ইতিহাস স্বাক্ষী ভোলার সর্বপ্রথম জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট ভবনটি ভাঙ্গন; জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। প্রথম ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট ,বর্তমান জেলা হিসাবরক্ষন অফিস।
সাগর চৌধুরীঃ ইতিহাস স্বাক্ষী ভোলার সর্বপ্রথম জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট বর্তমান জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসটি টেকসই ও সচল থাকা সত্বেও পরিত্যক্ত ঘোষণা করে উক্ত ভবনটি ভাঙ্গার জন্য টেন্ডার হয়েছে। এই বিষয়টি এখন সবার মুখে মুখে। সবাই কেমন আড়চোখে প্রশ্ন করে! হচ্ছে টা কি ভোলায়?
ভোলা জেলার প্রথম আদালত ভবন কোনটি ?
এই জেলার প্রথম বিচার কাজ পরিচালনা করা হয় এই ভবন থেকে। এইত বছর তিন আগে গনপূর্ত অফিস কতৃক প্রায় 30 লক্ষ টাকা খরচ করে ভবনটি মেরামত করা হয়। যা অনেক নতুন ভবন থেকে অনেক শক্ত ও টেকসই।
সম্প্রতি একটি পত্র মারফতে জেলা একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসার এস.এম. মোবাশ্বের আলীকে ভবনটি ভাঙ্গার বিষয়টি জানানো হয় এবং অফিস দ্রুত স্থানান্তর এর জন্য তাগিদ প্রদান করা হয়।
স্থানীয়রা জানান,অনেক নতুন ভবনের চেয়েও এই ভবনটি শক্ত ও মজবুত। এখানে সরকারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও স্মৃতিবহুল নথিপত্র জমা আছে। এছাড়াও ভবনটি দীর্ঘ বছরের স্মৃতি বহন করে।
সরকারের আদেশ যেকোনো সময় পালন করা দায়িত্ব হলেও এই ভবনটি রক্ষার জন্য অনেক স্থানীয় সচেতন মহল দাবী তুলছে।
ভোলার স্থানীয় জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা গেছে। বিভিন্ন সেবা গ্রহীতাদের আলোচনায় জানা যায় ভবনটি ভাঙ্গার ব্যপারে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কোন অনুমোদন পাওয়া যায়নি। তা সত্বেও ভবনটি ভাঙ্গার জন্য বার বার তাগিদ দেয়া হচ্ছে। অনেকেই বলছেন,এখানে স্বার্থবাজ মানুষ কিছু লোপাট করার উদ্দেশ্যে ভবনটি ভাঙ্গানোর পায়তারা করছে।
স্থানীয়রা জানান, সরকারের অর্থাত্মসাৎ করতেই এখানে ভালো ভবনটিকে পরিত্যক্ত দেখিয়েছে। অনেকেই এর সাথে যোগসাজশে আছেন। সরকারের অর্থ লোপাটের আরও একটি রাস্তা তৈরি করার পায়তারা করছে।
তথ্যসংগ্রহে জানা যায়, জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়, ভোলা এর সৌন্দর্য্যবর্ধনের জন্য ভবনটি ভেঙ্গে ফেলা হবে। স্থানীয় জনগণ মনে করেন, সরকারের এই সংকটময় সময়ে ভবনটি ভাঙ্গার ফলে একদিকে যেমন সরকারি বড় অংকের অর্থ লোকসান হবে অন্যদিকে ভোলার জনগণ হারাবে তাদের একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা।
ভোলা জেলা একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসার এস.এম. মোবাশ্বের আলী জানান, আমরা ইতোমধ্যে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ডিসি মহদয়কে ভবনটি না ভেঙ্গে স্থানান্তরের বিষয়টি পূন:বিবেচনার করার জন্য চিঠি দিয়েছি।
ভোলা জেলার নতুন যোগদান ও বর্তমান কর্মরত জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান জানান, আমি ইতোমধ্যে বিষয়টি জেনেছি। আপনি বলার আগেই জেলা একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসারের সাথে এই বিষয় কথা হয়েছে। তিনি অফিস ভবন ভাঙ্গার বিষয়ে জানিয়েছেন। আমি অবশ্যই এই বিষয় দেখব।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টার কাছে কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল মোঃ নূরুল ইসলাম এর রিপোর্ট
আরও সংবাদ পড়ুন।
৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিএজি কার্যালয়ের বিশেষ সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন
আরও সংবাদ পড়ুন।
সার্চ কমিটির সদস্য হলেন মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ঠাকুরগাঁওয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের ফাঁদ মামলা: ঘুস গ্রহণের সময় অডিটর ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আটক
আরও সংবাদ পড়ুন।
অডিট অধিদপ্তরের ডিজি সোহেল ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা আবুল কালামের ঘুস দাবী; তদন্ত শুরু
আরও সংবাদ পড়ুন।
সাবেক অডিটর মজিবুর জাল জালিয়াতি করে নিয়েছেন সুযোগ সুবিধা; তিনি ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
সিএজি পদত্যাগ ও অডিটর পদকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার দাবিতে বিক্ষোভ চলছে
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত ৮৭ লাখ কোটি টাকার অডিট আপত্তি; জাতীয় বাজেটের তুলনায় ১৩ গুণ বেশি

























