‘ভূমির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষি ভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ খসড়া
বিশেষ প্রতিবেদকঃ অপরিকল্পিত নগরায়ন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দেশের কৃষিজমি দ্রুতই কমে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে কৃষিজমি সংরক্ষণ, ভূমির জোনভিত্তিক পরিকল্পনা এবং পাহাড়-টিলা, বন, জলাশয়ের ভূমি রক্ষায় ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষি ভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ প্রণয়ন করেছে সরকার।
এ অধ্যাদেশ অনুযায়ী অনুমোদন ব্যতীত কৃষিভূমি অকৃষিকাজে ব্যবহার ও কৃষিজমিতে বাণিজ্যিক আবাসন, রিসোর্ট, শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা কারখানা নির্মাণ হবে অপরাধ। যার জন্য পেতে হবে শাস্তি।
সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয় এ অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত করেছে। উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের পর গেজেট জারির মাধ্যমে এটি কার্যকর হবে।
কেন এ অধ্যাদেশ?
‘ভূমির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষি ভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে খসড়ায় বলা হয়েছে, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, অপরিকল্পিত নগরায়ন, আবাসন, উন্নয়নমূলক কার্য, শিল্প-কারখানা স্থাপন, রাস্তাঘাট নির্মাণসহ নানা কারণে প্রতিনিয়ত ভূমির প্রকৃতি ও শ্রেণি পরিবর্তিত হচ্ছে এবং দেশে কৃষি ভূমির পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমছে এবং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষিভূমি সুরক্ষা এবং ভূমিরূপ ও ভূ-প্রকৃতি অনুসারে ভূমির জোনভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নে অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা সমীচীন। সেজন্য ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষি ভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’।
এই অধ্যাদেশ রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি তিনটি পার্বত্য জেলা ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য হবে।
‘ভূমি ব্যবহার জোনিং ম্যাপ’ প্রণয়ন
অধ্যাদেশের ৪ ধারায় বলা হয়েছে, এই অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকার কৃষিজমি সুরক্ষা ও জোনভিত্তিক ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে ভূমির বিদ্যমান ব্যবহার, প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও ভূমিরূপ যথাযথভাবে পরীক্ষা করে অত্যাধুনিক ডিজিটালাইজড প্রযুক্তির মাধ্যমে ধারণকৃত প্রতিচ্ছবি যথাযথ বিশ্লেষণ করে এবং সরেজমিন পরিদর্শন করে মৌজা, দাগ বা অন্য কোনো চিহ্ন বা সীমারেখা দ্বারা ‘ভূমি ব্যবহার জোনিং ম্যাপ’ (অতঃপর ‘জোনিং ম্যাপ’ বলে অভিহিত) প্রণয়ন করবে। এ সংক্রান্ত ডাটাবেজ সংরক্ষণ করবে এবং নিয়মিত হালনাগাদ করবে। এই জোনিং ম্যাপ সমগ্র দেশের জন্য একই সাথে, পর্যায়ক্রমে অথবা কোনো বিশেষ ব্যবহারকে প্রাধান্য দিয়ে প্রণয়ন করা যাবে। সরকার জোনিং ম্যাপের সাথে স্থানিক পরিকল্পনার সামঞ্জস্য নিশ্চিত করবে।
ভূমি জোনিংয়ের শ্রেণিবিন্যাস
অধ্যাদেশের ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী সরকার ভূমিকে ১৮ শ্রেণিভুক্ত করবে। এই ধারায় বলা হয়েছে, সরকার জোনিং ম্যাপ প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ভূমিকে ১৮ শ্রেণিভুক্ত করবে এবং জাতীয় স্বার্থে খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিবেচনায় প্রয়োজনে নতুন জোন সৃজন, বিদ্যমান জোন একত্রীকরণ, পৃথকীকরণ ও বিলুপ্ত করতে পারবে।
শ্রেণিগুলো হলো– ১. কৃষি অঞ্চল, ২. বিশেষ কৃষি অঞ্চল, ৩. কৃষি-মৎস্য চাষ অঞ্চল, ৪. নদী ও খাল, ৫. জলাশয়, জলাধার ও জলাভূমি, ৬. পরিবহন ও যোগাযোগ অঞ্চল, ৭. শহরে আবাসিক অঞ্চল, ৮. গ্রামীণ বসতি অঞ্চল, ৯. মিশ্র ব্যবহার, ১০. বাণিজ্যিক অঞ্চল, ১১. শিল্প অঞ্চল, ১২. প্রাতিষ্ঠানিক ও নাগরিক সুবিধা অঞ্চল, ১৩. বন ও রক্ষিত এলাকা অঞ্চল, ১৪. পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা/পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকা, ১৫. সাংস্কৃতিক-ঐতিহ্য অঞ্চল, ১৬. পাহাড়-টিলা, ১৭. পতিত এবং ১৮. অন্যান্য।
