এতটাকা কোথায় পেলেন ডিসিরা! পিরোজপুর ও বরিশালের সাবেক জেলা প্রশাসকের কোটি টাকার করফাঁকি

Picsart_26-07-09_12-21-05-489.png
admin

সাধারণ মানুষের কত বিশ্বাস জেলা প্রশাসকদের প্রতি; তাদের প্রতিটি কথা, আদেশ, নির্দেশ সাধারণ জনগণ মান্য করে চলেন। কিন্তু বিশ্বাসের এই জেলা প্রশাসকরা জনগণের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন, গড়েছেন সম্পদের পাহাড়; এমনকি সরকারকে করও দেননি তারা।

অপরাধ প্রতিবেদকঃ পর্যটনের হটস্পট সেন্টমার্টিনে রিসোর্ট। রাজধানীর বঙ্গবাজারে দুই ডজন দোকান। অভিজাত এলাকা গুলশান, মগবাজার ও মিরপুরের আকর্ষণীয় লোকেশনে আলিশান ফ্ল্যাট। সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। মোটা অঙ্কের লেনদেন ও প্রতি মাসে বড় আয়ের নিশ্চয়তা। সেই সঙ্গে দুর্নীতির টাকা হালাল করতে পিতার নামে ফাউন্ডেশনের নাম লুটপাট। সর্বসাকুল্যে ৯০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি করে কোটি টাকার চাবি। এমনই সব অসম্ভব সম্ভব হয়েছে ২০১৮ সালের নির্বাচনে রাতের ভোটের কারসাজি করে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিশেষায়িত আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের প্রাথমিক তদন্তে তৎকালীন সময়ে পিরোজপুর ও বরিশালের জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে দায়িত্বে থাকা তিনজনের বিরুদ্ধে এমনই তথ্য উঠে এসেছে।

অথচ দেশের মানুষ তাদের নিয়োগদাতা। তাদের করের টাকায় বেতন। অথচ প্রজা হয়ে রাজার ওপর চালিয়েছেন হুকুমদারি। নিয়োগকর্তার ঘুম থেকে শুরু করে ভোটাধিকার হরণ পর্যন্ত লাইসেন্স পেয়েছিল ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে।

প্রশাসনের উচ্চপদকে পুঁজি করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের রাতের ভোটের মাধ্যমে জিতিয়ে দেয়ার ঠিকাদারি নিয়ে সংসদে বসার সুযোগ করে দিয়েছিলেন ডিসিরা। প্রার্থীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা কামিয়ে তা দিয়ে নিজেদের আখের গুছিয়েছেন। নামে-বেনামে করেছেন সম্পদ।

অভিযোগ আছে, শত কোটি টাকা পাচারেরও। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ওএসডি করা হলেও নানা অনিয়ম-দুর্নীতির হোতারা এখন ক্ষমতাসীন বিএনপি সাজার চেষ্টা করে চাকরিতে বহাল হওয়ার তদবির করছেন।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পিরোজপুরের সাবেক ডিসি আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন দিনকে রাত বানিয়ে জালিয়াতির নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী হিসেবে পেয়েছেন অপরাধ ও দুর্নীতির লাইসেন্স। তার কর নথি অনুযায়ী, রাজধানীর মিরপুর-১১ নাম্বারের ১১ নাম্বার রোডের ৫ নাম্বার বাসার মালিক তিনি। এক হাজার ৭১০ বর্গফুটের সেই ফ্ল্যাট কেনার খরচ দেখানো হয়েছে মাত্র ৫৪ লাখ টাকা।

