সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি

wnews360.com_20250715_225334_0000.png
admin

প্রধান বিচারপতি ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিতে পারবেন। সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি।

বিশেষ প্রতিনিধিঃ বিচার বিভাগের উন্নয়ন বা কারিগরি প্রকল্পের এবং অনুন্নয়ন বাজেটের আওতায় কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রক্কলিত ব্যয় সর্বোচ্চ ৫০ কোটি টাকা হলে তার অনুমোদন দিতে পারবেন প্রধান বিচারপতি।

সরকার সময়ে সময়ে, সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শ করে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই আর্থিক সীমা মুদ্রাস্ফীতির সাথে সমন্বয় করে বা অন্য কোনো উপযুক্ত কারণে বৃদ্ধি করতে পারবে। আর্থিক পরিমাণ এর চেয়ে বেশি হলে তার অনুমোদন নিতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে উপস্থাপনের জন্য পরিকল্পনামন্ত্রীর নিকট পাঠাতে হবে। এমন বিধানসহ অধস্তন আদালতের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতার সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির হাতে ন্যস্ত করে সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ-২০২৫ জারি করা হয়েছে।

রোববার (৩০ নভেম্বর ২০২৫) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এর আগে গত ২০ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ অধস্তন আদালতের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

অধ্যাদেশের ৮ ধারায় বলা হয়েছে, অধস্তন আদালত, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়-সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানগুলো সংক্রান্ত উন্নয়ন বা কারিগরি প্রকল্প চূড়ান্ত নিরীক্ষা ও সুপারিশ করার লক্ষ্যে ৮ সদস্যের একটি পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি গঠিত হবে। এই পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটির প্রধান হবেন প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি। কমিটি প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে এর কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৫০ (পঞ্চাশ) কোটি টাকার মধ্যে থাকলে প্রধান বিচারপতি অনুমোদন করবেন এবং এর ওপরে হলে তা অনুমোদনের জন্য সরকারের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে উপস্থাপনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রীর নিকট সরাসরি প্রেরণ করা হবে।

প্রকল্প গ্রহণ, প্রণয়ন ও যাচাই-বাছাই করার জন্য সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিবের নেতৃত্বে প্রকল্প যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করা হবে। প্রকল্প যাচাই-বাছাই কমিটি প্রকল্প যাচাই-বাছাই করার ক্ষেত্রে ‘সরকারি খাতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধন নির্দেশিকা, ২০২২’ অনুসরণ করবে।

প্রকল্প যাচাই-বাছাই কমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাইকৃত প্রকল্প চূড়ান্ত নিরীক্ষা ও সুপারিশের জন্য পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটির নিকট প্রেরণ করবে। অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, অনুন্নয়ন বাজেটের আওতায় কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত স্কিমের প্রাক্কলিত ব্যয় ৫০ (পঞ্চাশ) কোটি টাকার মধ্যে থাকলে প্রধান বিচারপতি অনুমোদন করবেন এবং এর ঊর্ধ্বে হলে এইরূপ স্কিম অনুমোদনের প্রস্তাব অর্থ বিভাগে প্রেরণ করা হবে।

পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটির সুপারিশক্রমে প্রধান বিচারপতি উক্ত ধারার অধীন গৃহীত বা বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের ক্ষেত্রে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প, বিনিয়োগ প্রকল্প, কারিগরি সহায়তা প্রকল্প, কারিগরি প্রকল্প, সংশোধিত বিনিয়োগ প্রকল্প, সংশোধিত কারিগরি সহায়তা প্রকল্প ও সংশোধিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প এবং প্রকল্পের আন্তঃঅঙ্গ ব্যয় সমন্বয়সহ প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং বরাদ্দ ব্যবহার সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব অনুমোদন করবেন।

অধ্যাদেশের ১১ ধারায় বাজেট ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রত্যেক অর্থবছরের জন্য সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যপরিধিভুক্ত আদালত, প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরের জন্য অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি এবং সুপ্রিম কোর্টের জন্য অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি উক্ত অর্থ-বৎসর শুরু হওয়ার অন্তত ৩ (তিন) মাস পূর্বে প্রস্তুত করবে।

এই বিবৃতিতে সুপ্রীম কোর্ট ও বিচার কর্ম-বিভাগে নিযুক্ত বিচারক, বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে নিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণকে প্রদেয় বেতন ও ভাতাদি এবং দেশের বিচার প্রশাসন পরিচালনার প্রশাসনিক ব্যয় এবং সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত, তৎসংশ্লিষ্ট দপ্তর, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, কমিশন, ইনস্টিটিউট, একাডেমি প্রভৃতির আবর্তক ও উন্নয়ন ব্যয়, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রধান বিচারপতি উক্ত বিবৃতি সরকারের আর্থিক বিবৃতির সাথে সংযুক্ত করে সংসদে উপস্থাপনের জন্য অর্থমন্ত্রীর নিকট প্রেরণ করবেন। সরকারের বাজেট প্রণয়নের সুবিধার্থে কৌশলগত পর্যায়ের শুরুতেই সুপ্রিম কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের রাজস্ব ও প্রাপ্তির প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা এবং প্রাথমিক সম্ভাব্য ব্যয়সীমার প্রাক্কলন ও প্রক্ষেপণ সরকারের নিকট প্রেরণ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অনুকূলে বাজেটে বরাদ্দকৃত অর্থ পুনঃউপযোজনের সব ক্ষমতা প্রধান বিচারপতির থাকবে।

