অতিশয় দুঃখের সাথে ও ভারাক্রান্ত মনে কথাগুলো বলছি। বলছি কাউকে খোঁচা দেয়ার জন্য নয় বরং সতর্ক করার জন্য। যার উদ্দেশ্যে বলছি লেখাটা যদি তার নজরে পড়ে তাহলে বলব আমার শ্রম সার্থক।
বছরে দু ঈদে বিএনপি চেয়ারম্যান দলীয় নেতাকর্মীসহ ভক্ত শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকার দেন এবং সালাম গ্রহণ করেন। যেমন ব্রিটিশ রাজপরিবার দেশের নাগরিকদের বিশেষ দিনে সাক্ষাৎকার দিয়ে থাকেন। ব্রিটিশ নাগরিকরা বাকিংহাম প্যালেসের সামনে এসে অবস্থান নেয়। তারপর রাজা-রানী হাত নেড়ে উপস্থিত সকলের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
আমি জিয়াউর রহমানের সময়কার কথা বলতে পারব না তিনি ঈদের দিন শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন কিনা।
হয়তো বঙ্গভবনে তিনি বিশিষ্টজনের সাথে দলীয় নেতাদেরও সাক্ষাৎ দিতেন। কিন্তু দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঈদের দিন লেডিস ক্লাব বা বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে দিনের এক সময় আসতেন এবং বিকেল পর্যন্ত উপস্থিত থেকে নেতাকর্মীদের সালাম ও শুভেচ্ছা গ্রহণ করতেন।
তিনি জেলে যাবার আগ পর্যন্ত এই সিলসিলা বলবৎ ছিল। আমরাও বহু দূর দুরান্ত থেকে গিয়ে ম্যাডামকে সালাম দিয়ে যারপরনাই আনন্দিত হতাম এবং নিজেদের কৃতার্থ ভাবতাম। উছিলায় দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীদের সাথে আমাদের সাক্ষাৎ, কোলাকুলিও শুভেচ্ছা বিনিময় হয়ে যেতো। এটা ছিল একটা রেওয়াজ এবং আমাদের কাছে পরমানন্দের বিষয়। একবার আমি ঈদের বন্ধে গ্রামের বাড়ি ছিলাম। সেবার আমার মনে হয়েছিল আমার ঈদের আনন্দটাই অপূর্ণ থেকে গেছে।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সালাম দিতে পারলে মনে হতো পরম মমতাময়ী মা-কে সালাম দিয়েছি। তরুণ বয়সে একটা প্রেমের ছবি দেখে বাড়ি ফেরার সময় যে আনন্দ নিয়ে ফিরতাম, ম্যাডাম জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ঘরে ফেরার সময়ও আমরা সেই আনন্দ অনুভব করতাম। কিন্তু গত কয়েক বছর সেই সালাম দেয়া থেকে আমরা বঞ্চিত থাকলাম আওয়ামী দুঃশাসনের কারণে। এ জন্য আমাদের মনে সালাম দেয়ার একটা হাহাকার অনেকদিন থেকে বিরাজমান ছিল। আমরা মনে করেছিলাম আমাদের স্বপ্নের সুপুরুষ জনগণের কাঙ্খিত নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সালাম দেয়ার মধ্য দিয়ে এবার আমাদের মনের হাহাকার দূর হবে।
বিগত বছরগুলিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা কি রকম অবর্ণনীয় কষ্ট করেছে, নিপীড়ন নির্যাতন সহ্য করেছে সেটা সকলের জানা। তার জন্য তারা এখনই কোন প্রতিদান চায় না, দাবি দাওয়া নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর সম্মুখে হাজির হতে চায় না। বরং এই মুহূর্তে তারা তাকে একটু স্বচক্ষে দেখেই তৃপ্ত হতে চায় এবং মনে সান্ত্বনা নিয়ে ঘরে ফিরতে চায়। অনেকদিন পর তাদের শ্রম সার্থক হয়েছে। স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে এবং স্বপ্নের রাজপুরুষ জনাব তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। রাষ্ট্র পরিচালনার হাল ধরেছেন। এতেই আমাদের আনন্দের সীমা নাই।
এর মধ্যে দেশের নাগরিকরা নতুন সরকারের কাছ থেকে ফ্যামিলি কার্ডসহ নানা রকম দান অনুদান লাভ করতে শুরু করেছে। কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা কেউ সেই ফ্যামিলি কার্ডও চায় না। ঈদের বকশিশও না। তারা কোনরকম সুযোগ-সুবিধা নেয়ার জন্যও অস্থির না। কেবল প্রধানমন্ত্রীকে অনেকদিন পর একটু দেখেই তৃপ্ত হতে চেয়েছিল।
জনপ্রতি ৫ সেকেন্ডও না। তবুও সম্মুখ থেকে একটু দেখতে পারলে ১৭ বছরের অনেক গ্লানি দূর হয়। কিন্তু দেখা গেল কার্ড দিয়ে প্রথমেই ইচ্ছাকৃতভাবে বেরিকেড সৃষ্টি করা হয়েছে, যাতে থানা বা ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা খুব সহজে প্রধানমন্ত্রীকে সালাম দিতে না পারেন। কেন জানি মনে হয় বিষয়টার মধ্যে আমলাতান্ত্রিকতা ঢুকে পড়েছে। ফলে এই অনাহত ব্যারিকেড এর জন্য অনেকেই ক্ষুব্ধতাও প্রকাশ করেছে।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন গণভবন বা সংসদ ভবনে ইফতারে আমরা অংশ নিয়েছি। সেখানে যেতে কার্ড লাগতো। সে কার্ড বিতরণ করা হতো দলীয়ভাবে পার্টি অফিস থেকে। আমরা যেহেতু পার্টি পদে নিয়োজিত ছিলাম সেহেতু দলীয়ভাবে আমরা কার্ড পেয়ে যেতাম। যত কার্ড আসতো ততজন কর্মী অনুষ্ঠানে যাবার জন্য প্রস্তুত থাকতো না। ফলে বাকি কার্ড বলতে গেলে অফিসেই পড়ে থাকতো। কিন্তু ঈদের দিন সাক্ষাৎকার পাবার জন্য কার্ডের ব্যবহার কখনো চোখে পড়েনি।
