মাদ্রাসা ও কারিগরির ২৬২ জন শিক্ষক জাল সনদধারী

Picsart_24-10-15_09-39-18-378.jpg

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

admin

বেতন-ভাতার টাকা ফেরতসহ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ।

অপরাধ প্রতিবেদকঃ বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ২৬২ জাল সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীকে শনাক্ত করেছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ)।

সোমবার তাদের নামের তালিকা সংক্রান্ত চিঠি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে। তালিকায় থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার (এমপিও) বন্ধ, মামলা, বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া অর্থ ফেরতসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে তাদের কাছে পাওনা প্রায় ৫০ কোটি টাকা। এর আগে স্কুল-কলেজে কর্মরত ৪৭১ জাল সনদধারীকে শনাক্ত করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত জাল সনদে চাকরি করা শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৪৯।

জানা গেছে, ডিআইএর পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক কারিগরি ও মাদ্রাসার শনাক্তকৃত জাল/ভুয়া সনদধারী শিক্ষকের নিম্নরূপ তালিকা এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন, জাল/ভুয়া সনদ এবং জাল সনদ যাচাইপূর্বক সনদ ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রেরিত পত্রসমূহের অনুলিপিসহ সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে এসঙ্গে প্রেরণ করা হলো।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো তালিকায় মোট ২৬২ জন শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে ২৫১ জন শিক্ষকের বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সনদ জাল করে চাকরি করছেন বা করছিলেন। এছাড়া বিপিএড, বিএড, গ্রন্থাগার ও অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জাল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ১১ জনের।

এই জাল সনদধারীদের কাছ থেকে সরকার প্রায় ৫০ কোটি টাকা ফেরত পাবে। এর মধ্যে এনটিআরসিএর সনদ জালকারীদের কাছ থেকে ৪৮ কোটি টাকার বেশি ফেরত পাওয়া যাবে। আর অন্যান্য জাল সনদধারীদের কাছ থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ফেরত পাওয়া যাবে।
এ বিষয়ে ডিআইএ পরিচালক প্রফেসর এম এম সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে আমরা প্রতিবেদন তৈরি করি। এরপর এ সংক্রান্ত তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা পরবর্তীতে অধিদপ্তরগুলোকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।’ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিআইএর পাঠানো জাল সনদধারীদের তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শিগগিরই মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পৃথকভাবে চিঠি পাঠানো হবে।

২০১২ সাল থেকে জাল সনদ শনাক্তকরণ কার্যক্রম শুরু করেছে ডিআইএ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ বিষয়ে জোরদার অভিযান চালাচ্ছে শিক্ষা প্রশাসনের পুলিশ খ্যাত সংস্থাটি। এরই ধারাবাহিকতায় স্কুল-কলেজের জাল সনদধারীদের তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।  

এর আগে ২০২৩ সালের শুরুতে স্কুল-কলেজের ৬৭৮ জন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসার প্রায় ২০০ জন জাল সনদধারীর তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল সংস্থাটি। সেসময় মন্ত্রণালয় জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে মামলাসহ একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছিল। তবে মন্ত্রণালয়ের ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অনেক শিক্ষক-কর্মচারী উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। আদালতে মামলা চলমান থাকায় অনেক জাল সনদধারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি সরকার।

আরও সংবাদ পড়ুন।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা বাড়িয়েছে সরকার

আরও সংবাদ পড়ুন।

এইচএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা প্রাপ্য মার্কই পেয়েছে: শিক্ষা উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

‘মাধ্যমিক শিক্ষা’ ও ‘কলেজ শিক্ষা ‘ নামে পৃথক অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠায় ৬ সদস্যের কমিটি গঠন

আরও সংবাদ পড়ুন।

এনসিটিবি’তে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

শিক্ষা ক্যাডারের স্বার্থ সংরক্ষণ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আরও সংবাদ পড়ুন।

জেলা প্রশাসক স্কুল-কলেজে নতুন নিয়মে কর্মচারী নিয়োগের নির্দেশনা দিবেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

স্কুল-কলেজের সভাপতির পদ নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা

আরও সংবাদ পড়ুন।

মাউশিতে প্রশিক্ষণের নামে সরকারি অর্থের অপচয়

আরও সংবাদ পড়ুন।

৪১ হাজার শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে: শিক্ষা উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন, নতুন তিন সচিব তিন মন্ত্রনালয়ে

আরও সংবাদ পড়ুন।

মজিবর রহমান শিক্ষা সচিবের রুটিন দায়িত্ব পেলেন

আরও সংবাদ পড়ুন

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন, নতুন তিন সচিব তিন মন্ত্রনালয়ে

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার খন্দকার ফজলে গোফরান এর অনিয়ম ও দুর্নীতি

আরও সংবাদ পড়ুন।

মজিবর রহমান শিক্ষা সচিবের রুটিন দায়িত্ব পেলেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোলার চরফ্যাশনে দু’টি ও তজুমুদ্দিনে একটি স্কুলের কেউ পাশ করে নি

আরও সংবাদ পড়ুন।

বোরহানউদ্দিনে এসএসসি ও এইচএসসি’র ২৯ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন

আরও সংবাদ পড়ুন।

তজুমদ্দিনে ৩৩ জন শিক্ষার্থীর মাঝে নগদ অর্থ, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ

আরও সংবাদ পড়ুন।

লালমোহনের ৩৮ কৃতি শিক্ষার্থী পেল ক্রেস্ট ও সনদ

আরও সংবাদ পড়ুন।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ পাসের হার ৬৮.৪৫

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top