন্য অমূল্য সম্পদ। হরেক রকম রোগের উপশমকারী। অথচ এর উৎপাদন বৃদ্ধি করা গেলে দেশের চাহিদা পূরণ করে কোটি কোটি টাকার সাজনা বিদেশে রপ্তানি করে যায়। বর্তমান সরকার নানারকম মসলা উৎপাদনের দিকে নজর দিতে পারে। মসলা উৎপাদন করে দেশের মানুষকে আমদানি নির্ভরতা থেকে বের করে আনতে পারে। তাতে প্রতিবছর কয়েক বিলিয়ন ডলার রক্ষা পায়।

সকলের জানা থাকার কথা, জিয়াউর রহমান সিলেটে প্রথম কমলা চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি কৃষি বিভাগের অভিজ্ঞ লোকদের ডেকে কমলা উৎপাদনের দায়িত্ব দেন। উৎসাহ দিয়ে বলেন এখানে পেয়ারা চাষ হলে কমলা কেন হবে না। আপনারা চেষ্টা করে দেখুন। সংশ্লিষ্ট লোকজন নিতান্তই অনাগ্রহ নিয়ে কমলা চাষ শুরু করে। দু’বছর পর খোঁজ নিয়ে জানা গেল একটা গাছে কয়েকটা কমলা ধরেছে। সে কমলার ২—৩ টি তাকে এনে দেখানো হয়। তিনি নিজ দেশে কমলা উৎপাদিত হতে দেখে বেজায় উৎসাহিত হন। বলেন— হবে। আমাদের দেশে সবই হবে। আমার সন্দেহ ছিল হয় কিনা। বোঝা গেল যত্ন করলে এখানে কমলাসহ বিভিন্ন জাতের ফল উৎপাদিত হতে পারে। তাহলে বিদেশ থেকে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করে ফল আমদানির প্রয়োজন হয় না। কার্যত কয়েক বছরের ব্যবধানে দেখা গেল সিলেট এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে কমলা মাল্টা সহ নানারকম ফল উৎপাদিত হচ্ছে। কৃষি বিভাগের লোকজন সেখানে কাজুবাদাম সহ নানা রকম মসলার চাষ করছে। তাতে তারা বেশ সফলও হয়েছে। প্রয়োজন সাহসী উদ্যোগের। উদ্যোগ নিতে জানতেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। দুঃসাহসী মানুষ ছিলেন তিনি। এখানেই জিয়াউর রহমানের সাথে অন্যদের পার্থক্য।

আমাদের দেশের এনজিও গুলি অনেকদিন থেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে আছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের সময় বড় বড় কয়েকটি এনজিও রেখে বাকিগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। নানান শর্তের বেড়াজালে আবদ্ধ করার ফলে এনজিও গুলি কর্ম তৎপরতা ছোট হতে থাকে। তার ওপর দাতাদেশ ও সংস্থা থেকে যে প্রক্রিয়ায় ফান্ড সংগ্রহ করা যেতো সরকার সেখানেও খবরদারি শুরু করে। এমন কঠিন শর্তারোপ করতে থাকে যে, এক পর্যায়ে বাইরে থেকে ফান্ড আসা বন্ধুই হয়ে যায়। এতে মাইক্রো লেবেলে অনেকে চাকরি হারায়। তাদের আয় বন্ধ হয়ে যায়। তাতে এনজিও সংশ্লিষ্ট লোকদের ক্রয় ক্ষমতা কমে যায়। এদিকে বর্তমান সরকারের নজর দিতে হবে, যেমন নজর দিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

যখন সাধারণ মানুষের উন্নতি হয় তখন দেশের উন্নতি হয়। সাধারণ মানুষের আয় বাড়লে দেশও এগিয়ে যায়। তাদের উন্নতির জন্য মাইক্রো লেবেল অর্থনীতিকে সহজ করে দিতে হবে। তাহলে সাধারণ মানুষের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। তাতে দেশে প্রকৃত উন্নয়ন হয়েছে বলে ধরে নেয়া যাবে। নতুবা আগের চালবাজ সরকারের মত সবকিছুকে ফাঁকা আওয়াজ বলেই মনে হবে।

