খাদ্য কর্মকর্তার কারাদণ্ড – স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ

Picsart_26-05-16_22-21-51-669.png
Sagar Chawdhary

অপরাধ প্রতিনিধিঃ দুর্নীতি ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে স্ত্রী, বাবাসহ সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক মনিরুল ইসলামকে পৃথক দুটি মামলায় পাঁচ বছর করে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত পাবনা জেলা কার্যালয়ের পৃথক মামলার রায়ে পাবনার স্পেশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু সালেহ মো. সালাহউদ্দিন খাঁ এ দণ্ড দেন।

রায়ে আসামিদের এক কোটি ২৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত পাবনা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক শহীদুল আলম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার চরদমদমার বাসিন্দা ও কামারখন্দ খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম, তার বাবা শহিদুল ইসলাম প্রামাণিক এবং স্ত্রী ডলি বেগম। আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, মনিরুল ইসলামের অবৈধভাবে অর্জিত ৫৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে তার বাবা শহিদুল ইসলাম প্রামাণিক বাড়ি নির্মাণ করেন এবং স্ত্রী ডলি বেগম ৬০ লাখ টাকা ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করেন। এ বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্ত শেষে ২০২৩ সালে পৃথক দুটি মামলা করেন দুদক পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে মনিরুল ইসলামকে পাঁচ বছর করে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৬০ লাখ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। বাবা সহিদুল ইসলাম প্রামাণিক এবং স্ত্রী ডলি বেগমকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
এছাড়া আসামিদের নামীয় সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আদেশ দেন আদালত।

scroll to top