আমি সাত বছর একটি সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বে ছিলাম। সে সময় সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে ম্যাডামকে সালাম দিতে গেছি।
এবার আমি নিজেই একটি কার্ড সংগ্রহ করতে গিয়ে সীমাহীন কষ্ট পেয়েছি। কারণ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী দপ্তর থেকে, দলীয় অফিস থেকে নয়। মনে হয়েছে কাজটায় ইচ্ছে করে ঝামেলা সৃষ্টি করা হয়েছে। তাছাড়া এর মধ্যে এক ধরনের অভিজাত তান্ত্রিকতাও পরিলক্ষিত হয়েছে। এই জটিল প্রক্রিয়া চালু হওয়া মানে আমাদের প্রিয় নেতা জননেতা তারেক রহমান থেকে জনগণকে বিচ্ছিন্ন করা। আমলাদের দিকে ঝুঁকতে বাধ্য করা। যদি তাই হয় তবে এর পরিণাম ভালো হবে বলে মনে হয় না।
তার উপর যমুনায় যারা প্রবেশ করেছে তাদের মধ্যেও শৃঙ্খলার অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। আপ্যায়ন ও শৃঙ্খলা নিয়ে অনেকে বিরক্ত প্রকাশ করেছেন। এখন খতিয়ে দেখা দরকার এসবের দায়িত্বে কারা ছিলেন!
সকলের মনে থাকার কথা আমাদের দেশের দুজন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন মাঠ পর্যায়ে রাজনীতি করলেও ক্ষমতা পেয়ে তারা রাতারাতি আমলানির্ভর হয়ে পড়েছেন। এই নির্ভরতার পরিণামও সকলের জানা।
অথচ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন তার সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি ছিলেন একজন সামরিক আমলা। আমলাতন্ত্রের মারপ্যাঁচ ও দৌরাত্ম্য সম্পর্কে তার স্পষ্ট ধারণা ছিল। কিন্তু যেদিন তিনি রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিলেন সেদিন থেকে তিনি আর আমলা থাকলেন না। উর্দি খুলে তিনি জনতার কাতারে চলে এলেন এবং জনতার সঙ্গে অবলীলায় মিশে গেলেন।
তিনি গ্রামের মেঠো পথ, কৃষকের ধান ক্ষেত, পোড়ো বাড়ির আঙ্গিনা দিয়ে নিঃসংকচে হেঁটেছেন। তাতে তার নিরাপত্তার সমস্যা হয়নি। কারণ দেশের সাধারণ মানুষ তাকে প্রাণ দিয়ে ভালবাসতো। এ জন্য তাদের তরফ থেকে কখনো আঘাত আসেনি। আঘাত এসেছে নিরাপদ স্থানে নিরাপত্তা দানে অঙ্গীকারাবদ্ধ সামরিক আমলাদের তরফ থেকে। মনে রাখতে হবে জনগণ কখনো বিশ্বাসঘাতকতা করে না। বিশ্বাসঘাতকতা করে স্বার্থান্বেষী মহল। তারা সাধারণ না, অসাধারণ। তারা লুঙ্গি পরা লোক না, উর্দি পরা লোক।
আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বলছি, দেশের সাধারণ মানুষ আপনার নিরাপত্তার জন্য সমস্যা না। বরং নিরাপত্তা কথা বলে যারা আপনাকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চায় সমস্যাটা তাদের। আপনি ঈদের দিন সাধারণ মানুষের সাথে দেখা করবেন সেই সাধারণের মধ্যে সিংহভাগই বিভিন্ন থানা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা, যাদের প্রত্যেকেই ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর। তারা আপনার সঙ্গে দেখা করবে, আপনার জন্য দোয়া করবে। আত্মত্যাগের জন্য প্রস্তুত থাকবে। কিন্তু তাদের থেকে কোনো কারণে দূরত্ব হলেই আপনি সঙ্গীহীন হয়ে পড়বেন।
মনে রাখতে হবে সংগঠন শরীরের হাড়ের মতো। আর জনসমর্থন গোশতের সঙ্গে তুলনীয়। শরীরের মাংস যতই থাকুক হাড় না থাকলে শরীর দাঁড়ায় না।
বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল বা সংগঠন। একজন ওয়ার্ড সদস্য থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায়ে মহাসচিব বা চেয়ারম্যান পর্যন্ত সবাইকে নিয়ে একটা কাঠামো। এই কাঠামো বহাল ছিল বলেই আপনি সহজেই গন্তব্য পৌঁছে গেছেন। এই পৌঁছানোর পথে প্রতিটি কর্মীর সীমাহীন দরদ, শ্রম ও ভালোবাসা। এখানে আপনারও অনেক ত্যাগ, অনেক শ্রম-মেহনত এবং দরদ। আপনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করলেও সংগঠনের সাধারণ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এখন পর্যন্ত তীলমাত্র সুবিধা পায়নি। কিন্তু ঈদের দিন তারা আপনাকে একটু সালাম দিতে পারবে না, তা হয় না। অথবা একটা কার্ড পাবার জন্য আমলাদের কাছে তারা ধরনা দিবে, সেটাও মানা যায় না।
