উপজেলা প্রতিনিধিঃ ভোলার জেলার তজুমদ্দিন উপজেলা থেকে মনপুরা উপজেলায় নদী পথে পাচারকালে ৫৫ বস্তা সরকারি টিএসপি সার আটক করেছে স্থানীয়রা।
এই খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে এসে সার জব্দ করেছে তজুমুদ্দিন থানা পুলিশ।
স্থানীয় জনতা সার আটক করে পুলিশে খবর দিলে পাচারকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
তবে, স্থানীয়রা নাম প্রকাশ না করে বলেন, সরকারি কৃষি কর্মকর্তাদের যোগসাজশেই সার পাচার চলছে। উপজেলা এবং জেলা কৃষি কর্মকর্তাদের নাকের ডগায় বসেই পাচার কারীরা সরকারের সম্পদ পাচার করছে। বিনিময়ে টাকার অংশ ভাগ পাচ্ছেন জেলা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।
সরকারি সার পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তজুমদ্দিন থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মহব্বত খান।
সার চোরাই চক্রে জড়িতদের রক্ষা করতে জোড় চেষ্টা চালাচ্ছেন স্থানীয় একটি গ্রুপ। এর সাথে আঁতাত আছে তজুমুদ্দিন উপজেলা এবং ভোলা জেলা কৃষি কর্মকর্তার অভিযোগ স্থানীয়দের।
থানা ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র জানায়, রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বিকালে তজুমদ্দিন টু মনপুরা রুটের সি-ট্রাকে সার উঠানোর সময় সন্দেহ হলে স্থানীয়রা চ্যালেঞ্জ করে বাঁধা দেন।
এসময় পাচারকারী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে থানা পুলিশ ও উপজেলা কৃষি অফিসার ঘটনাস্থলে গিয়ে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন এর ৫৫ বস্তা টিএসপি সার জব্দ করেন। জব্দকৃত ৫৫ বস্তা সারের মূল্য আনুমানিক ১ লক্ষ টাকা ধারণা করা হচ্ছে।
শশীগঞ্জ ঘাটের টোল আদায়কারী মোঃ নুরনবী জানান,সি-ট্রাক যোগে মনপুরা নেয়ার উদ্দেশ্যে সারগুলো ঘাটে রেখে নসিমন সহ চালক চলে যায়। ঘাট শ্রমিকরা সী-ট্রাকে উঠানোর সময় এলাকার কয়েকজন বাঁধা দেওয়ায় থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে জব্দ করেন।
তজুমুদ্দিন উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিসার মো. ইব্রাহিম আসাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। সরকারি কর্মকর্তা হয়েও তিনি পাচার চক্রের সাথে আঁতাত করে সার পাচার করছেন। এই দায় থেকে কোন ভাবেই কৃষি কর্মকর্তা নিজেকে এড়িয়ে যেতে পারেন না।
তজুমদ্দিন থানা অফিসার ইনচার্জ মো. মহব্বত খান বলেন, স্থানীয় জনতা কর্তৃক ধৃত ৫৫ বস্তা সার থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরও সংবাদ পড়ুন।
কৃষকের উন্নয়ন হলেই জনগণের প্রকৃত উন্নয়ন হবে- স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা
আরও সংবাদ পড়ুন।
ভোলায় কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা হাসান ওয়ারিসুল কবিরের দূর্নীতির শেষ কোথায়?
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
আরও সংবাদ পড়ুন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে প্রকল্পে ব্যাপক আর্থিক হরিলুট, ১৯২ কোটি টাকার অনিয়ম
আরও সংবাদ পড়ুন।



