সুরক্ষা বিধানগুলো
অধ্যাদেশের ৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, সরকার সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো ও জেলা প্রশাসন ভূমির প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ব্যবহারভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তিতে ভূমি সুরক্ষার ব্যবস্থা করবে।
সর্বশেষ প্রকাশিত বা বলবৎ ভূমি জরিপের স্বত্বলিপি ও সরেজমিন পরিদর্শনের ভিত্তিতে নিচের শ্রেণিগুলোর ভূমি কৃষিভূমি হিসেবে গণ্য করা যাবে– নাল, বিলান, ধানি জমি, বোরো, বালুচর, চর ভূমি, বীজতলা, বাগান, পান বরজ, ঘাসবন, পতিত, লায়েক পতিত, হোগলবন, নলবন, বাইদ, চালা, হর্টিকালচার, মৎস্য চাষ, নার্সারি, মাঠ, বেড়, দলা, বেগুন টিলা, মরিচ টিলা, ভিটি, ভিটা, ডাঙ্গা, ছোণখোলা, ভাগার, বাঁশঝাড়, গো-চারণ ভূমি, পুকুর পাড়, সহুরী, সাটিউড়া, আছারউরা, গভীর নলকূপ ও সমজাতীয় আবাদি ভূমি এবং সরকার থেকে সময়ে সময়ে নির্ধারিত যেকোনো শ্রেণির ভূমি।
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০-এর ৮৩ ধারায় যা কিছুই থাকুক না কেন এই অধ্যাদেশের অধীনে সংজ্ঞায়িত সব কৃষিভূমি সুরক্ষা করতে হবে। এই অধ্যাদেশ জারির পর সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে কৃষিভূমি চিহ্নিত করে ভূমি ম্যাপিংয়ের কাজ শুরু করবে এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে কৃষিভূমির তালিকা ও বিবরণ সংগ্রহ করবে।
এক, দুই, তিন, চার বা ততোধিক ফসলি জমি চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে মৎস্য চাষকে কৃষি বিবেচনা করে কৃষিভূমির শ্রেণি নির্ধারণ করতে হবে। সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বা অর্থনৈতিক বিবেচনায় নির্দিষ্ট কৃষি পণ্য অথবা দুই বা ততোধিক ফসল উৎপাদিত হয় এমন কৃষিজমি রক্ষায় বিশেষ কৃষি অঞ্চল ঘোষণা করবে। বিশেষ কৃষি অঞ্চল ভূমি কৃষি ব্যতীত অন্য কোনো প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে না।
বিশেষ কৃষি অঞ্চল বহির্ভূত দুই, তিন, চার বা ততোধিক ফসলি কৃষি ভূমি অকৃষি কাজে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে, সরকার জ্বালানি, খনিজ সম্পদ ও প্রত্নসম্পদ সন্ধান ও আহরণসহ অপরিহার্য অন্য কোনো জাতীয় প্রয়োজনে নিরপেক্ষ প্রভাব নিরূপণ সাপেক্ষে ন্যূনতম পরিমাণ কৃষিভূমি অকৃষি কাজে ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করতে পারবে। তবে আরও শর্ত থাকে যে, এমন অনুমোদনের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে অধিগ্রহণ করা অব্যবহৃত ভূমির ব্যবহারকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং মোট কৃষিভূমির ১০ ভাগের বেশি অকৃষিকাজে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যাবে না।
এই অধ্যাদেশের কোনো বিধান অকৃষিভূমি কৃষিকাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হবে না। ইট ভাটায় বা অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য ভূমির উপরিভাগ, পাহাড়-টিলা এবং জলাধারের পাড়ের মাটি ক্রয়-বিক্রয়, অপসারণ, পরিবহন ও ব্যবহার করা যাবে না।
বিদ্যমান আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে জলাধার বা জলাভূমি ভরাট করা যাবে না, পাহাড়-টিলা কর্তন করা যাবে না এবং প্রাকৃতিক বন, বন-বিরুদ্ধ কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
কোনো আবাসন কোম্পানি, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কারখানা বা অন্য কোনো ব্যক্তি কৃষিভূমি, জলাধার ও জলাভূমি ভরাট করলে বা কোনো স্থাপনা নির্মাণ করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে এবং আইনি প্রক্রিয়ার অতিরিক্ত হিসেবে দায়ী ব্যক্তি কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুসারে ভরাট করা মাটি ও স্থাপনা অপসারণ করতে বাধ্য থাকবেন।
