শেকড়
যখন শেকড় ছিলো মাটিতে
ডালাপালা কেটে নিলেও বিকশিত হতো নতুন পাতায়,
বার বার খুব খেয়াল করে কেটে দিতে নতুন কুঁড়ি!
গাছটি প্রাণান্ত চেষ্টা করতো আবার সাজাতে সাজতে মোলায়েম, ঝিরিঝিরি বাতাসে
বার বার ডাল কেটেও যখন রুখতে পারলে না তখন দিলে শেকড় উপড়ে!
উপড়ানো শেকড় দিয়ে উনুন জ্বালালে,কান্ড দিয়ে বানালে বাহারী আসবাব!
সেই আসবাবে যদি জল ঢালো গাছ ফিরে পাবে প্রাণ?
শেকড় উপড়ানো গাছের যন্ত্রণা কাঠুরে জানবে কী করে?
কম্বোপ্যাকে হারিয়ে যায় গাছের শৈশব-কৈশোর-যুবা বেলা।
এখন গাছটি কয়লা
এখন গাছটি আসবাব
এখন গাছটি বারোয়ারী হাটের মাল!
কাঠুরের কুঠার জানে রক্তের স্পর্শ কেমন!
গাছের নতুন নাম আলমিরা-খাট -চেয়ার-টেবিল
অথবা
কাঠকয়লা….৷৷
শাহানা সিরাজী
কবি, প্রাবন্ধিক ও কথা সাহিত্যিক।



