আগেই বলেছি ”কি হলে কি করতে হবে” বা ‘কি করলে কি হবে’ সেটা জিয়া আগেই ঠিক করে রাখতেন। তিনি কৃষক পঞ্জিকাও তৈরি করেছিলেন। পঞ্জিকায় উল্লেখ থাকতো কোন সময় কোন ফসল আসবে বা কখন কোন ফসল লাগালে ফলন ভালো হবে।

প্রাচীন মিশরে দুর্ভিক্ষ হবে বলে নবী ইউসুফ আগে ভাগে পর্যাপ্ত খাবার মওজুদ করে রেখেছিলেন। জিয়াউর রহমানও এলাকায় এলাকায় গুদাম তৈরি করেন। যাতে ফলনের সময় স্বল্প মূল্যে খাদ্য কিনে মওজুদ করে রাখা যায়। ৭৪ সালের মতো দুর্ভিক্ষ যাতে সহজে ঠেকানো যায়। এ দেশে ৭৪ এর দুর্ভিক্ষ আর না লাগে তার জন্য আগে থেকেই তিনি প্রস্তুতি গ্রহণ করে রেখেছিলেন। বর্তমানে সে অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। তবু বলা যায় সাবধানের মাইর নাই।

আগে থেকে কেউ কি জানতো ইরান বনাম আমেরিকা যুদ্ধ হবে। তার জন্য আমাদের দেশে সীমাহীন জ্বালানী সংকট দেখা দিবে। অথচ এই সংকট হঠাৎ করে দেখা দিল। আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে আসেনি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ তিনি ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি মোকাবেলা করছেন । তাকে অবশ্য এরজন্য তাকে দায়ী করা যায় না। তিনি যুদ্ধের মাত্র একমাস আগে দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি কী করতে পারতেন? কিছুই না। উচিত ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের সতর্ক হওয়া। যদি তারা যথাসময়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারতেন তাহলে বর্তমানে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে সেটা হতো না।

আমার কাছে একটা ফর্মুলা আছে। ৪০ কোটি টাকা পেলে আমি ২০ লাখ লোকের স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারি। আশা করি বর্তমান সরকার দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে মাইক্রো অর্থনীতির দিকে বিশেষভাবে নজর দিবেন।

একজন কবি যেমন তার কবিতার মধ্য দিয়ে নতুন আইডিয়া তুলে ধরেন, তেমনি একজন বিজ্ঞানীও নববস্তু আবিষ্কারের জন্য সদা ব্যাপৃত থাকেন। তার মতই একজন জননেতাও প্রতিমুহূর্তে অনুসন্ধানী মানসিকতা নিয়ে বিচরণ করেন। তিনি কেবল সমস্যা সমাধানই দেন না। মনোযোগ দিয়ে মানুষের বক্তব্যও শুনেন এবং তাদের বক্তব্যের মধ্য দিয়েই সমাধান খুঁজে বের করে ফেলেন। একজন দক্ষ শাসকও তার বুদ্ধিমত্তা ও বিচক্ষণতা দিয়ে বাস্তবে একটি নতুন আইডিয়াকে রূপদানের চেষ্টা করেন।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন সেরকম একজন তেজস্বী সৃজনশীল শাসক। তার সেই অনুসন্ধানী মানসিকতার জন্যই তিনি একজন সৃজনী শাসক হিসেবেও পরিচিত। আপনি যেখানেই হাত দিবেন, সেটা সংস্কৃতি হোক খেলা বা শিক্ষা হোক বা সাহিত্য, সর্বত্রই ছিল তার সরব পদচরনা। তাকে যদি ২০ লাখ মানুষ আর ৪০ কোটি টাকার ফর্মুলাটা বলা যেতো তিনি সেটা গ্রহণ করে সাথে সাথে বলতেন আমি টাকার যোগান দিচ্ছি আপনি আপনার কার্যক্রম শুরু করুন। এমনই উদ্যোগী ছিলেন জিয়াউর রহমান।