সাগর ও উপকূলীয় অঞ্চলের ভূমি সুরক্ষায় সরকার এই অধ্যাদেশের অধীনে প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন করবে। ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকার থেকে বিধি দ্বারা নির্ধারিত সর্বোচ্চ সিলিং প্রযোজ্য হবে। রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০-এর ৮৩ ধারায় যাই থাকুক না কেন, কৃষিজমি ব্যতীত অন্যান্য শ্রেণিভুক্ত ভূমিও এই অধ্যাদেশের বিধান অনুযায়ী সুরক্ষা করা হবে এবং সরকার থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুমোদন ব্যতীত ব্যবহারভিত্তিক শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না।
জেলা প্রশাসকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য
৯ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, এ অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণ করতে জেলা প্রশাসকরা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে নিচের দায়িত্ব পালন করবেন।
সেগুলো হলো– জোনিং ম্যাপ সমাপ্ত হোক বা না হোক কৃষিভূমির তালিকা প্রস্তুত ও সুরক্ষা; প্রচলিত আইন অনুসারে জলাধার, জলাভূমি, পাহাড়-টিলা, বন, বনভূমিসহ পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল ভূমির তালিকা প্রস্তুত, সীমানা নির্ধারণ ও সুরক্ষা; গো-চারণভূমির তালিকা প্রস্তুত এবং সংরক্ষণ; ইটভাটার লাইসেন্স দেওয়ার আগে মাটির সুনির্দিষ্ট উৎস চিহ্নিতকরণ এবং সেই মর্মে ইটভাটার মালিকের কাছ থেকে অঙ্গীকারনামা আদায়; ইটভাটায় ব্যবহারের জন্য পতিত জমির মাটি বা ড্রেজিংকৃত মাটি চিহ্নিতকরণ এবং এর বাইরে অন্য সকল প্রকার মাটির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং এই অধ্যাদেশের অধীনে সরকার থেকে দেওয়া অন্যান্য আদেশ ও নির্দেশ প্রতিপালন।
কৃষিভূমিতে আবাসন ও অবকাঠামো
অধ্যাদেশের ১০ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে নিজস্ব কৃষিভূমিতে বসতবাড়ি, উপাসনালয়, কবরস্থান, সমাধি, গুদামঘর, পারিবারিক ব্যবহারের জন্য পুকুর, কুটির শিল্পসহ বসতবাড়ির সাথে সম্পর্কিত স্থাপনাদি নির্মাণ করতে পারবেন। অনুমতি গ্রহণ না করে কৃষিভূমিতে স্থাপনা বা অবকাঠামো নির্মাণ করলে বা কৃষিভূমি অকৃষি কাজে ব্যবহার করলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ স্থাপনা, অবকাঠামো বা উপকরণ অপসারণের আদেশ দিতে পারবেন এবং এমন আদেশ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর বাধ্যতামূলক হবে। জনস্বার্থে এবং অনুমোদনের শর্তাবলি লঙ্ঘন করলে কর্তৃপক্ষ অনুমোদন বাতিল করতে পারবে।
শ্রেণি পরিবর্তনের আবেদন
১১ ধারায় বলা হয়েছে, কৃষিভূমি, পাহাড়-টিলা, জলাধার, জলাভূমি ব্যতীত বিদ্যমান অন্যান্য ভূমিরূপ অথবা জোনিংয়ে উল্লিখিত ভূমিরূপ পরিবর্তন করতে চাইলে বা জোনিং শ্রেণি বহির্ভূত কাজে ভূমি ব্যবহার করতে চাইলে এই অধ্যাদেশের অধীনে প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। শ্রেণি বা ব্যবহার পরিবর্তনের কোনো অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষকে এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে না এবং জনস্বার্থ, প্রকৃতি ও পরিবেশের ওপর এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে না মর্মে নিশ্চিত হতে হবে।
১২ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, সরকার এই অধ্যাদেশের অধীন তার ক্ষমতা বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-দেরকে নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে প্রয়োগের জন্য অর্পণ করতে পারবে।
অপরাধ ও দণ্ড
অধ্যাদেশের ১৪ ধারায় অপরাধ ও দণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, এই অধ্যাদেশের অধীনে অনুচ্ছেদ ৭, ১০ ও ১১ লঙ্ঘন করে নিচের কার্যাবলি সম্পাদন অপরাধ বলে গণ্য হবে– অনুমোদন ব্যতীত জোনিং ম্যাপে উল্লিখিত ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন; অনুমোদন ব্যতীত কৃষিভূমি অকৃষিকাজে ব্যবহার; কৃষিভূমিতে বাণিজ্যিক আবাসন, রিসোর্ট, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কারখানা বা অনুরূপ স্থাপনা বা অবকাঠামো নির্মাণ; ইটভাটায় কৃষিজমির উপরিভাগ বা পাহাড়-টিলার মাটি ব্যবহার; বিশেষ কৃষি অঞ্চল, জলাধার, জলাভূমি, পাহাড়-টিলা, বন ও বনভূমির ক্ষতিসাধন ও ভূমিরূপ পরিবর্তন এবং এই অধ্যাদেশের অধীনে প্রণীত কোনো আদেশ বা বিধি লঙ্ঘন।