আমার প্রশ্ন হল ঈদের দিন আপনার সঙ্গে দেখা করার জন্য কেন আপনার নেতাকর্মীদের কার্ড ব্যবহার করতে হবে? সারা বছর তো তারা আপনাকে বিরক্ত করেনি। একদিন না হয় আপনার একটু কষ্ট হলো। কিন্তু কার্ড সংগ্রহের জন্য নেতাকর্মীদের কেন অতিরিক্ত কষ্ট করতে হবে? আর কার্ড যদি প্রয়োজনই হয় তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর কেন? পার্টি অফিস থেকে নয় কেন? কেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর কার্ড বিতরণের দায়িত্ব নিবে? তারা একটা অংশের কার্ড নিতে পারে। সবটা নয়।
প্রধানমন্ত্রীকে বলছি, আপনি তো আগে পার্টি প্রধান, তারপর প্রধানমন্ত্রী। প্রায় ৩৫ বছর আপনি পার্টির দায়িত্বে আছেন। আর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন মাত্র কয়দিন হল? পার্টির লোকরা আপনাকে বেশি ভালোবাসে? নাকি প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের আমলারা? আপনি জননেতা, দলনেতা এবং দেশনেতা। এসব আমলাদের জন্য হয়নি। হয়েছে দলীয় লোকদের ত্যাগের জন্য। তার উপর আমলারা তো অহরহ আপনাকে সালাম দেয়। দলীয় লোকরা কি পারে? পারে না। এ কারণে এই একটা দিন বিএনপি নেতাকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ীদের জন্য বরাদ্দ রাখা দরকার।
ইতিহাস থেকে একটা উদাহরণ দিচ্ছি। মুক্তিযুদ্ধের সময় কতক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক বুদ্ধিজীবী মুক্তিযুদ্ধের পক্ষাবলম্বন করলেও বিচারপতি বা বিচারকদের একজনও স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেয়নি। স্বাধীনতা যুদ্ধে তাদের প্রকাশ্য কর্মকান্ড দূরে থাক, বক্তৃতা বিবৃতির মধ্যেও তার সূক্ষ্মাতি সূক্ষ্ম প্রমাণ নেই। তাই বলে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কি তাদের কেউ চাকরি হারিয়েছে? হারায় নি। বরং তাদের পতাকা বদল হয়েছে। একদিন আগে তারা গাড়িতে পাকিস্তানের পতাকা বহন করেছিল। একদিন পর তারা স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা লাগিয়ে বিচারপতির আসনে বসেছে। তাদের চেয়ারও বদল হয়নি। মর্যাদারও অবনতি হয়নি। সচিবালয় আমলাদের অবস্থাও সর্বকালে একই রকম।
২০২৪ এর জুলাইয়ে স্বৈরাচারের পতনের আগে সরকারি আমলারা যেরকম আসনে বসতেন, ৫ই আগস্টের পরও একই রকম আসনে বসে আছেন। সেই আসনে বসে বিচারকার্য চালিয়ে যাচ্ছেন। ৫ই আগস্ট এর আগে ভয়াবহ আন্দোলনের সময় সচিবালয়ের কোন কর্মকর্তা কি জালিমশাহীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল? অন্তত কাগজে তার কোন প্রমাণ আমরা চামড়ার চোখে দেখতে পাই না। অথচ পরিবর্তনের পর দেখা গেল সচিবালয়ে একজনও লীগপন্থী আমলা নেই। তাদের সবাই রং বদল করে বিএনপির সমর্থক হয়ে গেছে।
আজ গলা ফাটিয়ে একটা কথা বলে রাখি, আল্লাহ এমন না করুন যদি ক্ষমতার হাত বদল হয়, আপনি অতি বিশ্বস্ত একজন আমলাকেও হাতের কাছে পাবেন না। এ আমি হলফ করে বলতে পারি।
রাজনীতিবিদরা সহসা কারো দ্বারা প্রভাবিত হন না। বরং তারা নিজেরাই প্রভাব বিস্তার করে চলেন। তারা গুরুতর প্রয়োজন ছাড়া আমলাদের দ্বারস্থও হতে চান না। বরং প্রটোকল অনুযায়ী আমলাদেরই তাদের কাছে যাবার কথা।
কারণ আমলারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, রাজনীতিবিদরা না। আমলারা তাদের দৈনন্দিন কর্মকান্ডের জন্য মাস শেষে মাসোহারা পান। সুযোগ-সুবিধাও পান। রাজনীতিবিদরা কি পান? পান না। বিগত দিনে রক্ত বেচা পয়সা দিয়ে তাদের রাজনীতি করতে হয়েছে। আমলারা তাদের কর্মের জন্য জবাবদিহি করেন। কার কাছে করেন? দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতাদের কাছে। রাজনীতিবিদরা করেন জনগণের কাছে। তাহলে রাজনীতিবিদরা কেন আমলাদের কাছে যাবেন? বরং আমলাদেরই উচিত রাজনীতিবিদদের মান্য করে চলা। সেটাই সাংবিধানিক নিয়ম। সেটাই সারা পৃথিবীর গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে প্রচলিত।
আমার এই লেখা পড়ে কেউ মনে কষ্ট নিবেন না। ১৭ বছরের পুরোটা সময় আমরা যুদ্ধের মাঠেই ছিলাম। তার জন্য প্রতিদান চাই না। আবার ভিখারির মতও বাঁচতে চাই না। চরম ফ্যাসিজমের সময়ও এক মুহূর্তের জন্য মাথা নত করিনি। এখন কেন করতে যাব? বরং যা আমার অধিকার সেটা অবশ্যই বুঝে নেয়ার চেষ্টা করব। ঈদের দিন প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সালাম দেয়া বিএনপি’র প্রতিটি নেতাকর্মীর অধিকার। এই অধিকারের জন্য কেন আমলাদের কাছে তাদের ধরনা দিতে হবে? কেন তার সাক্ষাৎ পাবার জন্য কার্ডের প্রয়োজন হবে? সেই কার্ড সংগ্রহের জন্য কেন গলাজলে নামতে হবে?