কালাম ফয়েজী
কবি ও সাংবাদিক।

১২/০৪/২০২৬

আরও লেখা পড়ুন।

ভোলার গ্যাস জাতীয় সম্পদ – কালাম ফয়েজী

আরও পড়ুন।

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বনাম আমলাতান্ত্রিক জটিলতা – কালাম ফয়েজী

আরও পড়ুন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! ত্যাগীদের সহযোগিতা দিন আপনি তাদের অভিভাবক – কালাম ফয়েজী

আরও পড়ুন।

জ্বালানি সংকটে অবশ্য করণীয় – কালাম ফয়েজী

আরও সংবাদ পড়ুন।

৪৮৩.৪৩ কোটি টাকার পাঁচ প্রকল্প অনুমোদন

আরও সংবাদ পড়ুন।

‘বেটার’ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আরও পড়ুন।

২০২৮ সাল মধ্যে ভোলায় ১৯টি গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা আছে – বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী  

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর গ্রুপের সিইও’র সৌজন্য সাক্ষাৎ  

আরও সংবাদ পড়ুন।

দল ও মতের ঊর্ধ্বে থেকে দেশকে ধারণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী  

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপি আজ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করছে

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধানমন্ত্রী’র সঙ্গে বিমান বাহিনীর প্রধানের সাক্ষাৎ

আরও সংবাদ পড়ুন।

৪৮৩.৪৩ কোটি টাকার পাঁচ প্রকল্প অনুমোদন

আরও সংবাদ পড়ুন।

‘বেটার’ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আরও সংবাদ পড়ুন।

ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা থাকলে দেশে-বিদেশে বাংলাদেশের বিজয় অব্যাহত থাকবে : প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

টানা প্রায় ১৬ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

সরকারি ব্যয় সংকোচন, অফিস সময় কমানো ও সন্ধ্যা ৬টার পর মার্কেট বন্ধের সিদ্ধান্ত

আরও সংবাদ পড়ুন।

সংসদ অধিবেশন চলাকালেও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের প্রতি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী’র জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

আরও সংবাদ পড়ুন।

নেতাকর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আরও সংবাদ পড়ুন।

জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্য চরিত্র : প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

ক্রীড়াঙ্গনকে পেশাদার রূপ দিতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আরও সংবাদ পড়ুন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা

আরও সংবাদ পড়ুন।

কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষ ও অন্যান্য দুর্ঘটনায় হতাহতের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

আরও সংবাদ পড়ুন।

একসঙ্গে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আরও সংবাদ পড়ুন।

ঈদের দিন সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

দিনাজপুরে কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

খাল খনন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

লাইলাতুল কদর উপলক্ষ্যে বিশ্বের সকল মুসলমানকে শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন৷

সকল ধর্মের মানুষের জন্য শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

আরও সংবাদ পড়ুন।

এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের সংসদ: প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া রোধে সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের বৈঠক

আরও সংবাদ পড়ুন।

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করার উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আরও সংবাদ পড়ুন।

১৪ মার্চ সারাদেশে ইমাম মোয়াজ্জিনদের মাসিক ভাতা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

সরকার সকল স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

উন্নত দেশের বিমান বন্দরের মতো ফ্রি ওয়াইফাই চালু করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আরও সংবাদ পড়ুন।

রাজধানীতে নারীদের জন্য বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আরও সংবাদ পড়ুন।

রাজধানীতে নারীদের জন্য বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আরও সংবাদ পড়ুন।

ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি ছুটির দিনেও অফিস করলেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন: ডা. জাহিদ হোসেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

