অপরাধ প্রতিনিধিঃ ফরিদপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি মূল্যবান হেবা ঘোষণাপত্র দলিলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফ্লুইড দিয়ে মুছে ও ঘষামাজা করে জমি আত্মসাতের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ফরিদপুরের সাবেক সদর সাব-রেজিস্ট্রার মো. ইউসুফ আলী মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সেলিম রেজা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে দুদকের করা মামলায় আদালতে হাজির হলে তার পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ফরিদপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের একটি হেবা ঘোষণাপত্র দলিল জালিয়াতির মাধ্যমে পরিবর্তন করে জমি আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়। সাবেক সাব-রেজিস্ট্রারসহ পাঁচ জন পরস্পরের যোগসাজশে দলিলের মূল কপির ষষ্ঠ পৃষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফ্লুইড দিয়ে মুছে এবং ঘষামাজা করে দলিলের প্রকৃত তথ্য পরিবর্তন করেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, দলিলে থাকা স্ট্যাম্প নং-০৩১৭১৯৭-এর শেষ লাইনের পর ‘যাহা দিয়ারা ৩৯১৯ ও ৩৯২০ নং দাগ হইতে দখলভোগ করিবেন’ অংশটি মুছে ফেলা হয়। পরে পরিবর্তিত দলিলটি বালামভুক্ত করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট দাফতরিক স্বাক্ষরও সম্পন্ন করা হয়। এর মাধ্যমে দলিলের প্রকৃত গ্রহীতা ও অভিযোগকারী মো. খলিলুর রহমানকে প্রায় ৯ শতাংশ জমির দখল থেকে বঞ্চিত করা করা হয়েছে।
দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধান ও তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর গত ১ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সরদার আবুল বাসার বাদী হয়ে মামলা করেন।
মামলায় মোট পাঁচ জনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন—সাবেক সদর সাব-রেজিস্ট্রার মো. ইউসুফ আলী মিয়া, তুলনাকারক মো. মেহেদী হাসান, নকলকারক মনোয়ার হোসেন, পাঠক মো. জাহিদ শেখ এবং দলিলের দাতা মো. জিন্নাহ শেখ।
আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারার পাশাপাশি ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা, জাল-জালিয়াতি, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায় সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুদক জানিয়েছে, তদন্তে যদি এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনও ব্যক্তি বা কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। মামলাটি ফরিদপুরে সরকারি নথি জালিয়াতি ও ভূমি সংক্রান্ত দুর্নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে আলোচনায় এসেছে। আদালতের এ আদেশের মধ্য দিয়ে মামলার পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাবে।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনে নিয়োগ বাণিজ্য ও দূর্নীতি; তৎপর প্রভাবশালী সিন্ডিকেট
আরও সংবাদ পড়ুন।
দুর্নীতি ঠেকাতে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হাইকোর্টের রুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
সাভারের সাব-রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন প্রত্যাহার, বিভাগীয় মামলা
আরও সংবাদ পড়ুন।
সাভারের সাব-রেজিস্ট্রার জাকির হোসেনের দুর্নীতির খোঁজে আইন মন্ত্রণালয়ের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা
আরও সংবাদ পড়ুন।
সাভারের সাবরেজিস্ট্রার জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্তের সিদ্ধান্ত
আরও সংবাদ পড়ুন।
সাভারের সাব-রেজিস্ট্রার জাকির সম্পদের পাহাড় গড়েছেন; সংবাদ প্রকাশে হুমকি দিলেন সাংবাদিকে
আরও সংবাদ পড়ুন।
জাল দলিল মামলায় সাব-রেজিস্ট্রার মনীষা রায় কারাগারে, সন্ধ্যায় জামিন
আরও সংবাদ পড়ুন।
কালামপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অনিয়ম ও দূর্নীতি – দুদকের অভিযান
আরও সংবাদ পড়ুন।
উত্তরা সাবরেজিস্ট্রি অফিসে অনিয়ম ও দূর্নীতি; ১৫ দিনের সময়সিমা উপেক্ষিত
আরও সংবাদ পড়ুন।
তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ঘুস বিনিময়ের অভিযোগে – দুদকের অভিযান
আরও সংবাদ পড়ুন।
অহিদুল ইসলাম ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার দুর্নীতি মামলায় কারাবন্দি; ৫ দিনেও সাময়িক বরখাস্ত হয়নি
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
নিবন্ধন অধিদপ্তরের দালাল দুর্নীতিবাজ চক্র; তেজগাঁও রেজিস্ট্রার ভবনের দূর্নীতি ও অনিয়ম
আরও সংবাদ পড়ুন।
রাজধানীর পল্লবী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুসের বিনিময়ে জমির শ্রেণি পরিবর্তন – দুদকের অভিযান
আরও সংবাদ পড়ুন।
ঢাকার কালামপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে হয়রানি, ঘুষ বানিজ্য ও দুর্নীতি – দুদকের অভিযান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
সাব-রেজিস্ট্রার মোশারফ হোসেনের এক দলিলে ৮০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
রেজিস্ট্রেশন বিভাগ নিয়ে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মন্তব্যে নিন্দা
আরও সংবাদ পড়ুন।
২০ জেলায় নতুন জেলা রেজিস্ট্রার; ১০ সাব-রেজিষ্টারের জেলা রেজিস্ট্রার হিসাবে পদোন্নতি


