অনুমোদন ব্যতীত জোনিং ম্যাপে উল্লিখিত ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনের শাস্তি সর্বোচ্চ ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড; অনুমোদন ব্যতীত কৃষিভূমি অকৃষিকাজে ব্যবহারের শাস্তি সর্বোচ্চ ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ২ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড; কৃষিভূমিতে বাণিজ্যিক আবাসন, রিসোর্ট, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কারখানা বা অনুরূপ স্থাপনা বা অবকাঠামো নির্মাণের শাস্তি সর্বোচ্চ ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড; ইটভাটায় কৃষিজমির উপরিভাগ বা পাহাড়-টিলার মাটি ব্যবহারের শাস্তি সর্বোচ্চ ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
বিশেষ কৃষি অঞ্চলের ক্ষতি সাধনের শাস্তি সর্বোচ্চ ৩ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড এবং অতিরিক্ত হিসাবে ক্ষতিপূরণ ও সংশোধনমূলক ব্যবস্থার নির্দেশ; জলাধার, জলাভূমি, পাহাড়-টিলা ও বনের ক্ষতিসাধন ও ভূমিরূপ পরিবর্তনের শাস্তি হিসেবে প্রচলিত আইনের শাস্তির বিধান অনুসৃত হবে। তবে অতিরিক্ত হিসাবে ক্ষতিপূরণ, ভূমির প্রকৃতি পুনঃস্থাপন, অবৈধভাবে ভরাটকৃত মাটি ও স্থাপনা অপসারণ, বৃক্ষরোপণসহ প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া যাবে।
এই অধ্যাদেশের অধীনে প্রণীত কোনো আদেশ বা বিধি লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড দেওয়া হবে। এই অধ্যাদেশের অধীন অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত যন্ত্রপাতি, সরঞ্জামাদি জব্দ করার নির্দেশ দেওয়া যাবে।
কৃষিজমির সুরক্ষায় এই অধ্যাদেশ : সিনিয়র সচিব
এ বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে কৃষিজমি ব্যবহার হচ্ছে এবং এর পরিমাণ কমে যাচ্ছে। আমাদের দেশে তো জমির পরিমাণ কম। বাংলাদেশ কৃষিভিত্তিক দেশ। কৃষিজমি যদি এভাবে কমে যায় খাদ্য ঘাটতি হবে। সেজন্য কৃষিজমির সুরক্ষায় মূলত এই অধ্যাদেশ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শুধু কৃষিজমি নয়, এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে অন্যান্য জমি যেমন বন, পাহাড়, জলাশয় সেগুলোর সুরক্ষা দিতে চাইছি। এই অধ্যাদেশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ হয়ে উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন পেলে দ্রুতই কার্যকর করা হবে।
আরও সংবাদ পড়ুন।
শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে সামরিক বাহিনী ও পুলিশের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজে গ্র্যাজুয়েশন সনদ বিতরণ প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
মাইলস্টোন দুর্ঘটনা: সাড়ে তিন মাস চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরলেন যমজ দুই শিশু
আরও সংবাদ পড়ুন।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
একনেক সভায় ৭ হাজার ১৫০ কোটি টাকার ১২টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন
আরও সংবাদ পড়ুন।
মাইলস্টোন দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা
আরও সংবাদ পড়ুন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শরীরচর্চা ও সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তাবনা বাতিল
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সাক্ষাৎ, নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
নির্বাচন বানচালের যে কোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন সহজবোধ্য করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করতে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান
আরও সংবাদ পড়ুন।
নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে দ্রুত বডি-অন-ক্যামেরা ক্রয়ের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে দ্রুত বডি-অন-ক্যামেরা ক্রয়ের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
জুলাই জাতীয় সনদ প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের হস্তান্তর করেছে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