প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের বিনয়ের সাথে অনুরোধ তিনি যেন বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে আমলাতন্ত্রের কাছে জিম্মি না করেন। আমলাতন্ত্র আমলাতন্ত্রের জায়গায় থাকুক, বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের গতিতে চলুক। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে আমাদের সাক্ষাৎ, কোলাকুলিও শুভেচ্ছা বিনিময় হয়ে যেতো। এটা ছিল একটা রেওয়াজ এবং আমাদের কাছে পরমানন্দের বিষয়।
একবার আমি ঈদের বন্ধে গ্রামের বাড়ি ছিলাম। সেবার আমার মনে হয়েছিল আমার ঈদের আনন্দটাই অপূর্ণ থেকে গেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সালাম দিলে মনে হতো আমি আমার পরম মমতাময়ী মা-কে সালাম দিয়েছি। তরুণ বয়সে একটা প্রেমের ছবি দেখে সিনেমা হল থেকে বাড়ি ফেরার সময় যে আনন্দ নিয়ে ফিরতাম ম্যাডাম জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ঘরে ফেরার সময় একই আনন্দ অনুভব করতাম। কিন্তু কয়েক বছর সেই সালাম দেয়া থেকে বঞ্চিত থাকতে হল আওয়ামী দুঃশাসনের জন্য। সালাম দেয়ার একটা হাহাকার সকলের মনে বিরাজমান ছিল। আমরা এবার মনে করেছিলাম প্রিয় নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সালাম দিয়ে অনেক দিনের হাহাকার দূর করব।
বিগত বছরগুলিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা কি রকম অবর্ণনীয় কষ্ট করেছে, নিপীড়ন নির্যাতন সহ্য করেছে সেটা সকলের জানা।
তারা কোন দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সম্মুখে হাজির হতে চায় না। তারা এই মুহূর্তে তাকে কাছে থেকে একটু দেখেই তৃপ্ত হতে চায় এবং মনে সান্ত্বনা নিয়ে ঘরে ফিরতে চায়।
অনেকদিন পর তাদের শ্রম সার্থক হয়েছে। স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে এবং স্বপ্নের রাজপুরুষ জনাব তারেক রহমান ক্ষমতায় এসেছেন। রাষ্ট্র পরিচালনার হাল ধরেছেন। এতেই তাদের আনন্দের সীমা নাই।
এর মধ্যে দেশের নাগরিকরা নতুন সরকারের কাছ থেকে ফ্যামিলি কার্ডসহ নানা রকম দান অনুদান দ্বারা উপকৃত হচ্ছে, ইমাম মোয়াজ্জেম পুরোহিতরা ভাতা পেয়েছে। কৃষকরা ও কয়েকদিনের মধ্যে কৃষক কার্ড পাবে কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা কেউ সেই ফ্যামিলি কার্ডও চায় না। ঈদের বকশিশও না। কোনরকম সুযোগ-সুবিধা নেয়ার জন্যও অস্থির না। তারা কেবল প্রধানমন্ত্রীকে অনেকদিন পর চামড়ার চোখে একটু দেখতে চেয়েছিল। জনপ্রতি ৫ সেকেন্ডও না। তবুও কাছ থেকে একটু দেখতে পারলে তাদের মন থেকে পাথর দূর হতো। মন চাঙ্গা হতো। দীর্ঘ ১৭ বছরের সব গ্লানি দূর হতো। কিন্তু দেখা গেল কার্ড দিয়ে প্রথমে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যারিকেড সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে থানা বা ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা খুব সহজে প্রধানমন্ত্রীকে সালাম দিতে না পারেন। বিষয়টার মধ্যে আমলাতান্ত্রিকতা ঢুকে পড়েছে বলে অনেকেই ক্ষুব্ধতাও প্রকাশ করেছেন।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা দিয়ে যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন গণভবন বা সংসদ ভবনে ইফতারে আমরা অংশ নিয়েছি। সেখানে যেতে কার্ড লাগতো। সে কার্ড বিতরণ করা হতো দলীয়ভাবে পার্টি অফিস থেকে। আমরা যেহেতু পার্টি পদে নিয়োজিত ছিলাম সেহেতু দলীয়ভাবে আমরা কার্ড পেয়ে যেতাম। যত কার্ড আসতো ততজন কর্মী যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতো না। ফলে বাকি কার্ড বলতে গেলে অফিসেই পড়ে থাকতো। কিন্তু ঈদের দিন সাক্ষাৎকার পাবার জন্য কার্ডের ব্যবহার কখনো চোখে পড়েনি।
আমি সাত বছর একটি সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বে ছিলাম। সে সময় গুলোতে নেতাকর্মীদের একত্রিত করে ম্যাডামকে সালাম দিতে গেছি। কেউ কার্ডের কথা জিজ্ঞাসা করতো না। এবার আমি নিজেই একটি কার্ড সংগ্রহ করতে গিয়ে সীমাহীন কষ্ট পেয়েছি। কারণ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী দপ্তর থেকে, দলীয় অফিস থেকে নয়। কেন জানি মনে হয়েছে কাজটার মধ্যে আমলাতান্ত্রিকতা আছে এবং এক ধরনের অভিজাততান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হয়েছে। এই নিয়ম চালু হওয়া মানে আমলাদের দিকে ঝুঁকে পড়া। আমলাতন্ত্রের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে যাওয়া। যদি তাই হয় তবে এর পরিণাম ভালো হবে বলে মনে হয় না।