আগামী ৫ বছর জনগণের পা ধরে থাকবেন – বরিশালে তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপি’র ৫৯ বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রার্থীদের প্রচারণাসংক্রান্ত সাত দফা নির্দেশনা বিএনপি’র

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

সামনে আমাদের অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ : বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান হলেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

বেগম জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোকবার্তা হস্তান্তর

আরও সংবাদ পড়ুন।

তারেক রহমানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ নিয়োগ পেলেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে নাতনি জাইমাসহ স্বজনদের শ্রদ্ধা  

আরও সংবাদ পড়ুন।

পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন

আরও সংবাদ পড়ুন।

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস

আরও সংবাদ পড়ুন।

বেগম খালেদা জিয়া আর নেই  

আরও সংবাদ পড়ুন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক

আরও সংবাদ পড়ুন।

তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা

আরও সংবাদ পড়ুন।

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ কানায় কানায় পূর্ন; খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি

আরও সংবাদ পড়ুন।

আমার জন্য ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সবাই দোয়া করবেন – তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপি’র নতুন তালিকা প্রকাশ; বাদ পড়লেন কোন কোন প্রার্থী

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন তারেক রহমানের

আরও সংবাদ পড়ুন।

বাবার কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই – তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

ইনশাআল্লাহ, আমি আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে যাবো: তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর২০২৫ দেশে ফিরছেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়া আইসিইউতে চিকিৎসাধীন – ডা. জাহিদ

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়ার অবস্থা আগের মতোই: ডা. জাহিদ

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রায় সঙ্গী হতে ঢাকায় পৌঁছেছেন পুত্রবধূ ডা.জুবাইদা রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সারাদেশে দোয়া ও প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছে সরকার

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে এভারকেয়ারে প্রধান উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

তিন বাহিনীর প্রধানগণ খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত

আরও সংবাদ পড়ুন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

শেখ হাসিনা পরিকল্পিতভাবে গণমাধ্যমের জায়গাটা ধ্বংস করে দিয়েছে – মির্জা ফখরুল ইসলাম

আরও সংবাদ পড়ুন।

হাসিনার রায়ে ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে’: বিএনপি

আরও সংবাদ পড়ুন।

গণতন্ত্রকে আবারও ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপি’র ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা-খালেদা জিয়া লড়বেন তিন আসনে, তারেক রহমান একটিতে

আরও সংবাদ পড়ুন।

আমি খুব পরিষ্কার বলতে চাই, আমরা নির্বাচন করব, নির্বাচন করতে চাই : মির্জা ফখরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

আমি খুব পরিষ্কার বলতে চাই, আমরা নির্বাচন করব, নির্বাচন করতে চাই : মির্জা ফখরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

নির্বাচনের আগে গণভোট অপ্রয়োজনীয় ও অযৌক্তিক: মির্জা ফখরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

নিজামী-মীর কাসেম-সালাউদ্দিন কাদেরকে মিথ্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে: মির্জা ফখরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

জিয়াউর রহমানের সমাধি জিয়ারত করলেন বেগম খালেদা জিয়া

আরও সংবাদ পড়ুন।

আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস বিএনপি একা সরকার গঠন করবে: তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

৭ হাজারের বেশি সদস্যের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে : তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

আজ বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মবার্ষিকী

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরছেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

গণহত্যার জন্য শুধু হাসিনা নয়, আওয়ামী লীগেরও বিচার হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়া গুম-খুনের বিচার ও শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানালেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস’কে তারেক রহমানের জন্মদিনের শুভেচ্ছা

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়া স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরছেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে বৈঠক

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপি বুলু ও দুদুকে সতর্কীকরণ নোটিশ দিল

আরও সংবাদ পড়ুন।

তারেক রহমান দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

তারেক রহমান সব মামলা থেকে খালাস

আরও সংবাদ পড়ুন।

সরকারকে চাপে রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত বিএনপির, লক্ষ্য নির্বাচন