অগ্নিনিরাপত্তা পরিদর্শন সপ্তাহ পালনের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
যে এলাকায় দুদকের অফিস থাকবে, সেখানেই বিশেষ আদালত গঠনের বিধান রাখা হয়েছে – আইন উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিএনপিকে প্রধান উপদেষ্টা : নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ করার জন্য যা কিছু প্রয়োজন, আমরা তা করব
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আগামী ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে : প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গঠনে ছয় দফা প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার : ‘তিন-শূন্য বিশ্ব’ গড়ার আহ্বান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ইউএনজিএ সফরে গণতন্ত্র ও মানবিক সংহতির অঙ্গীকার তুলে ধরেছেন অধ্যাপক ইউনূস: প্রেস সচিব
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টার সাত দফা প্রস্তাব: রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান প্রত্যাবাসন
আরও সংবাদ পড়ুন।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে পূর্ণ সমর্থনের অঙ্গীকার জাতিসংঘ মহাসচিবের
আরও সংবাদ পড়ুন।
দেশ পুনর্গঠনে অংশ নিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান
আরও সংবাদ পড়ুন।
দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্রমুক্ত অঞ্চল প্রতিষ্ঠার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
মার্কিন কোম্পানিকে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
সমৃদ্ধ ও স্থিতিশীলতার অর্থনীতি গড়ে তুলতে বিশ্ব নেতাদের প্রতি অধ্যাপক ইউনূসের আহ্বান
আরও সংবাদ পড়ুন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টার যোগদান
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবারের সাক্ষাৎ
আরও সংবাদ পড়ুন।
ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক মতভিন্নতার শান্তিপূর্ণ সমাধান হবে : প্রেস সচিব
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আন্তর্জাতিক গণিত ও জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে পদকজয়ী ৬ শিক্ষার্থীর সাক্ষাৎ
আরও সংবাদ পড়ুন।
বাংলাদেশের জলবায়ু সংকটের গল্প বিশ্বে তুলে ধরতে হবে: প্রেস সচিব
আরও সংবাদ পড়ুন।
ডাকসু নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশ
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বাধাগ্রস্ত করার যে চেষ্টাই হোক ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
নুরুল হকের সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রবাসীদের রেমিটেন্সে অর্থনীতি মজবুত অবস্থায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে : প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
মালয়েশিয়ায় আরো বাংলাদেশী কাজ করার সুযোগ পাবেন : আশা প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
দেশের বাইরে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে সরকার: প্রেস সচিব
আরও সংবাদ পড়ুন।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে রমজানের আগে নির্বাচন : প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
গুম সংক্রান্ত প্রতিবেদন ওয়েবসাইট ও বই আকারে প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
রোহিঙ্গাদের জন্য টেকসই সংহতি ও বর্ধিত আর্থিক সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্যের মাধ্যমে জুলাই সনদ ঘোষণার অঙ্গীকার প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
নিক্কেই ফোরামে প্রধান উপদেষ্টা – ‘সব দল নয়, একটি রাজনৈতিক দলই শুধু ডিসেম্বরে নির্বাচন চায়’
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
জুনের প্রথম সপ্তাহে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফা আলোচনা শুরু
আরও সংবাদ পড়ুন।
তিন বাহিনীর প্রধান; প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে
আরও সংবাদ পড়ুন।
বাংলাদেশে স্টারলিংকের যাত্রা শুরু হওয়ায় প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
