তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরত প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন

Picsart_24-08-12_15-18-57-911.jpg

দেশের ২৫তম বিচার পতি বিচার ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত রাখা ও বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে নিজের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরলেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

admin

বিশেষ প্রতিবেদকঃ দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরলে সেটি সংসদের ক্ষমতা খর্ব করবে কি না, এমন প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

বুধবার (২২ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরানো নিয়ে দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।

এদিন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরিয়ে দিয়ে ১৪তম জাতীয় নির্বাচন থেকে তা কার্যকর চেয়ে আপিল বিভাগে শুনানি করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া।

শুনানিতে শরীফ ভূঁইয়া বলেন, হাইকোর্ট থেকে আপিল বিভাগ পর্যন্ত ১২ জন বিচারপতি এ মামলাটি শুনেছেন। তাদের মধ্যে আটজনই তা (তত্ত্বাবধায়ক সরকার) রাখার পক্ষে মত দেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকসহ চারজন তা বাতিল করতে বলেন।

এ আইনজীবী বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে আপিল বিভাগ একটি গাইডলাইন করে দিতে পারেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংক্রান্ত মামলার আপিল শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্য কোনো মামলার আপিল শুনানি হবে না। কারণ, এটিই এখন সবচেয়ে বড় মামলা।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের প্রথম দিনের শুনানি হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই বছরের ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিল বিভাগের ২০১১ সালের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে প্রথম আবেদন করেন সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি।

অন্যরা হলেন তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান।

একই বছরের ১৬ অক্টোবর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। এর এক সপ্তাহ পর ২৩ অক্টোবর রিভিউ আবেদন করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

১৯৯৬ সালে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়। তবে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানির পর হাইকোর্ট রুল জারি করেন।

২০০৪ সালের ৪ আগস্ট চূড়ান্ত শুনানি শেষে রিটটি খারিজ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করা হয়।

আদালত এ মামলায় আটজন অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) নিয়োগ করে তাদের মতামত শোনেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন সরাসরি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার পক্ষে মত দেন।
তারা হলেন ড. কামাল হোসেন, টিএইচ খান, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদুল ইসলাম, ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম ও ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ।

অপর অ্যামিকাস কিউরি ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কেসি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের পক্ষে মতো দেন।

ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক ও ড. এম জহির তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার আমূল সংস্কারের পক্ষে মত দিয়ে তাদের প্রস্তাব আদালতে তুলে ধরেন। এ ছাড়া তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাখার পক্ষে মত দেন।

২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ।

২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয় এবং ৩ জুলাই গেজেট প্রকাশিত হয়।

এরপর টানা তিনটি জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) দলীয় সরকারের (আওয়ামী লীগের) অধীনে অনুষ্ঠিত হয়।

আরও সংবাদ পড়ুন।

লিগ্যাল নোটিশ – জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে

আরও সংবাদ পড়ুন।

অনিয়ম ও দুর্নীতি : ঢাকার সাবেক সিএমএম রেজাউল বরখাস্ত

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিচারক লিয়াকত আলী মোল্লা হলেন আইন সচিব

আরও সংবাদ পড়ুন।

যত বাধাই আসুক ড. ইউনূসের নেতৃত্বেই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

আরও সংবাদ পড়ুন।

বার কাউন্সিল পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনও সুযোগ নেই – অ্যাটর্নি জেনারেল

আরও সংবাদ পড়ুন।

আজ বিচার বিভাগের জন্য প্রধান বিচারপতির রোডম্যাপ ঘোষণার এক বছর

আরও সংবাদ পড়ুন।

দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত আলাদা করল সরকার

আরও সংবাদ পড়ুন।

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন নামঞ্জুর।

আরও সংবাদ পড়ুন।

বার কাউন্সিল পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনও সুযোগ নেই – অ্যাটর্নি জেনারেল

আরও সংবাদ পড়ুন।

অন্তর্বর্তী সরকার মানবাধিকার রক্ষায় একটি মাইলফলক স্থাপন করে যেতে চায় : আইন উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিচারপতিদের বিষয়ে তদন্ত চলমান: সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন

আরও সংবাদ পড়ুন।

জেলা জজের অসদচারণ ও দুর্নীতি বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে অভিযোগ

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এ,এইচ,এম মাহমদুর রহমানের রাজশাহীতে বদলী