তবে মেট্রোরেল হওয়ার আগে থেকেই মিরপুরে ফ্ল্যাটের দাম আকাশছোঁয়া। কিভাবে এত কম দামে ফ্ল্যাট কিনলেন তিনি? অনুসন্ধানে কর গোয়েন্দারা জানতে পারেন, ডেভেলপার কোম্পানিকে তিনি পরিশোধ করেছেন এক কোটি ১৩ লাখ টাকা। একটি ফ্ল্যাটেই তিনি সম্পদের মূল্য কম দেখিয়েছেন ৫৯ লাখ টাকা। সম্পদের প্রকৃত মূল্য গোপন করে সরকারের কর ফাঁকি দিতেই এমন কৌশলের আশ্রয় নেন পতিত ফ্যাসিস্টের এই সহযোগী।

যশোরে উত্তরাধিকার সূত্রে চারটি ফ্ল্যাটের মালিক তিনি। অথচ অনুসন্ধান বলছে, ২০১৩ সালে সাজ্জাদ হোসেনের পিতা মারা যান। জীবিত থাকাকালীন সময়ে এখানে তিনি কোনো স্থাপনা করেননি।

গোয়েন্দা সূত্র বলছে, অবৈধ সম্পদ অর্জন করে তিনি নিজের টাকায় করেছেন অট্টালিকা। বর্তমান বাজারমূল্যে এই চারটি ফ্ল্যাটের দাম অন্তত দুই কোটি টাকা। নথিতে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত উল্লেখ করলেও ফ্ল্যাটের মালিকানার ব্যাখ্যা নেই।

সাজ্জাদ হোসেনের চেয়ে অনেক বেশি ধনী তার স্ত্রী রিজিয়া সুলতানা। যেখানে অভিজাত এলাকা গুলশানে ফ্ল্যাট কিনতে বিরাট পয়সাওয়ালাদেরও কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে, সেখানে উল্লেখযোগ্য আয় না থাকার পরও তার আছে লেকের ধারে দু’টি আলিশান ফ্ল্যাট। স্বামীর অবৈধ আয় ও প্রভাবে দুই হাজার ২৯২ বর্গফুট ও দুই হাজার ৫৬৭ বর্গফুটের দুটি ফ্ল্যাটের মালিক রিজিয়া।

প্রিমিয়াম লোকেশনে থাকা ফ্ল্যাটগুলোর প্রতি বর্গফুটের দাম ৬০ হাজার টাকা। সে হিসেবে যার একেকটি ফ্ল্যাটের দাম ১৫ কোটি টাকা। দু’টি ফ্ল্যাটের দাম প্রায় ৩০ কোটি টাকা। নিজের ও স্ত্রীর নামে করা সম্পদ ছাড়াও সাজ্জাদের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ আছে।

রাতের ভোটের আরেক মাস্টারমাইন্ড বরিশালের সাবেক ডিসি অজিয়র রহমান। চাকরির শুরু থেকেই তিনি বিতর্কিত। জনতার ব্যালটের ভোট ডাকাতির করে মগবাজারে ওয়েসিস প্রজেক্টে টাওয়ার-সি এর ৬০৩ নম্বর অ্যাপার্টমেন্টে বাগিয়ে নিয়েছেন দুই হাজার ৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট।

তার কর নথি অনুযায়ী, ফ্ল্যাটের দাম ৯৩ লাখ টাকা। এই মূল্য দেখে অবাক হয়েছেন কর গোয়েন্দারা। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে থলের বেড়াল। ফ্ল্যাট বাবদ ডেভেলপার কোম্পানিকে তিনি ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি এক কোটি ৭৯ লাখ টাকা নগদে পরিশোধ করেছেন। আর ফ্ল্যাট কিনেছেন দুই কোটি ৫৪ লাখ ৯৪ হাজার টাকায়। এক ফ্ল্যাটেই তিনি গোপন করেছেন এক কোটি ৬১ লাখ টাকা। বৈধ আয়ে কেনার সক্ষমতা না থাকায় তিনি তথ্য লুকিয়েছেন। দিয়েছেন কর ফাঁকি।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ টাকায় কিনেছেন বঙ্গবাজারে করেছেন অন্তত ২০টি দোকান। ৩০ লাখ টাকা গড় দাম ধরে সবগুলো দোকানের দাম ছয় কোটি টাকা। ভাড়া দিলে মোটা অঙ্কের অ্যাডভান্স। এছাড়া ভাড়াও মাসপ্রতি ২৫ হাজারের বেশি। নিয়মিত আয় বাড়াতে কিনেছেন সেন্টমার্টিনে ‘সীমানা পেরিয়ে’ নামে একটি রিসোর্ট।