লুটপাটের অর্থ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠনের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
ডিজিটাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান সুযোগ নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০১১’ হালনাগাদ করার সিদ্ধান্ত
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
হজযাত্রীদের জন্য ‘লাব্বায়েক’ অ্যাপ উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বাংলাদেশে ব্যবসার সম্ভাবনা খুঁজে দেখছে পাকিস্তানের শিল্পগোষ্ঠী এনগ্রো
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা ‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য সেরা জায়গা’
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে অগ্রগতি: এক লাখ ৮০ হাজার জনের নাম চূড়ান্ত
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার : প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
তরুণদের চাকরিপ্রার্থী না হয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
ব্যাংককে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠক হতে যাচ্ছে
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন – প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী সারা দেশে বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল : প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টার কাছে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন হস্তান্তর
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
রোহিঙ্গা সঙ্কট মোকাবিলায় ৬৮ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
আরও সংবাদ পড়ুন।
পবিত্র রমজান মাসে আত্মসংযমের মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে : প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
জাতিসংঘ মহাসচিব মার্চের মাঝামাঝি ঢাকা সফর করবেন: প্রধান উপদেষ্টাকে জাতিসংঘ দূত
আরও সংবাদ পড়ুন।
একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের সজাগ থাকার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
সংলাপের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু : প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বাংলাদেশে স্টারলিংক আনার বিষয়ে অধ্যাপক ইউনূস-ইলন মাস্ক আলোচনা
আরও সংবাদ পড়ুন।
দুবাইয়ে ডব্লিউজিএসের ইন্টারেক্টিভ প্লেনারি অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন অধ্যাপক ইউনূস
আরও সংবাদ পড়ুন।
বাংলাদেশের সংস্কার কর্মসূচির প্রতি বিশ্বব্যাংকের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ড. ইউনূস পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে ক্রিস্টিন লাগার্ডের সহায়তা চান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যোগ দিতে আজ রাতে সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
উদ্যোক্তা তৈরিতে উপজেলা পর্যায়ে বাণিজ্য মেলা আয়োজনের পরামর্শ প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিচার বিভাগকে ঘুষ ও দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য সব ধরনের চেষ্টাই করা হচ্ছে : ড. ইউনূস
আরও সংবাদ পড়ুন।
পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’-ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ)’র ৭৯তম অধিবেশনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর ভাষণের পূর্ণ বিবরণ
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের বৈঠক : সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতার অঙ্গীকার
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের দাবি
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন – অসহযোগ আন্দোলন শুরু: যেসব নির্দেশনা মানাতে হবে
আরও সংবাদ পড়ুন।
ভোলার সাবেক জেলা ও দায়রা জজ এ.বি.এম. মাহমুদুল হক সহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
অনিয়ম ও দূর্নীতি’র অভিযোগে বিচারপতি ড. মো. আখতারুজ্জামান এর পদত্যাগ
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