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোলা কোর্টের বিচারক ও আইনজীবীদের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে মিছিল ও মানববন্ধন

ভিডিও চিত্র দেখুন।

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোলা জেলার জেলা জজ মাহমুদুর রহমান এর অনিয়ম ও দূর্নীতি

আরও সংবাদ পড়ুন।

জেলা প্রশাসকের সরকারি বাসভবনের নির্মাণাধীন সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর; থানায় জিডি

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোলা জেলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এপিপি’দের ধর্মঘট; অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোলার নতুন জেলা জজ মহাসিনুল হক নিয়োগ পেলেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের ১৮৯ বিচারককে বদলি

আরও সংবাদ পড়ুন।

হাইকোর্টের ২৫ বিচারপতি নিয়োগ

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধান বিচারপতি পিএসসির নতুন তিন সদস্যকে শপথ পড়ালেন

আরও সংবাদ পড়ুন।

অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

আরও সংবাদ পড়ুন।

অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

আরও সংবাদ পড়ুন।

অভ্যুত্থানের সকল কারাবন্দীর নাম জুলাই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে: আসিফ নজরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আ.লীগের নৃশংসতা হানাদার বাহিনীকেও হার মানিয়েছে : আইন উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক গ্রেপ্তার

আরও সংবাদ পড়ুন।

ভোলা কোর্টের বিচারক ও আইনজীবীদের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে মিছিল ও মানববন্ধন

আরও সংবাদ পড়ুন।

পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

আরও সংবাদ পড়ুন।

সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মাসউদ ও সাধারণ সম্পাদক ডালিম

আরও সংবাদ পড়ুন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যারা দণ্ডিত হবেন, তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না – অ্যাটর্নি জেনারেল

আরও সংবাদ পড়ুন।

মিথ্যা মামলা ও অযৌক্তিক গ্রেপ্তার এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ বিধান আনছে সরকার – আইন উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

মানুষকে মামলার অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে কাজ করছি – আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

মানুষকে মামলার অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে কাজ করছি – আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল

আরও সংবাদ পড়ুন।

৩০ জেলা ও দায়রা জজ ও ৩৮ জন অতিরিক্ত জেলা জজ বদলি

আরও সংবাদ পড়ুন।

তদন্ত কার্যক্রম ও বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চলমান : চিফ প্রসিকিউটর

আরও সংবাদ পড়ুন।

তদন্ত কার্যক্রম ও বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চলমান : চিফ প্রসিকিউটর

আরও সংবাদ পড়ুন।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে: প্রধান বিচারপতি

আরও সংবাদ পড়ুন।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর খসড়া প্রস্তুত

আরও সংবাদ পড়ুন।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খিজির হায়াতকে অপসারণ

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিচারপতি কাজী জিনাত হক হলেন সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছি : প্রধান বিচারপতি  

আরও সংবাদ পড়ুন।

প্রধান বিচারপতির সংস্কার উদ্যোগে ইইউর পূর্ণ সমর্থন

আরও সংবাদ পড়ুন।

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ আদেশ: অন্তর্বর্তী সরকার আইনি দলিল ও জনগণের ইচ্ছা দিয়ে গঠিত

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সুপারিশে কি কি থাকছে?

আরও সংবাদ পড়ুন।

অনুমতি ছাড়া গাছ কাটা যাবে না: হাইকোর্টের রায়

আরও সংবাদ পড়ুন।

নিয়োগবাণিজ্য, ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে ৪ বিচারককে প্রত্যাহার

আরও সংবাদ পড়ুন।

৪ বিচারকের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

আরও সংবাদ পড়ুন।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ হবে কাউন্সিলের মাধ্যমে, অধ্যাদেশ জারি

আরও সংবাদ পড়ুন।

জাতি অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ট্রাইব্যুনালের দিকে তাকিয়ে আছে : প্রধান বিচারপতি

আরও সংবাদ পড়ুন।

উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগবিধি সংস্কার খুবই গুরুত্বপূর্ণ : আইন উপদেষ্টা

আরও সংবাদ পড়ুন।

বিচারক মোছা. কামরুন্নাহারকে আদালতে না বসার নির্দেশ

আরও সংবাদ পড়ুন।

জেলা ও দায়রা জজ রোস্তম আলীকে প্রত্যাহার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top