সকলের মনে থাকার কথা আমাদের দেশের দুজন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন মাঠ পর্যায়ে রাজনীতি করলেও ক্ষমতা পেয়ে তারা রাতারাতি আমলানির্ভর হয়ে পড়েন। এই নির্ভরতার পরিণামও সকলের জানা। অথচ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন তার সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি ছিলেন একজন সামরিক আমলা। আমলাতন্ত্রের মারপ্যাঁচ ও দৌরাত্ম্য সম্পর্কে তার স্পষ্ট ধারণা ছিল। কিন্তু যেদিন তিনি রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিলেন সেদিন তিনি আর আমলা থাকলেন না। উর্দি খুলে তিনি জনতার কাতারে চলে এলেন এবং জনতার সঙ্গে অবলীলায় মিশিয়ে গেলেন। তিনি গ্রামের মেঠো পথ, কৃষকের ধান ক্ষেত, পোড়ো বাড়ির আঙ্গিনা দিয়ে তিনি হেঁটেছেন। তাতে তার নিরাপত্তার সমস্যা হয়নি। কারণ দেশের সাধারণ মানুষ তাকে প্রাণ দিয়ে ভালবেসেছে। এ জন্য তাদের তরফ থেকে কখনো আঘাত আসেনি। আঘাত এসেছে নিরাপদ স্থানে নিরাপত্তা দানে অঙ্গীকারাবদ্ধ সামরিক আমলাদের তরফ থেকে। মনে রাখতে হবে জনগণ কখনো বিশ্বাসঘাতকতা করে না। বিশ্বাসঘাতকতা করে স্বার্থান্বেষী মহল। তারা সাধারণ না, অসাধারণ। তারা লুঙ্গি পরা লোক না, উর্দি পরা লোক।
আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বলছি দেশের সাধারণ মানুষ আপনার নিরাপত্তার জন্য সমস্যা না। বরং নিরাপত্তা কথা বলে যারা আপনাকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চায় সমস্যাটা তাদের। আপনি ঈদের দিন সাধারণ মানুষের সাথে দেখা করবেন সেই সাধারণের মধ্যে সিংহভাগই বিভিন্ন থানা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা, যাদের প্রত্যেকেই ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর। তারা আপনার সঙ্গে দেখা করবে, আপনার জন্য দোয়া করবে। কিন্তু তাদের থেকে কোনো কারণে দূরত্ব হলেই আপনি সঙ্গীহীন হয়ে পড়বেন।
মনে রাখতে হবে সংগঠন শরীরের হাড়ের মতো। আর জনসমর্থন গোশতের সঙ্গে তুলনীয়। শরীরের মাংস যতই থাকুক হাড় না থাকলে শরীর দাঁড়ায় না। বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল বা সংগঠন। একজন ওয়ার্ড সদস্য থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায়ের মহাসচিব বা চেয়ারম্যান পর্যন্ত সবাইকে নিয়ে একটা কাঠামো। এই কাঠামো বহাল ছিল বলেই আপনি সহজেই গন্তব্য পৌঁছে গেছেন। এই পৌঁছানোর পথে প্রতিটি কর্মীর সীমাহীন দরদ শ্রম ও ভালোবাসা। এখানে আপনারও অনেক ত্যাগ, অনেক শ্রম-মেহনত এবং দরদ। আপনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করলেও সংগঠনের সাধারণ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এখন পর্যন্ত তীলমাত্র সুবিধা পায়নি। কিন্তু ঈদের দিন তারা আপনাকে একটু সালাম দিতে পারবে না, তা হয় না। অথবা একটা কার্ড পাবার জন্য আমলাদের কাছে ধরনা দিবে, সেটাও মানা যায় না। ঈদের দিন আপনার সঙ্গে দেখা করার জন্য কেন আপনার নেতাকর্মীদের কার্ড ব্যবহার করতে হবে। সারা বছর তো তারা আপনাকে বিরক্ত করে নি। একদিন না হয় আপনার একটু কষ্টই হলো। সেই কষ্ট তো আপনিও করেছেন। কিন্তু কার্ড সংগ্রহের জন্য নেতাকর্মীদের কেন অতিরিক্ত কষ্ট করতে হলো সেটাই ব্যথার কারণ। আর কার্ড যদি প্রয়োজনই হয় তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর কেন? পার্টি অফিস থেকে নয় কেন? কেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর কার্ড বিতরণের দায়িত্ব নিবে। তারা একটা অংশের কার্ড নিতে পারে। সবটা নয়।
আপনি তো আগে পার্টি প্রধান, তারপর প্রধানমন্ত্রী। প্রায় ৩৫ বছর আপনি পার্টির দায়িত্বে আছেন। আর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন কয়দিন হল? পার্টির লোকরা আপনাকে বেশি ভালোবাসে? নাকি প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের আমলারা? আপনি জননেতা, দলনেতা এবং দেশনেতা। এসব আমলাদের জন্য হয়নি। হয়েছে দলীয় লোকদের ত্যাগের জন্য। তার উপর আমলারা তো যেকোনো সময় আপনাকে সালাম দিতে পারে। দলীয় লোকরা কি পারে? পারে না। শুধু এই একটা দিন বিএনপি নেতাকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ীদের জন্য বরাদ্দ থাকার দরকার।