সাবেক বিচারপতি মানিক ৫ কোটি টাকার সম্পদ ও প্লট জালিয়াতির মামলায় ফাঁসলেন
আরও সংবাদ পড়ুন।
যে এলাকায় দুদকের অফিস থাকবে, সেখানেই বিশেষ আদালত গঠনের বিধান রাখা হয়েছে – আইন উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রথমবারের মতো কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশ-সৌদি আরব চুক্তি স্বাক্ষর
আরও সংবাদ পড়ুন।
বার কাউন্সিল পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনও সুযোগ নেই – অ্যাটর্নি জেনারেল
আরও সংবাদ পড়ুন।
অন্তর্বর্তী সরকার মানবাধিকার রক্ষায় একটি মাইলফলক স্থাপন করে যেতে চায় : আইন উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
জেলা জজের অসদচারণ ও দুর্নীতি বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে অভিযোগ
আরও সংবাদ পড়ুন।
ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এ,এইচ,এম মাহমদুর রহমানের রাজশাহীতে বদলী
আরও সংবাদ পড়ুন।
ভোলা কোর্টের বিচারক ও আইনজীবীদের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে মিছিল ও মানববন্ধন
ভিডিও চিত্র দেখুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
জেলা প্রশাসকের সরকারি বাসভবনের নির্মাণাধীন সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর; থানায় জিডি
আরও সংবাদ পড়ুন।
ভোলা জেলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এপিপি’দের ধর্মঘট; অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
অভ্যুত্থানের সকল কারাবন্দীর নাম জুলাই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে: আসিফ নজরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আ.লীগের নৃশংসতা হানাদার বাহিনীকেও হার মানিয়েছে : আইন উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
ভোলা কোর্টের বিচারক ও আইনজীবীদের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে মিছিল ও মানববন্ধন
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মাসউদ ও সাধারণ সম্পাদক ডালিম
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
মিথ্যা মামলা ও অযৌক্তিক গ্রেপ্তার এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ বিধান আনছে সরকার – আইন উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
মানুষকে মামলার অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে কাজ করছি – আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
মানুষকে মামলার অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে কাজ করছি – আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
তদন্ত কার্যক্রম ও বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চলমান : চিফ প্রসিকিউটর
আরও সংবাদ পড়ুন।
তদন্ত কার্যক্রম ও বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চলমান : চিফ প্রসিকিউটর
আরও সংবাদ পড়ুন।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে: প্রধান বিচারপতি
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খিজির হায়াতকে অপসারণ
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিচারপতি কাজী জিনাত হক হলেন সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান
আরও সংবাদ পড়ুন।
বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছি : প্রধান বিচারপতি
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ আদেশ: অন্তর্বর্তী সরকার আইনি দলিল ও জনগণের ইচ্ছা দিয়ে গঠিত
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
নিয়োগবাণিজ্য, ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে ৪ বিচারককে প্রত্যাহার
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ হবে কাউন্সিলের মাধ্যমে, অধ্যাদেশ জারি
আরও সংবাদ পড়ুন।
জাতি অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ট্রাইব্যুনালের দিকে তাকিয়ে আছে : প্রধান বিচারপতি
আরও সংবাদ পড়ুন।
উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগবিধি সংস্কার খুবই গুরুত্বপূর্ণ : আইন উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।


























