বিশেষ প্রতিবেদকঃ দেশের প্রশাসনিক স্তরে সরকারি কর্মকর্তাদের একাংশের রূঢ় আচরণ এবং অপেশাদার কর্মকাণ্ড নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন ভিডিও এবং মাঠ পর্যায়ের কিছু ঘটনায় দেখা যাচ্ছে, জনগণের সেবক হিসেবে পরিচিত কর্মকর্তারা সাধারণ নাগরিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের সাথে অশোভন আচরণ করছেন।
সরকারি দফতরগুলোতে বর্তমানে এক ধরণের ‘পেশাদারিত্বের দাপট’ চলছে যেখানে সাধারণ মানুষের আবেগ বা দেশপ্রেমের চেয়ে ক্ষমতার দম্ভ বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে। অথচ তারা দেখে না আমাদের প্রধানমন্ত্রী কিভাবে শান্ত, ভদ্র ও নমনীয়তার সাথে সবার সাথে আচারণ করে দেশ পরিচালনা করছেন।
সোস্যাল মিডিয়ায় এক ভুক্তভোগীর অভিযোগ থেকে জানা যায়, এক সরকারি কর্মকর্তার রূঢ় আচরণের শিকার হয়েছেন দীর্ঘদিনের এক দেশপ্রেমিক ও পরোপকারী নাগরিক। অথচ ‘মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে’—এই চিরাচরিত সত্যকে উপেক্ষা করে তুচ্ছ কারণে সাধারণ মানুষকে নাজেহাল করা হচ্ছে। সম্প্রতি সিটি কর্পোরেশন দক্ষিণের বর্যব্যবস্থাপনার এক কর্মকর্তা গরুর হাট নিয়ে বিএনপির এক নেতার সাথে রূঢ় আচরণ করেন। যা দেখে দেশের মানুষ অবাক হয়ে গেছে।
অবশ্য ইদানিং কিছু সরকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে একটা ট্রেন্ড দেখা গিয়েছে যে, বিএনপি নেতা-কর্মিদের তো পছন্দ করেই না বরং তাদের সাথে খারাপ আচারণ করে এবং সোস্যাল মিডিয়ায় নিজেকে ভাইরাল করার প্রবনতায় মত্ত হয়ে বিএনপি’র বদনাম করছে।
বিগত ফ্যাসিবাদ সরকারের সময়ও এই কর্মকর্তারাই রাজনৈতিক লুটেরাদের সাথে মিলে মিশে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছিলো।


