ইতিহাস থেকে একটা উদাহরণ দিচ্ছি। মুক্তিযুদ্ধের সময় কতক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক বুদ্ধিজীবী মুক্তিযুদ্ধের পক্ষাবলম্বন করলেও বিচারপতি বা বিচারকদের একজনও স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেয়নি। স্বাধীনতা যুদ্ধে তাদের প্রকাশ্য কর্মকান্ড দূরে থাক, বক্তৃতা বিবৃতির মধ্যেও তার সূক্ষ্মাতি সূক্ষ্ম প্রমাণ নেই। তাই বলে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কি তাদের কেউ চাকরি হারিয়েছে? হারায় নি। বরং তাদের পতাকা বদল হয়েছে। একদিন আগে তারা গাড়িতে পাকিস্তানের পতাকা বহন করেছিল। একদিন পর তারা স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা লাগিয়ে বিচারপতির আসনে বসেছে। তাদের চেয়ারও বদল হয়নি। মর্যাদারও অবনতি হয়নি। সচিবালয় আমলাদের অবস্থাও একই রকম। ২৪ এর জুলাইয়ে স্বৈরাচার পতনের আগে সরকারের আমলারা যেরকম আসনে বসতো, ৫ই আগস্টের পরও একই রকম আসনে বসেছে। সেই আসনে বসে বিচারকার্য চালিয়েছে। ৫ই আগস্ট এর আগে ভয়াবহ আন্দোলনের সময় সচিবালয়ের কোন কর্মকর্তা কি জালিমশাহীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল? অন্তত কাগজে তার কোন প্রমাণ আমরা চামড়ার চোখে দেখিনি। অথচ পরিবর্তনের পর দেখা গেল সচিবালয়ে একজন আওয়ামী লীগ পন্থী আমলা নেই। তাদের সবাই রং বদল করে বিএনপির সমর্থক হয়ে গেছে। গলা ফাটিয়ে একটা কথা বলে রাখি, আল্লাহ এমন না করুন যদি ক্ষমতার হাত বদল হয়, আপনি অতি বিশ্বস্ত একজন আমলাকেও হাতের কাছে পাবেন না। এ আমি হলফ করে বলছি
রাজনীতিবিদরা সহসা কারো দ্বারা প্রভাবিত হন না। বরং তারা নিজেরাই প্রভাব বিস্তার করে চলেন। তারা গুরুতর প্রয়োজন ছাড়া আমলাদের কাছে যেতেও চান না বরং নিয়ম অনুযায়ী আমলাদেরই তাদের কাছে আসা উচিত। কারণ আমলারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। তারা তাদের দৈনন্দিন কর্মকান্ডের জন্য মাস শেষে মাসোহারা পান। সুযোগ-সুবিধা পান। রাজনীতিবিদরা কি পান? পান না। বিগত দিনে রাজনীতিবিদরা তাদের রক্ত বেচা পয়সা দিয়ে রাজনীতি করেছেন। আমলারা সর্বকালে আরাম-আয়েশের ছিলেন। তারা কর্মের জন্য তাদের জবাবদিহি করেন। কোথায় করেন? দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতাদের কাছে। আর রাজনীতিবিদরা করেন জনগণের কাছে। তাহলে কেন তারা আমলাদের কাছে ধরনা দিবেন? বরং রাজনৈতিক নেতাদের কথা শুনেই আমলাদের চলা উচিত। সেটাই সাংবিধানিক নিয়ম। সেটাই সারা পৃথিবীর গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে প্রচলিত।
আমার এই লেখা পড়ে কেউ মনে কষ্ট নিবেন না। ১৭ বছরের পুরোটা সময় বলতে গেলে যুদ্ধের মাঠে ছিলাম। তার জন্য প্রতিদান চাই না। আবার ভিখারির মতও বাঁচতে চাই না। চরম ফ্যাসিজমের সময়ও এক মুহূর্তের জন্য মাথা নত করিনি। এখন কেন করতে যাব? বরং যেটা আমার অধিকার সেটা অবশ্যই বুঝে নেয়ার চেষ্টা করব। ঈদের দিন প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সালাম দেয়া বিএনপি’র প্রতিটি নেতাকর্মীর অধিকার। এই অধিকারের জন্য কেন আমলাদের কাছে ধরনা দিতে হবে? কেন তার সঙ্গে দেখা করার জন্য কার্ডের প্রয়োজন হবে? সেই কার্ড সংগ্রহের জন্য কেন আমাদের গলাজলে নামতে হলো? প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের বিনয়ের সাথে অনুরোধ তিনি যেন বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে আমলাতন্ত্রের কাছে জিম্মি না করেন। আমলাতন্ত্র আমলাতন্ত্রের জায়গায় থাকুক, বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের জায়গায় থাকুক। সুতরাং সাধু সাবধান!
কালাম ফয়েজী
২৩/০৪/২৬
আরও পড়ুন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! ত্যাগীদের সহযোগিতা দিন আপনি তাদের অভিভাবক – কালাম ফয়েজী
আরও পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
একসঙ্গে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ঈদের দিন সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
দিনাজপুরে কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
খাল খনন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
লাইলাতুল কদর উপলক্ষ্যে বিশ্বের সকল মুসলমানকে শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন৷