জানা গেছে, এই রিসোর্টে ১৪টি রুম ও একটি রেস্টুরেন্ট আছে। রুমের ভাড়া গড়ে দেড় থেকে আড়াই হাজার টাকা। নির্মাণ ও স্থাপনা সংক্রান্ত কাজে ব্যয় হয়েছে পাঁচ কোটি টাকারও বেশি।

এছাড়া অভিনব পদ্ধতিতে চুরি করতে ব্যবহার করেছেন নিজের পিতার নামও। পিতার নামে পরিচালনা করছেন ‘আব্দুর রশিদ ফাউন্ডেশন’। এই ফাউন্ডেশনের আড়ালে প্রাপ্ত টাকা, কোথায় কোথায় খরচ ও অর্থপাচারের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে কর গোয়েন্দা।

জানতে চাইলে পিরোজপুরের সাবেক ডিসি সাজ্জাদ হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে বিষয়বস্তু তুলে ধরে ক্ষুদে বার্তা দিলে তিনি বলেন, ‘যশোরে আমার পৈতৃক বাড়ি। ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত। আমার সব সম্পদ আয়কর নথিতে আছে। কোনো কিছুই গোপন করা হয়নি। সম্পদ ও আয়ের উৎস সবই নথিতে আছে।’ যদিও সম্পদের মূল্য গোপন করা ও স্ত্রীর নামে গুলশানে ফ্ল্যাটের বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।

বরিশালের সাবেক ডিসি অজিয়র রহমান গনমাধ্যমে বলেন, ‘এ ধরনের কিছুই আমার নেই। এ বিষয়ে কিছু জানাও নেই।’

জানা গেছে, ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে একটি জরিপ করেছিল জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা-এনএসআই। সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের মাত্র ২২টি আসনে জয় নিশ্চিত ছিল। বাকি আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি ও অন্যান্য দলের জয়ের সম্ভাবনা দেখিয়েছিল সংস্থাটি। এরপর গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন ও পুলিশের যাচাই-বাছাইয়ের পর নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মনোনীত করে পতিত সরকার।

যাচাই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল ব্যক্তি ও পরিবারের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা। এর আগে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবিতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জন করে বিএনপিসহ বেশির ভাগ নিবন্ধিত দল।

২০১৮ সালে বহুল আলোচিত সংলাপে শেখ হাসিনার কাছ থেকে সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি পেয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ভোটে অংশ নেয়। তবে আগেই নির্দেশনা দেয়া ডিসিদের কারণে ওই ভোট বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আয়কর গোয়েন্দার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে এসব ডিসিদের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তারা নানা কৌশলে সম্পদ ও আয়ের উৎস গোপন করে এসেছে। এখন তাদের আয় ও সম্পদের বিপরীতে সরকারের প্রাপ্য কর আদায় করবে এনবিআর। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত এখনো চলমান। পরবর্তীতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ, অর্থপাচারসহ অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে সরকারের অন্যান্য সংস্থাগুলো কাজ করবে।’

জানতে চাইলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান গণমাধ্যমে বলেন, ‘এনবিআরকে অবশ্যই তার গোয়েন্দা ইউনিটের জনবল বাড়াতে হবে। যারা কর ফাঁকি দিচ্ছে, তাদের দৃশ্যমানভাবে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তাহলে অন্যরা এ ধরনের কাজে নিরুৎসাহিত হবে।

এনবিআর তার উদ্যোগ-উদ্যম বাড়ালে কর আদায়ও বাড়বে।’

