দৌলতখানে ১০০ বস্তা চাল উদ্ধার, আটক ১

wnews360.com_20250626_152446_0000.png
admin

ভোলা জেলায় দৌলতখানে ১০০ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে, হৃদয় (২২) নামের এক নসিমনচালককে আটক করেছে পুলিশ।

সাগর চৌধুরীঃ ভোলা জেলায় সম্প্রতি সরকারের বরাদ্দ চাল নিয়ে নয় ছয় এর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি বরাদ্দ চাল নিয়ে নানা রকম অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর ইতোমধ্যে গণমাধ্যমের প্রকাশিত হয়েছে। তারপরও উদাসীন স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন।

বন্ধ নেই চাল চুরি, সরকারের বরাদ্দ চাল নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি।

জেলার প্রতিটি উপজেলায় এই অনিয়ম এবং দুর্নীতি চলমান রয়েছে। গতকাল দৌলতখান উপজেলায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির পাঁচ মেট্রিক টন (১০০ বস্তা) সরকারি চাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এ সময় হৃদয় (২২) নামের এক নসিমনচালককে (চাল বহনকারী) আটক করা হয়। তাঁর বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার চরনোয়াবাদ এলাকায়। নসিমন চালক আটক হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে চাল আত্মসাত কারী ও জাল পাচারকারী।

গতকাল বুধবার (২৫ জুন ২০২৫) রাতে দিকে বাংলাবাজার ভূমি অফিসের সামনে অভিযান চালিয়ে চালসহ তাঁকে আটক করে বালাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল।

বালাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কাবিখা কর্মসূচির ১০০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। চাল বহনের কাজে ব্যবহৃত নসিমনসহ চালক হৃদয়কে আটক করা হয়েছে।’

জব্দ করা চাল ও আটক হৃদয়কে দৌলতখান থানায় হস্তান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে দৌলতখান উপজেলার স্থানীয়দের মতামত জানতে চাইলে তারা জানান, দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান নিজেই দৌলতখান পৌরসভার কমিশনার। পাবলিক সার্ভেন্ট অথবা জিরো ইন্টারেস্ট হিসেবে তিনিই তো দণ্ডিত। যা সরকারের বিধি ও বিধান পরিপন্থী। থানার ওসি হয়ে সে কখনোই পৌরসভার কমিশনার বা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করতে পারে না।

এ বিষয়ে দৌলতখান উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়তি রানী কৈরী বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, আটক চাল দৌলতখান উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের জেলেদের জন্য বরাদ্দ ছিল। প্রকৃত জেলেদের মধ্যে চাল না দিয়ে তা রাতের আঁধারে পাচার করা হচ্ছিল। এলাকাবাসীর দাবি, এসব চোর চক্রকে আইনের আওতায় আনা হোক।

স্থানীরা আরও অভিযোগ করেন, আগে তো আওয়ামী লীগ ছিল তারা অবৈধ কাজগুলো করেছে, এখন তো দৌলতখানে আওয়ামী লীগের কেউ নেই! তাহলে সরকারি বরাদ্দের চাল অবৈধভাবে পাচার হয় কিভাবে? পাচার কারা করে ?

উপজেলা প্রশাসন এবং জেলা প্রশাসন সরকারি চাল চুরির বিষয়ে কেন জবাবদিহি করবে না? দেশের সম্পদ, জনগণের সম্পদ, রাষ্ট্রের সম্পদ তারা রক্ষা করতে পারে না। তাহলে তারা দায়িত্বে থেকে লাভ কি? জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে পারেনা!

আরও সংবাদ পড়ুন।

আজ সমুদ্রে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা উঠলো; ভোলায় চাল পায়নি জেলেরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top