সকল ধর্মের মানুষের জন্য শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া রোধে সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করার উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
আরও সংবাদ পড়ুন।
১৪ মার্চ সারাদেশে ইমাম মোয়াজ্জিনদের মাসিক ভাতা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
সরকার সকল স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
উন্নত দেশের বিমান বন্দরের মতো ফ্রি ওয়াইফাই চালু করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
আরও সংবাদ পড়ুন।
রাজধানীতে নারীদের জন্য বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
আরও সংবাদ পড়ুন।
রাজধানীতে নারীদের জন্য বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
আরও সংবাদ পড়ুন।
ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন: ডা. জাহিদ হোসেন
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
সামনে আমাদের অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ : বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
তারেক রহমানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ নিয়োগ পেলেন
আরও সংবাদ পড়ুন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে নাতনি জাইমাসহ স্বজনদের শ্রদ্ধা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ কানায় কানায় পূর্ন; খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি
আরও সংবাদ পড়ুন।
আমার জন্য ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সবাই দোয়া করবেন – তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ইনশাআল্লাহ, আমি আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে যাবো: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রায় সঙ্গী হতে ঢাকায় পৌঁছেছেন পুত্রবধূ ডা.জুবাইদা রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সারাদেশে দোয়া ও প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছে সরকার
আরও সংবাদ পড়ুন।
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে এভারকেয়ারে প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
তিন বাহিনীর প্রধানগণ খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে
আরও সংবাদ পড়ুন।
খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত
আরও সংবাদ পড়ুন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
শেখ হাসিনা পরিকল্পিতভাবে গণমাধ্যমের জায়গাটা ধ্বংস করে দিয়েছে – মির্জা ফখরুল ইসলাম
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিএনপি’র ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা-খালেদা জিয়া লড়বেন তিন আসনে, তারেক রহমান একটিতে
আরও সংবাদ পড়ুন।
আমি খুব পরিষ্কার বলতে চাই, আমরা নির্বাচন করব, নির্বাচন করতে চাই : মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
আমি খুব পরিষ্কার বলতে চাই, আমরা নির্বাচন করব, নির্বাচন করতে চাই : মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
নিজামী-মীর কাসেম-সালাউদ্দিন কাদেরকে মিথ্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে: মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
৭ হাজারের বেশি সদস্যের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে : তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
গণহত্যার জন্য শুধু হাসিনা নয়, আওয়ামী লীগেরও বিচার হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
খালেদা জিয়া গুম-খুনের বিচার ও শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানালেন
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস’কে তারেক রহমানের জন্মদিনের শুভেচ্ছা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে বৈঠক
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
সরকারকে চাপে রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত বিএনপির, লক্ষ্য নির্বাচন
আরও সংবাদ পড়ুন।
পরিস্থিতি ‘অযথা ঘোলাটে’ না করে নির্বাচনের তারিখ দেওয়ার আহ্বান তারেক রহমানের
আরও সংবাদ পড়ুন।