আরও সংবাদ পড়ুন।

সম্মানী বাড়িয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিপত্র জারি

আরও সংবাদ পড়ুন।

এটি কোনো দল বা গোষ্ঠীর বাজেট নয়, দেশের সব মানুষের জন্য : অর্থমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

জনপ্রশাসন ক্যাডারের ১২ কর্মকর্তাকে বদলি

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব চাইল সরকার

আরও সংবাদ পড়ুন।

জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

দুই উপ-সচিবকে বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আরও সংবাদ পড়ুন।

ঢাকায় ডিসি সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আরও সংবাদ পড়ুন।

বরিশাল, খুলনা ও সিলেটে নতুন বিভাগীয় কমিশনার নিয়োগ

আরও সংবাদ পড়ুন।

সারাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

আরও সংবাদ পড়ুন।

আরও সংবাদ পড়ুন।

নতুন ডিসি চার জেলায়

আরও সংবাদ পড়ুন।

নতুন ডিসি নিয়োগ ১১ জেলায়

আরও সংবাদ পড়ুন।

জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হবে আগামী ৩ মে ২০২৬

আরও সংবাদ পড়ুন।

জনপ্রশাসন সচিব মোখলেস উর রহমানকে সরানো হলো

আরও সংবাদ পড়ুন।

এনআইডি তথ্য পাচার মামলার আসামিকে সচিব পদে নিয়োগ; দুদকের অভিযান

আরও সংবাদ পড়ুন।

সাবেক সচিব ভুঁইয়া মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার

আরও সংবাদ পড়ুন।

কক্সবাজার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও মাদারীপুর জেলা প্রশাসককে (ডিসি) প্রত্যাহার

আরও সংবাদ পড়ুন।

কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীন কারাগারে

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন, নতুন তিন সচিব তিন মন্ত্রনালয়ে

আরও সংবাদ পড়ুন।

উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

আরও সংবাদ পড়ুন।

তদন্ত ছাড়াই সরকারি কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা যাবে

আরও সংবাদ পড়ুন।

সরকার বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠালো ৫ সচিব’কে

আরও সংবাদ পড়ুন।

৪ লাখ ৬৮ হাজার পদ খালি সরকারি চাকরিতে

আরও সংবাদ পড়ুন।

জেলা প্রশাসক প্রত্যাহার নিয়ে বিপাকে; লেজেগোবরে অবস্থা জনপ্রশাসনে

আরও সংবাদ পড়ুন।

৬ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন, নতুন তিন সচিব তিন মন্ত্রনালয়ে

আরও সংবাদ পড়ুন।

২৩ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি

আরও সংবাদ পড়ুন।

সারাদেশে জলাশয়গুলো চিহ্নিত করে দেশি মাছের প্রজাতি রক্ষা করতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন, নতুন তিন সচিব তিন মন্ত্রনালয়ে

আরও সংবাদ পড়ুন।

দেশের জলাশয় রক্ষায় আমরা কাজ করে যাব – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

মৎস্যসম্পদ রক্ষায় দেশবাসীকে পরিবেশের প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

আরও সংবাদ পড়ুন।

এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে মানুষের অধিকার কখনো ক্ষুণ্ণ হবে না – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

আগামী ১৮ আগস্ট থেকে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫

আরও সংবাদ পড়ুন।

গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

আরও সংবাদ পড়ুন।

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫ কাল থেকে শুরু: পদক পাচ্ছেন ১৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

গবাদিপশুর রোগ প্রতিরোধে সময়মতো ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

মৎস্য অধিদপ্তরের ৫ কর্মকর্তাকে শোকজ

আরও সংবাদ পড়ুন।

আজ সমুদ্রে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা উঠলো; ভোলায় চাল পায়নি জেলেরা

আরও সংবাদ পড়ুন।

কৃষকের চেয়ে বড় প্রাইভেট সেক্টর আর কি হতে পারে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

ইলিশের বাড়ি ভোলা আর বিভাগ বরিশাল – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top