বিশেষ প্রতিবেদকঃ সরকারি কর্মচারীদের জবাবদিহিতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এবং দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়া সংযোজন করে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
আইনের মাধ্যমে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইন সংশোধন করে নতুন ধারা ৩৭ (ক) যুক্ত করা হয়েছে, যেখানে জনসেবার কার্যক্রম ব্যাহতকারী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
রবিবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী সংসদে এ সংক্রান্ত বিলটি উত্থাপন করেন এবং কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়।
বিল অনুযায়ী, কোনও সরকারি কর্মচারী যদি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বৈধ নির্দেশ অমান্য করেন বা যৌক্তিক কারণ ছাড়া সরকারি নির্দেশনা ও পরিপত্র বাস্তবায়নে বাধা দেন, তাহলে তা ‘শৃঙ্খলাভঙ্গজনিত অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে। এ ছাড়া অনুমতি ছাড়া দলবদ্ধভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা বা অন্য কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়াও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
নতুন বিধানে দোষী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে পদাবনতি, বেতন গ্রেড হ্রাস, বাধ্যতামূলক অবসর কিংবা চাকরিচ্যুতির মতো কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে পারে। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিলটিতে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিসের জবাব ৭ কার্যদিবসের মধ্যে দিতে হবে।
জবাব সন্তোষজনক না হলে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে এবং কমিটিকে ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। বিশেষ ক্ষেত্রে একবারের জন্য অতিরিক্ত ৭ দিন সময় বাড়ানো যাবে।
গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে তদন্ত কমিটির সদস্যদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলে তা তাদের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (পিএমআইএস) ও সরকারি নথিতে ‘অদক্ষতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হবে, যা তাদের বিরুদ্ধে পৃথক শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কারণ হতে পারে।
বিল অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত কর্মচারী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। তবে, রাষ্ট্রপতির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না, যদিও একই সময়ের মধ্যে পর্যালোচনার আবেদন করা যাবে।
বিলে উল্লেখ করা হয়, শৃঙ্খলাভঙ্গ দমন এবং রাষ্ট্রের কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে এই সংশোধন প্রয়োজনীয়। এ আইন কার্যকর হলে ২০২৫ সালের ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ’ এবং ‘সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ’ বাতিল হয়ে যাবে।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
এনআইডি তথ্য পাচার মামলার আসামিকে সচিব পদে নিয়োগ; দুদকের অভিযান
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
কক্সবাজার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও মাদারীপুর জেলা প্রশাসককে (ডিসি) প্রত্যাহার
আরও সংবাদ পড়ুন।
কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীন কারাগারে
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন, নতুন তিন সচিব তিন মন্ত্রনালয়ে
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
জেলা প্রশাসক প্রত্যাহার নিয়ে বিপাকে; লেজেগোবরে অবস্থা জনপ্রশাসনে
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন, নতুন তিন সচিব তিন মন্ত্রনালয়ে
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
সারাদেশে জলাশয়গুলো চিহ্নিত করে দেশি মাছের প্রজাতি রক্ষা করতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন, নতুন তিন সচিব তিন মন্ত্রনালয়ে
আরও সংবাদ পড়ুন।
দেশের জলাশয় রক্ষায় আমরা কাজ করে যাব – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
মৎস্যসম্পদ রক্ষায় দেশবাসীকে পরিবেশের প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে মানুষের অধিকার কখনো ক্ষুণ্ণ হবে না – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আগামী ১৮ আগস্ট থেকে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫
আরও সংবাদ পড়ুন।
গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
গবাদিপশুর রোগ প্রতিরোধে সময়মতো ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
কৃষকের চেয়ে বড় প্রাইভেট সেক্টর আর কি হতে পারে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
ইলিশের বাড়ি ভোলা আর বিভাগ বরিশাল – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা


