খালেদা জিয়া হিথ্রো বিমানবন্দরে; বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বাংলাদেশি জাতিসত্তার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নববর্ষ উদ্যাপন: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে নেই জিয়াউর রহমানের নাম, হতাশ বিএনপি
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
পলাতক স্বৈরাচারের দোসরদের পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া যাবে না : তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিএনপিকে আবারও এক এগারোর মতো মিডিয়া ট্রায়ালের মুখোমুখি করা হচ্ছে: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠক – সংস্কারের কথা সবার আগে বলেছে বিএনপি: মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
মাহে রমজান সবার জীবনে বয়ে আনুক শান্তি-সুখের বার্তা – তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
ফ্যাসিস্টরা এখনও জুলাই আন্দোলনের অর্জনকে নস্যাৎ করতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে – খালেদা জিয়া
আরও সংবাদ পড়ুন।
এই সরকারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
দোষী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
খালেদা জিয়া নাইকো দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস; ৫ আগস্টের পর ৩৭টি থেকে খালাস পেলেন
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
সংস্কার বাস্তবায়ন করতে নির্বাচন ছাড়া রাস্তা নেই: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বৈঠকে মেডিকেল বোর্ড – খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাইলেন তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
কেউ যেন দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে না পারেন: তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
এই মিছিল স্বাধীনতা ও নিজেদের অধিকার রক্ষার মিছিল – তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
৭ নভেম্বরের চেতনায় সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে : তারেক রহমান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিএনপি চারটি মহানগর এবং পাঁচটি জেলায় নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আওয়ামী লীগের দোসরদের দায়িত্বে রেখে সরকারের উদ্যোগ সফল হবে না: তারেক
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
একটি মহল অন্তর্বর্তী সরকারকে অনির্দিষ্টকাল ক্ষমতায় রাখতে চায় – মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া – বিএনপির আগামীকাল রোববারের সমাবেশ হচ্ছে না
আরও সংবাদ পড়ুন।
ঐক্য ধরে রাখতে পারলেই ছাত্র-জনতার বিজয় সুসংহত হবে : বিএনপি মহাসচিব
আরও সংবাদ পড়ুন।
৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কর্মসূচি
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করতে আসলে ধরে পুলিশে দিন : মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কর্মসূচি
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের রোডম্যাপ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি: মির্জা ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
কী করতে চান, দ্রুত জনগণের সামনে উপস্থাপন করুন: প্রধান উপদেষ্টাকে ফখরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি পন্থি শিক্ষকদের বিবৃতি
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্যপদ স্থগিত বাসস এমডি মাহবুব মোর্শেদের
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধকতা দূর করার আহ্বান সম্পাদক পরিষদের
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিরোধী কালাকানুন বাতিলের দাবি সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ডিআরইউ’র সভাপতি মুরসালিন নোমানী সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
যে সকল সাংবাদিকদের বহিষ্কারের দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র অন্দোলনের
আরও সংবাদ পড়ুন।
এসিআরএফ’র আত্মপ্রকাশ – আহ্বায়ক তাওহীদ সৌরভ ও সদস্য সচিব রিশাদ হুদা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বাংলাদেশ মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে ১৬৫তম; দুই ধাপ পিছিয়ে গতবারের চেয়ে



