অধ্যাদেশের ৪ ধারায় বলা হয়েছে, সংবিধানের ২২, ১০৯ এবং ১১৬ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নামে একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় থাকবে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির উপর ন্যস্ত থাকবে এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিব ওই সচিবালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হবেন।

অধ্যাদেশের ৫ ধারায় এই সচিবালয়ের কার্যাবলী সম্পর্ক-এ বলা হয়েছে, দেশের বিচার প্রশাসন পরিচালনায় সুপ্রিম কোর্টকে সহায়তা প্রদান করার জন্য অধস্তন আদালত ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক ও সাচিবিক দায়িত্ব পালন; অধস্তন আদালতের প্রতিষ্ঠা বা বিলোপ, সংখ্যা, গঠন ও এখতিয়ার নির্ধারণ; অধস্তন আদালত ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের বিচারক, বা ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কর্মের শর্তাবলি নির্ধারণ ও নিয়োগ; সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদ সৃজন, বিলোপ, বিন্যাস, নিয়োগ, কর্মের শর্তাবলি নির্ধারণ, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা, ছুটি, প্রশাসন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়; সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল ও বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের পদ সৃজন, বিলোপ ও বিন্যাস; সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়, সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের সাংগঠনিক কাঠামো নির্ধারণ ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে হালনাগাদকরণ; অধস্তন আদালতের পদ সৃজন সংক্রান্ত বিষয়াদিতে সংবিধানের ১২৫ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিমালায় বর্ণিত কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক ও অন্যান্য সহায়তা; বিচার কর্মে নিয়োজিত সার্ভীস সদস্যদের পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও ছুটি সম্বন্ধে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অন্যান্য অনুষঙ্গিক বিষয়। সার্ভিস সদস্যগণের পদায়ন ও বদলি সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন, অধস্তন আদালত, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়-সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বাজেট ব্যবস্থাপনা, সুপ্রিমকোর্ট, অধস্তন আদালত, প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর-এ প্রতিষ্ঠানসমূয়ের উন্নয়ন বা কারিগরি প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন; প্রধান বিচারপতির এবং সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল ও উক্ত আদালতগুলোর বিচারকদের নিরাপত্তা তত্ত্বাবধান; সার্ভিস সদস্যগণের এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় ও বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের শিক্ষা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষন ও এতদসংক্রান্ত অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।

জুডিসিয়াল সার্ভিস প্রশাসনের দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে অধ্যাদেশের ৭ ধারায় বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সার্ভিস প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হবে। সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সার্ভিস সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত কাজে রাষ্ট্রপতির পক্ষে প্রয়োজনীয় সকল প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবে। সার্ভিস সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত কার্যাদি সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিব কর্তৃক সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট কমিটির পরামর্শের জন্য উপস্থাপিত হবে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সার্ভিস সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান করলেও, আইন ও বিচার বিভাগ ও এর কার্যপরিধিতে বর্ণিত প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা এবং অন্য কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের দপ্তরে সার্ভিস সদস্যদের পদায়ন বা বদলি সংক্রান্ত কার্যাদি এতদুদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে, সম্পাদিত হবে।

অধ্যাদেশ জারির উদ্দেশ্য সম্পর্ক-এ বলা হয়েছে, অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত বিষয়াদি যথাযথরূপে পালনের জন্য এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ।

যেহেতু সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণকে রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম মূলনীতি হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে; যেহেতু সংবিধানের ১০৯ এবং ১১৬ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত বিষয়াদি যথাযথরূপে পালনের জন্য এবং বিচার বিভাগের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা পালনের জন্য একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা আবশ্যক এবং এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তগুলো সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; যেহেতু আপিল বিভাগের ৭৯/১৯৯৯ নম্বর সিভিল আপিলের রায় বাস্তবায়নের জন্য নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ বাস্তবায়নকল্পে বিচার বিভাগের জন্য স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে; এবং যেহেতু সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় রয়েছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট এটা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রয়েছে; সেহেতু সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করলেন।

উল্লেখ্য, বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণ নিশ্চিতকরণে প্রধান বিচারপতির উদ্যোগে গত বছরের ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় গঠন সংক্রান্ত প্রস্তাব আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়।

আরও সংবাদ পড়ুন।

সারাদেশে ৮২৬ জন বিচারকের পদোন্নতি

আরও সংবাদ পড়ুন।

গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি

আরও সংবাদ পড়ুন।

উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিটের প্রয়োজন নেই: আইন উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