আরও সংবাদ পড়ুন।

পরিস্থিতি ‘অযথা ঘোলাটে’ না করে নির্বাচনের তারিখ দেওয়ার আহ্বান তারেক রহমানের

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়া হিথ্রো বিমানবন্দরে; বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়া কাতার আমিরের এয়ার এম্বুলেন্সে দেশে ফিরবেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

৫ মে দেশে ফিরছেন বেগম খালেদা জিয়া

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপি বড় সমাবেশ ডেকেছে

আরও সংবাদ পড়ুন।

বাংলাদেশি জাতিসত্তার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নববর্ষ উদ্যাপন: তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে নেই জিয়াউর রহমানের নাম, হতাশ বিএনপি

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে মতামত জমা দিয়েছে

আরও সংবাদ পড়ুন।

পলাতক স্বৈরাচারের দোসরদের পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া যাবে না : তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপিকে আবারও এক এগারোর মতো মিডিয়া ট্রায়ালের মুখোমুখি করা হচ্ছে: তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠক – সংস্কারের কথা সবার আগে বলেছে বিএনপি: মির্জা ফখরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

মাহে রমজান সবার জীবনে বয়ে আনুক শান্তি-সুখের বার্তা – তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

ফ্যাসিস্টরা এখনও জুলাই আন্দোলনের অর্জনকে নস্যাৎ করতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে – খালেদা জিয়া

আরও সংবাদ পড়ুন।

এই সরকারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে: তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

দোষী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়া নাইকো দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস; ৫ আগস্টের পর ৩৭টি থেকে খালাস পেলেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

তারেক রহমান তৃণমূল নেতাদের কথা শুনবেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

সংস্কার বাস্তবায়ন করতে নির্বাচন ছাড়া রাস্তা নেই: তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন ১০ বিষয়ে একমত

আরও সংবাদ পড়ুন।

তারেক রহমানের বাসায় ফিরতে পারেন খালেদা জিয়া

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়ার লিভার প্রতিস্থাপন সম্ভব হচ্ছে না

আরও সংবাদ পড়ুন।

তারেক রহমান ২০ টাকা দিয়ে প্রাথমিক সদস্য পদ নবায়ন করলেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী আজ

আরও সংবাদ পড়ুন।

বৈঠকে মেডিকেল বোর্ড – খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাইলেন তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়া নিজে নিজে হাঁটতে পারছেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

বেগম খালেদা জিয়ার শারিরীক অবস্থা স্থিতিশীল

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপি নতুন কাউকে দলে নেবে না

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শুরু

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়া লন্ডন গেলেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

অর্ধ যুগের বেশি সময় পর দেখা হবে মা ও ছেলের

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে সস্ত্রীক সাক্ষাৎ সেনাপ্রধানের

আরও সংবাদ পড়ুন।

জান প্রাণ দিয়ে জনআস্থা ধরে রাখতে হবে : তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

কেউ যেন দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে না পারেন: তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

এই মিছিল স্বাধীনতা ও নিজেদের অধিকার রক্ষার মিছিল – তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

৭ নভেম্বরের চেতনায় সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে : তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়ার লন্ডনে যাওয়ার ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপি চারটি মহানগর এবং পাঁচটি জেলায় নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপিই প্রথম সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিল – তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

আওয়ামী লীগের দোসরদের দায়িত্বে রেখে সরকারের উদ্যোগ সফল হবে না: তারেক

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপির ৩ টি কমিটি বিলুপ্ত

আরও সংবাদ পড়ুন।

যত দ্রুত নির্বাচন হবে, ততই দেশের মঙ্গল: মির্জা ফখরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

একটি মহল অন্তর্বর্তী সরকারকে অনির্দিষ্টকাল ক্ষমতায় রাখতে চায় – মির্জা ফখরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া – বিএনপির আগামীকাল রোববারের সমাবেশ হচ্ছে না