সরকার ৪১ জন (ডিএজি) এবং ৬৭ জন (এজিএ) নিয়োগ দিয়েছে

আরও সংবাদ পড়ুন।

দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত আলাদা করল সরকার

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রথমবারের মতো কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশ-সৌদি আরব চুক্তি স্বাক্ষর

আরও সংবাদ পড়ুন।

বার কাউন্সিল পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনও সুযোগ নেই – অ্যাটর্নি জেনারেল

আরও সংবাদ পড়ুন।

অন্তর্বর্তী সরকার মানবাধিকার রক্ষায় একটি মাইলফলক স্থাপন করে যেতে চায় : আইন উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিচারপতিদের বিষয়ে তদন্ত চলমান: সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন

আরও সংবাদ পড়ুন।

জেলা জজের অসদচারণ ও দুর্নীতি বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে অভিযোগ

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এ,এইচ,এম মাহমদুর রহমানের রাজশাহীতে বদলী

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোলা কোর্টের বিচারক ও আইনজীবীদের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে মিছিল ও মানববন্ধন

ভিডিও চিত্র দেখুন।

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোলা জেলার জেলা জজ মাহমুদুর রহমান এর অনিয়ম ও দূর্নীতি

আরও সংবাদ পড়ুন।

জেলা প্রশাসকের সরকারি বাসভবনের নির্মাণাধীন সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর; থানায় জিডি

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোলা জেলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এপিপি’দের ধর্মঘট; অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোলার নতুন জেলা জজ মহাসিনুল হক নিয়োগ পেলেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের ১৮৯ বিচারককে বদলি

আরও সংবাদ পড়ুন।

হাইকোর্টের ২৫ বিচারপতি নিয়োগ

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধান বিচারপতি পিএসসির নতুন তিন সদস্যকে শপথ পড়ালেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

আরও সংবাদ পড়ুন।

অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

আরও সংবাদ পড়ুন।

অভ্যুত্থানের সকল কারাবন্দীর নাম জুলাই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে: আসিফ নজরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আ.লীগের নৃশংসতা হানাদার বাহিনীকেও হার মানিয়েছে : আইন উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক গ্রেপ্তার

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোলা কোর্টের বিচারক ও আইনজীবীদের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে মিছিল ও মানববন্ধন

আরও সংবাদ পড়ুন।

পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

আরও সংবাদ পড়ুন।

সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মাসউদ ও সাধারণ সম্পাদক ডালিম

আরও সংবাদ পড়ুন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যারা দণ্ডিত হবেন, তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না – অ্যাটর্নি জেনারেল

আরও সংবাদ পড়ুন।

মিথ্যা মামলা ও অযৌক্তিক গ্রেপ্তার এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ বিধান আনছে সরকার – আইন উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

মানুষকে মামলার অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে কাজ করছি – আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

মানুষকে মামলার অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে কাজ করছি – আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

৩০ জেলা ও দায়রা জজ ও ৩৮ জন অতিরিক্ত জেলা জজ বদলি

আরও সংবাদ পড়ুন।

তদন্ত কার্যক্রম ও বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চলমান : চিফ প্রসিকিউটর

আরও সংবাদ পড়ুন।

তদন্ত কার্যক্রম ও বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চলমান : চিফ প্রসিকিউটর

আরও সংবাদ পড়ুন।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে: প্রধান বিচারপতি

আরও সংবাদ পড়ুন।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর খসড়া প্রস্তুত

আরও সংবাদ পড়ুন।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খিজির হায়াতকে অপসারণ

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিচারপতি কাজী জিনাত হক হলেন সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছি : প্রধান বিচারপতি  

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধান বিচারপতির সংস্কার উদ্যোগে ইইউর পূর্ণ সমর্থন

আরও সংবাদ পড়ুন।

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ আদেশ: অন্তর্বর্তী সরকার আইনি দলিল ও জনগণের ইচ্ছা দিয়ে গঠিত

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সুপারিশে কি কি থাকছে?

আরও সংবাদ পড়ুন।

অনুমতি ছাড়া গাছ কাটা যাবে না: হাইকোর্টের রায়

আরও সংবাদ পড়ুন।

নিয়োগবাণিজ্য, ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে ৪ বিচারককে প্রত্যাহার

আরও সংবাদ পড়ুন।

৪ বিচারকের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

আরও সংবাদ পড়ুন।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ হবে কাউন্সিলের মাধ্যমে, অধ্যাদেশ জারি

আরও সংবাদ পড়ুন।

জাতি অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ট্রাইব্যুনালের দিকে তাকিয়ে আছে : প্রধান বিচারপতি

আরও সংবাদ পড়ুন।

উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগবিধি সংস্কার খুবই গুরুত্বপূর্ণ : আইন উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিচারক মোছা. কামরুন্নাহারকে আদালতে না বসার নির্দেশ

আরও সংবাদ পড়ুন।

জেলা ও দায়রা জজ রোস্তম আলীকে প্রত্যাহার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top