আরও সংবাদ পড়ুন।

ঐক্য ধরে রাখতে পারলেই ছাত্র-জনতার বিজয় সুসংহত হবে : বিএনপি মহাসচিব

আরও সংবাদ পড়ুন।

৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কর্মসূচি

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করতে আসলে ধরে পুলিশে দিন : মির্জা ফখরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কর্মসূচি

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের রোডম্যাপ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি: মির্জা ফখরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

কী করতে চান, দ্রুত জনগণের সামনে উপস্থাপন করুন: প্রধান উপদেষ্টাকে ফখরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

পরাজিত অপশক্তির ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই : তারেক রহমান

আরও সংবাদ পড়ুন।

শৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স – বিএনপি

আরও সংবাদ পড়ুন।

আগামীকাল বুধবার ছাত্রদলের বিক্ষোভ

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়া বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় পর্যবেক্ষণে

আরও সংবাদ পড়ুন।

খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি পন্থি শিক্ষকদের বিবৃতি

আরও সংবাদ পড়ুন।

কোটাবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে একমত বিএনপি

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিএনপি’র ৩ দিনের কর্মসূচি – ঢাকাসহ মহানগর ও জেলায় সমাবেশ

আরও সংবাদ পড়ুন।

নো ওয়েজ বোর্ড, নো মিডিয়া

আরও সংবাদ পড়ুন।

তিন সাংবাদিক আদালতে আইনজীবীদের হেনস্তার শিকার।

আরও সংবাদ পড়ুন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্যপদ স্থগিত বাসস এমডি মাহবুব মোর্শেদের

আরও সংবাদ পড়ুন।

সচিবালয়ে সাংবাদিকরাও ঢুকতে পারবেন না

আরও সংবাদ পড়ুন।

স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধকতা দূর করার আহ্বান সম্পাদক পরিষদের

আরও সংবাদ পড়ুন।

বাসস এমডি মাহবুব মোর্শেদসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আরও সংবাদ পড়ুন।

সভাপতি আলাউদ্দিন আরিফ সাধারণ সম্পাদক তাবারুল র‌্যাকের (RAC)

আরও সংবাদ পড়ুন।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিরোধী কালাকানুন বাতিলের দাবি সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের

আরও সংবাদ পড়ুন।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সভাপতি আবু সালেহ ও সম্পাদক সোহেল

আরও সংবাদ পড়ুন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া

আরও সংবাদ পড়ুন।

আজ দুদকের সামনে গণমাধ্যম কর্মিদের বিক্ষোভ।

আরও সংবাদ পড়ুন।

র‌্যাকের সভাপতি ফয়েজ, সম্পাদক জেমসন নির্বাচিত হয়েছেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

ডিআরইউ’র সভাপতি মুরসালিন নোমানী সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল

আরও সংবাদ পড়ুন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছুই পরিবর্তন হয়নি – টিআইবি

আরও সংবাদ পড়ুন।

সাইবার আইন অনুমোদনে বিএফইউজের উদ্বেগ

আরও সংবাদ পড়ুন।

যে সকল সাংবাদিকদের বহিষ্কারের দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র অন্দোলনের

আরও সংবাদ পড়ুন।

এসিআরএফ’র আত্মপ্রকাশ – আহ্বায়ক তাওহীদ সৌরভ ও সদস্য সচিব রিশাদ হুদা

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল ২৯ সাংবাদিকের

আরও সংবাদ পড়ুন।

২০ সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল

আরও সংবাদ পড়ুন।

ব্যাংক হিসাব তলব ২৬ সাংবাদিকসহ ২৯ জনের

আরও সংবাদ পড়ুন।

বাংলাদেশ মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে ১৬৫তম; দুই ধাপ পিছিয়ে গতবারের চেয়ে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top